ঢাকা ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সম্প্রীতির পথে বাধা চিহ্নিত করেছে তরুণদের পরিচালিত গবেষণা সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম সোমবার কক্সবাজার আসছেন, যোগ দেবেন রামুর জাহাজভাসা উৎসবে সেন্টমার্টিনে ট্রাভেল পাস লাগবে কি, কত দিন রাতযাপন করা যাবে- জাহাজ ছাড়বে কোথা থেকে? ফানুসের রঙে আলোকিত রামু, প্রবারণা পূর্ণিমায় উৎসবমুখর বৌদ্ধ জনপদ কুতুবদিয়ার অবসরপ্রাপ্ত তহসিলদার আবদুল গফুর কুতুবী মারা গেছেন : সোমবার জানাজা ৯০ দশকের ছাত্রনেতা উখিয়ার কফিল উদ্দিন চৌধুরী আর নেই ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে ডাকাতির মামলায় ইমাম হোসেন গ্রেফতার নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে চলবে সেন্টমার্টিনের জাহাজ : দিতে হবে পরিবেশ ফি টেকনাফে ৩ কোটি টাকা মূল্যের ১০ লাখ ১০ হাজার ৮০০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ মহেশখালীতে ট্রলি গাড়ি উল্টে শ্রমিকের মৃত্যু ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন টঙ্গীতে শিশু যৌ’ন নিপী’ড়নের অভিযোগ: মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষের জামিন নামঞ্জুর জুলাই অভ্যুত্থানের তিন মামলায় হাসিনাসহ ১১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে নিম্নচাপটি, কবে কোথায় আঘাত আগামীকাল থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস, টিকিট পাবেন যেভাবে

সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯

 গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩ জন এবং আহত ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ১৫৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৯ জন। এই যানবাহনটির দুর্ঘটনার হার ৩৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এতে ১০৬ জন পথচারী নিহত ও যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত ৫৩ জন।

একই সময়ে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, ৭ জন আহত এবং ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে যানবাহনভিত্তিক নিহতের হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের। এ সংখ্যা ১৩৯ জন, যা মোট নিহতের ৩২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এছাড়া বাসের যাত্রী ২৬ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-ট্রলির আরোহী ১৯ জন, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-জিপের আরোহী ২১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৮৮ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৮ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ৬ জন নিহত হয়েছেন।

থ্রি-হুইলার যাত্রীদের মধ্যে অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনার যাত্রীরা রয়েছেন। আর স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের মধ্যে রয়েছে নসিমন, ভটভটি, মাহিন্দ্র ও টমটম।

আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ১৩২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, এতে নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন। একক জেলা হিসেবে গাজীপুরে সর্বোচ্চ ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানীতে ৫২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন, আহত ৪৭ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, অধিকাংশ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি ও যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানো। এছাড়া ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, চালকদের অদক্ষতা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

দুর্ঘটনা কমাতে প্রযুক্তির মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের প্রশিক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

সূত্র:  যমুনা নিউজ
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সম্প্রীতির পথে বাধা চিহ্নিত করেছে তরুণদের পরিচালিত গবেষণা

সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯

আপডেট সময় : ০১:০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
 গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩ জন এবং আহত ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ১৫৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৯ জন। এই যানবাহনটির দুর্ঘটনার হার ৩৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এতে ১০৬ জন পথচারী নিহত ও যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত ৫৩ জন।

একই সময়ে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, ৭ জন আহত এবং ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে যানবাহনভিত্তিক নিহতের হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের। এ সংখ্যা ১৩৯ জন, যা মোট নিহতের ৩২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এছাড়া বাসের যাত্রী ২৬ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-ট্রলির আরোহী ১৯ জন, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-জিপের আরোহী ২১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৮৮ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৮ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ৬ জন নিহত হয়েছেন।

থ্রি-হুইলার যাত্রীদের মধ্যে অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনার যাত্রীরা রয়েছেন। আর স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের মধ্যে রয়েছে নসিমন, ভটভটি, মাহিন্দ্র ও টমটম।

আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ১৩২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, এতে নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন। একক জেলা হিসেবে গাজীপুরে সর্বোচ্চ ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানীতে ৫২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন, আহত ৪৭ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, অধিকাংশ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি ও যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানো। এছাড়া ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, চালকদের অদক্ষতা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

দুর্ঘটনা কমাতে প্রযুক্তির মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের প্রশিক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

সূত্র:  যমুনা নিউজ