আজ শুক্রবার শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান এই ধর্মীয় উৎসব ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নেয়া হয়েছে নানা আয়োজন। মন্দির ও পূজামণ্ডপে হবে পূজা, কীর্তন, গীতাযজ্ঞ, আরতি ও ধর্মীয় আলোচনা।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পৃথিবীতে আবির্ভূত হন শ্রীকৃষ্ণ। তার জন্মতিথি স্মরণেই প্রতিবছর পালিত হয় জন্মাষ্টমী। ধর্মীয় বিশ্বাসে শ্রীকৃষ্ণ সত্য, ন্যায় ও মানবকল্যাণের প্রতীক। অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে তার অবস্থান যুগের পর যুগ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে আসছে।
এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ অনুসরণ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মন্দির, মঠ ও পূজামণ্ডপে দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠান হবে। আয়োজনের মধ্যে রয়েছে শোভাযাত্রা, গীতাযজ্ঞ, কীর্তন, আরতি, প্রসাদ বিতরণ ও আলোচনা সভা।
রাজধানীতে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী উৎসব শুরু হচ্ছে আজ। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে সকালে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় গীতাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা। রাতে থাকবে শ্রীকৃষ্ণের পূজা। শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
এ ছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় সংগঠনের উদ্যোগেও থাকছে নানা কর্মসূচি। স্বামীবাগের ইসকন আশ্রমে আয়োজন করা হবে জন্মাষ্টমী মহোৎসব। সেখানে ধর্মীয় আলোচনা ছাড়াও দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে বস্ত্র ও খাদ্য বিতরণের কর্মসূচি রয়েছে।
রমনা কালীমন্দির, মা আনন্দময়ী আশ্রম, রাজারবাগের বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি এ উৎসব দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করবে।
টিটিএন ডেস্ক: 






















