ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় গরুর কা/টা মাথার সূত্র ধরেই মিলল চোরের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৩ শাহপরীর দ্বীপে সাড়ে চার কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল কক্সবাজারে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা আজ পৃথিবীর মন খারাপ: ‘বিদায়’ বললেন, ফুটবলের কবি হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ সাগরে লঘুচাপ, টানা বৃষ্টির আভাস দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী বিশ্ববাজারে ১০১ ডলারে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুদের তাণ্ডব: ৮ মাঝিমাল্লা চমেক হাসপাতালে সেন্টমার্টিনে ভুল চিকিৎসায় অসুস্থ ৫০ শিশু!

সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম

দ্বীপে খতনা করার পর অসুস্থ হয়ে পড়া শিশুদের চিকিৎসা দিয়েছে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কাননের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল টিম সেন্টমার্টিনে পৌঁছে শিশুদের চিকিৎসাসেবা দেয়। এ সময় খতনা করা ১২০ শিশুকে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

৪ অক্টোবর সেন্টমার্টিন দ্বীপের অবকাশ রিসোর্টে আল-মোমিন সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং শায়খ মুফতী মাহবূবুল্লাহ কাসেমীর তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ বিতরণ ও শিশুদের সুন্নাতে খতনা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী ২১০ শিশুর খতনা করে। পরে শিশুদের বিনামূল্যে ওষুধও দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে অংশ নিতে মেডিকেল টিমটি টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে সেন্টমার্টিনে যায়।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কানন বলেন, সেন্টমার্টিনে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশুদের খতনা করা হয়েছিল। বুধবার সকালে সেখানে গিয়ে খতনা করা ১২০ শিশুকে দেখা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খতনা করা প্রায় ১০ থেকে ১২ জন শিশুর কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। খতনার পর নিয়ম অনুযায়ী ওষুধ না খাওয়ানো এবং খতনা কার্যক্রমে নিয়োজিতদের অসচেতনতার কারণে এসব সমস্যা হয়ে থাকতে পারে।

ডা. নওশাদ আলম কানন আরও বলেন, ভবিষ্যতে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকায় এ ধরনের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করলে শিশুদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিতে হবে। খতনার পর সঠিক সময়ে ওষুধ খাওয়ানো ও ড্রেসিং করা হলে শিশুদের এ ধরনের সমস্যায় পড়তে হতো না।
তিনি বলেন, এসব শিশুকে চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও পাঠানোর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেন্টমার্টিনেই দেওয়া সম্ভব।

ট্যাগ :

পেকুয়ায় গরুর কা/টা মাথার সূত্র ধরেই মিলল চোরের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৩

সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম

আপডেট সময় : ০৬:০০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

দ্বীপে খতনা করার পর অসুস্থ হয়ে পড়া শিশুদের চিকিৎসা দিয়েছে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কাননের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল টিম সেন্টমার্টিনে পৌঁছে শিশুদের চিকিৎসাসেবা দেয়। এ সময় খতনা করা ১২০ শিশুকে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

৪ অক্টোবর সেন্টমার্টিন দ্বীপের অবকাশ রিসোর্টে আল-মোমিন সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং শায়খ মুফতী মাহবূবুল্লাহ কাসেমীর তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ বিতরণ ও শিশুদের সুন্নাতে খতনা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী ২১০ শিশুর খতনা করে। পরে শিশুদের বিনামূল্যে ওষুধও দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে অংশ নিতে মেডিকেল টিমটি টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে সেন্টমার্টিনে যায়।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কানন বলেন, সেন্টমার্টিনে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশুদের খতনা করা হয়েছিল। বুধবার সকালে সেখানে গিয়ে খতনা করা ১২০ শিশুকে দেখা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খতনা করা প্রায় ১০ থেকে ১২ জন শিশুর কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। খতনার পর নিয়ম অনুযায়ী ওষুধ না খাওয়ানো এবং খতনা কার্যক্রমে নিয়োজিতদের অসচেতনতার কারণে এসব সমস্যা হয়ে থাকতে পারে।

ডা. নওশাদ আলম কানন আরও বলেন, ভবিষ্যতে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকায় এ ধরনের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করলে শিশুদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিতে হবে। খতনার পর সঠিক সময়ে ওষুধ খাওয়ানো ও ড্রেসিং করা হলে শিশুদের এ ধরনের সমস্যায় পড়তে হতো না।
তিনি বলেন, এসব শিশুকে চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও পাঠানোর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেন্টমার্টিনেই দেওয়া সম্ভব।