ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ সব প্রতিষ্ঠানই বিধ্বস্ত অবস্থায় : জামায়াত আমির সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য হচ্ছে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী তুমব্রু সীমান্তে তিনটি ব্যাগে মিলল ৪ লাখ বার্মিজ ইয়াবা দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯ বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরী অসুস্থ : সিসিইউতে ভর্ত রামুতে সত্যপ্রিয় মহাথেরোর ৭ম প্রয়াণ বার্ষিকী পালিত বিজিবি’র পৃথক অভিযান : ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২ রোহিঙ্গা নারী কুতুবদিয়ায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি উদ্বোধন : ১ হাজার ৮৮০ পাবে সুবিধা উখিয়ায় শিকারীদের ফাঁদ থেকে ২৪ টি বক উদ্ধার আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আগত বিদেশি পর্যটকদের মনোরঞ্জন ও সেবার জন্য কি কক্সবাজার প্রস্তুত! আরব আমিরাতের শারজাহতে বৈদ্যঘোনার জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যু প্রধান সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ : কলাতলী থেকে লিংক রোড পর্যন্ত চলবে অভিযান শহরের দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিদপ্তরের পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা

সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯

 গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩ জন এবং আহত ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ১৫৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৯ জন। এই যানবাহনটির দুর্ঘটনার হার ৩৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এতে ১০৬ জন পথচারী নিহত ও যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত ৫৩ জন।

একই সময়ে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, ৭ জন আহত এবং ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে যানবাহনভিত্তিক নিহতের হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের। এ সংখ্যা ১৩৯ জন, যা মোট নিহতের ৩২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এছাড়া বাসের যাত্রী ২৬ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-ট্রলির আরোহী ১৯ জন, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-জিপের আরোহী ২১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৮৮ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৮ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ৬ জন নিহত হয়েছেন।

থ্রি-হুইলার যাত্রীদের মধ্যে অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনার যাত্রীরা রয়েছেন। আর স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের মধ্যে রয়েছে নসিমন, ভটভটি, মাহিন্দ্র ও টমটম।

আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ১৩২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, এতে নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন। একক জেলা হিসেবে গাজীপুরে সর্বোচ্চ ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানীতে ৫২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন, আহত ৪৭ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, অধিকাংশ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি ও যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানো। এছাড়া ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, চালকদের অদক্ষতা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

দুর্ঘটনা কমাতে প্রযুক্তির মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের প্রশিক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

সূত্র:  যমুনা নিউজ
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯

আপডেট সময় : ০১:০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
 গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩ জন এবং আহত ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ১৫৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৯ জন। এই যানবাহনটির দুর্ঘটনার হার ৩৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এতে ১০৬ জন পথচারী নিহত ও যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত ৫৩ জন।

একই সময়ে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, ৭ জন আহত এবং ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে যানবাহনভিত্তিক নিহতের হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের। এ সংখ্যা ১৩৯ জন, যা মোট নিহতের ৩২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এছাড়া বাসের যাত্রী ২৬ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-ট্রলির আরোহী ১৯ জন, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-জিপের আরোহী ২১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৮৮ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৮ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ৬ জন নিহত হয়েছেন।

থ্রি-হুইলার যাত্রীদের মধ্যে অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনার যাত্রীরা রয়েছেন। আর স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের মধ্যে রয়েছে নসিমন, ভটভটি, মাহিন্দ্র ও টমটম।

আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ১৩২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, এতে নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন। একক জেলা হিসেবে গাজীপুরে সর্বোচ্চ ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানীতে ৫২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন, আহত ৪৭ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, অধিকাংশ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি ও যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানো। এছাড়া ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, চালকদের অদক্ষতা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

দুর্ঘটনা কমাতে প্রযুক্তির মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের প্রশিক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

সূত্র:  যমুনা নিউজ