একই সময়ে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, ৭ জন আহত এবং ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।
থ্রি-হুইলার যাত্রীদের মধ্যে অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনার যাত্রীরা রয়েছেন। আর স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের মধ্যে রয়েছে নসিমন, ভটভটি, মাহিন্দ্র ও টমটম।
আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ১৩২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, এতে নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন। একক জেলা হিসেবে গাজীপুরে সর্বোচ্চ ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানীতে ৫২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন, আহত ৪৭ জন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, অধিকাংশ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি ও যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানো। এছাড়া ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, চালকদের অদক্ষতা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।
দুর্ঘটনা কমাতে প্রযুক্তির মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের প্রশিক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
টিটিএন ডেস্ক: 




















