ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় চিংড়িঘেরে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধ ৩ ৫০ হাজার টাকার জন্য ৪ বছরের ওমাইরকে অপহরণ করে হত্যা এমপি কাজলের সহধর্মিণী শিরিন রহমানের সুস্থতা কামনায় রামুতে বিএনপির দোয়া মাহফিল উখিয়ায় চার বছরের শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার দম্পতি পবিত্র রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানালেন আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা স্ত্রী পরিচয়ে রাজুর সঙ্গেই কক্সবাজারের হোটেলে উঠেছিলো তাজমিন! রিয়াদে হুথি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ জাতীয় পর্যায়ে ডিজি’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন নাইক্ষ্যংছড়ি কলেজের নীলোৎপল বড়ুয়া নাইক্ষ্যংছড়িতে ২ লাখ ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা আটক উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ওয়ান শুটার গান ও গুলিসহ আটক ১ লোহাগাড়ায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত টেকনাফ পৌরসভায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও জরিমানা: ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ​টেকনাফে মদসহ আটক ১২ রোহিঙ্গার কারাদণ্ড ঈদগাঁওয়ে পশ্চিম গোমাতলী ভূমিহীন কৃষি সমবায় সমিতির নির্বাচনের ফল প্রকাশ সভাপতি – সাইফুল ইসলাম সম্পাদক – মোঃ জুনায়েদ

উখিয়ায় চার বছরের শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার দম্পতি

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিখোঁজের দুই দিন পর চার বছর বয়সী এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটিকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উখিয়ার ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/১৩ ব্লকে একটি ময়লার ট্যাংকির পাশে টিনের বেড়ার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশু মো. ওমাইর উখিয়ার ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-১ ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের ছেলে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তার দুজন হলেন আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রী আনসার বেগম। শিশুটির বাবা আব্দুল হামিদের অভিযোগ, অপহরণের পর তার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর থেকে ওমাইর নিখোঁজ ছিল। বিষয়টি শিশুটির পরিবার ও ব্লক হেড মাঝি পুলিশকে জানান। পরে জামতলী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধারে অনুসন্ধান শুরু করেন।

গত ৯ অক্টোবর শিশুটির বাবা পুলিশকে জানান, আব্দুর রহমান তার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও স্থানীয় রোহিঙ্গা মাঝিদের সহযোগিতায় শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমানকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আব্দুর রহমান শিশুটিকে অপহরণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পের ডি-১৩ ব্লকে তার বসতঘরসংলগ্ন একটি ময়লার ট্যাংকির পাশে টিনের বেড়ার ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওমাইরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তবে হত্যার কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

জামতলী পুলিশ ক্যাম্প-১৫-এর পরিদর্শক তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর উখিয়া থানা-পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রী আনসার বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় চিংড়িঘেরে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধ ৩

উখিয়ায় চার বছরের শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার দম্পতি

আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিখোঁজের দুই দিন পর চার বছর বয়সী এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটিকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উখিয়ার ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/১৩ ব্লকে একটি ময়লার ট্যাংকির পাশে টিনের বেড়ার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশু মো. ওমাইর উখিয়ার ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-১ ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের ছেলে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তার দুজন হলেন আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রী আনসার বেগম। শিশুটির বাবা আব্দুল হামিদের অভিযোগ, অপহরণের পর তার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর থেকে ওমাইর নিখোঁজ ছিল। বিষয়টি শিশুটির পরিবার ও ব্লক হেড মাঝি পুলিশকে জানান। পরে জামতলী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধারে অনুসন্ধান শুরু করেন।

গত ৯ অক্টোবর শিশুটির বাবা পুলিশকে জানান, আব্দুর রহমান তার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও স্থানীয় রোহিঙ্গা মাঝিদের সহযোগিতায় শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমানকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আব্দুর রহমান শিশুটিকে অপহরণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পের ডি-১৩ ব্লকে তার বসতঘরসংলগ্ন একটি ময়লার ট্যাংকির পাশে টিনের বেড়ার ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওমাইরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তবে হত্যার কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

জামতলী পুলিশ ক্যাম্প-১৫-এর পরিদর্শক তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর উখিয়া থানা-পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রী আনসার বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক