ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু কুতুবদিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৫, ইয়াবা ও সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হেরেও রেকর্ড করলো মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দল পরিবেশের দোহাই দিয়ে কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্তকারীদের হটাতে হবে- মানববন্ধনে বক্তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেনারেটরে ওড়না পেঁচিয়ে আইওএমের নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু ২২ বছরেও সংস্কার হয়নি পেকুয়ার সিরাদিয়া সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ টেকনাফে র‍্যাবের পৃথক অভিযান: বিদেশি এসএমজি উদ্ধার, ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক দর্শকের ঢল সামলাতে ব্যর্থ জেলা স্টেডিয়াম: আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি! উখিয়ায় যুবদল নেতার নেতৃত্বে ইয়াবা ছিনতাইয়ের অভিযোগ চকরিয়ায় বসতঘরে অভিযান, ইয়াবা-গাঁজা ও নগদ টাকাসহ নারী কারবারি গ্রেপ্তার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা ৬ অক্টোবর বাংলাদেশে খেলতে চায় ব্রাজিল বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার বঙ্গোপসাগর লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু

মেঘে ঢাকা আকাশ। তার সঙ্গে টানা ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টিভেজা মাঠে গ্যালারিতে বসে প্রিয় দলের খেলা দেখতে এসেছিলেন মহেশখালীর ফুটবলপ্রেমীরা। কিন্তু মাঠে তাদের পরিচিত তারকা খেলোয়াড়দের দেখা না মেলায় ম্যাচজুড়েই ছিল হতাশা। শেষ পর্যন্ত সেই হতাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে দলের ২-০ গোলের পরাজয়।

অন্যদিকে তারকাবিহীন মহেশখালীকে হারিয়ে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে শিরোপার পথে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে রামু উপজেলা।

কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে (২৪ আগস্ট) সোমবার অনুষ্ঠিত আন্ত: উপজেলা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ম্যাচে মুখোমুখি হয় মহেশখালী ও রামু উপজেলা। প্রতিকূল আবহাওয়া আর বৃষ্টির মধ্যেও ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। বিশেষ করে মহেশখালীর দর্শকদের প্রত্যাশা ছিল, নিজেদের উপজেলার একাধিক পরিচিত ও অভিজ্ঞ ফুটবলারকে মাঠে দেখা যাবে।

তবে ম্যাচ শুরু হওয়ার পর সেই প্রত্যাশায় ছেদ পড়ে। মহেশখালীর একাদশে ছিলেন না দলের আলোচিত ও অভিজ্ঞ কয়েকজন খেলোয়াড়। বিশেষ করে জাতীয় দলের মনির ও সবুজের মতো পরিচিত ফুটবলারদের মাঠে না থাকাটা দর্শকদের চোখে পড়ে শুরু থেকেই। ফলে শক্তিশালী রামুর বিপক্ষে তুলনামূলক অনভিজ্ঞ খেলোয়াড় নিয়েই মাঠে নামতে হয় মহেশখালীকে। তবে মহেশখালী দলে বিকেএসপির কয়েকজন জুনিয়র খেলোয়াড় ভালো খেলেছে।

উপজেলা ভিত্তিক এই গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল নিজেদের উপজেলার সেরা ও পরিচিত খেলোয়াড়দের নিয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড গড়ার চেষ্টা করছে। অনেক দলেই দেখা যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ে খেলা কিংবা স্থানীয়ভাবে পরিচিত তারকা ফুটবলারদের। সেই জায়গায় মহেশখালীর গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি দলটির শক্তি অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন ফুটবল সংশ্লিষ্টরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল রামু। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে রেখে একের পর এক আক্রমণ তৈরি করতে থাকে তারা। মহেশখালীও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেছে, তবে রামুর রক্ষণভাগের দৃঢ়তার কারণে সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালালেও গোলের দেখা পেতে রামুকে অপেক্ষা করতে হয় পেনাল্টির জন্য।

মহেশখালীর ডি-বক্সে ফাউলের ঘটনায় রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পট কিক থেকে গোল করে রামুকে এগিয়ে দেন তাদের খেলোয়াড়। গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে রামু।

দ্বিতীয়ার্ধেও একইভাবে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে রামু। মহেশখালী চেষ্টা করেও ম্যাচে ফিরতে পারেনি। একপর্যায়ে রামুর খেলোয়াড়দের দারুণ সমন্বয়ে আসে দ্বিতীয় গোল। দৃষ্টিনন্দন সেই গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় রামুর হাতে।

শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রামু। এই জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্তির জানান দেওয়ার পাশাপাশি শিরোপার দৌড়েও নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করেছে দলটি।

তবে ম্যাচের ফলাফলের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে মহেশখালীর তারকা খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতির বিষয়টি। দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা কেন মাঠে ছিলেন না এ নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও ছিল নানা প্রশ্ন। মহেশখালী দলের দায়িত্বশীলদের দাবি, দুই ফুটবল সমিতির মধ্যে মতবিরোধের কারণেই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের টুর্নামেন্টে খেলানো সম্ভব হয়নি।

বৃষ্টিতে ভিজেও পুরো ম্যাচ উপভোগ করেছে মহেশখালীর দর্শকরা। তাদের প্রত্যাশা ছিল, জাতীয় দলের খেলোয়াড়সহ স্থানীয় তারকা ফুটবলারদের মাঠে দেখে নিজেদের দলকে সমর্থন করবেন। কিন্তু প্রিয় খেলোয়াড়দের মাঠে না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

মহেশখালী থেকে আসা ইমতিয়াজ মামুন বলেন, ‘এমন বড় আয়োজনের ম্যাচে উপজেলার সেরা খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে প্রতিযোগিতার আকর্ষণ আরও বাড়ত। মনির, সাঈদী, মতি ও সবুজরা খেলতে পারলে হয়তো ম্যাচটা আমরা জিততে পারতাম’।

মহেশখালীর বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে ৬০ মিনিটের বেশি সময় খেলা উপভোগ করেছি। কিন্তু দিনশেষে ফলাফল শূন্য হবে সেটা আগে থেকে বুঝতে পেরেছি। কারণ সিন্ডিকেটের কারণে মনির, শাকের উল্লাহ ও সবুজ ভাই দলে খেলে নাই।’

অন্যদিকে রামু শিবিরে এখন আত্মবিশ্বাসের ছাপ। মহেশখালীর বিপক্ষে দুই গোলের জয়কে সামনে রেখে পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও নিজেদের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে চান খেলোয়াড়রা। তাদের লক্ষ্য একটাই দাপুটে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত রামুবাসীর হাতে শিরোপা তুলে দেওয়া।

খেলা শেষে রামুর অভিজ্ঞ ফুটবলার জাহেদ এর হাতে
ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার তুলে দেন আয়োজক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এদিকে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচ মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) বিকেল ৩টায় মাঠে নামবে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও ঈদগাঁও উপজেলা। আন্ত: উপজেলা গোল্ডকাপের আসরে এই প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা। ফলে নতুন এই দলের অভিষেক ম্যাচ ঘিরেও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।

খেলায় প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেন, বোরহান উদ্দিন রোহান, সহকারী রেফারি মোহাম্মদ আলী, রবিউল করিম, চতুর্থ রেফারি মিজানুর রহমান ও ম্যাচ কমিশনার ছিলেন ছৈয়দ করিম।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু

তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু

আপডেট সময় : ১০:৫৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

মেঘে ঢাকা আকাশ। তার সঙ্গে টানা ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টিভেজা মাঠে গ্যালারিতে বসে প্রিয় দলের খেলা দেখতে এসেছিলেন মহেশখালীর ফুটবলপ্রেমীরা। কিন্তু মাঠে তাদের পরিচিত তারকা খেলোয়াড়দের দেখা না মেলায় ম্যাচজুড়েই ছিল হতাশা। শেষ পর্যন্ত সেই হতাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে দলের ২-০ গোলের পরাজয়।

অন্যদিকে তারকাবিহীন মহেশখালীকে হারিয়ে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে শিরোপার পথে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে রামু উপজেলা।

কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে (২৪ আগস্ট) সোমবার অনুষ্ঠিত আন্ত: উপজেলা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ম্যাচে মুখোমুখি হয় মহেশখালী ও রামু উপজেলা। প্রতিকূল আবহাওয়া আর বৃষ্টির মধ্যেও ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। বিশেষ করে মহেশখালীর দর্শকদের প্রত্যাশা ছিল, নিজেদের উপজেলার একাধিক পরিচিত ও অভিজ্ঞ ফুটবলারকে মাঠে দেখা যাবে।

তবে ম্যাচ শুরু হওয়ার পর সেই প্রত্যাশায় ছেদ পড়ে। মহেশখালীর একাদশে ছিলেন না দলের আলোচিত ও অভিজ্ঞ কয়েকজন খেলোয়াড়। বিশেষ করে জাতীয় দলের মনির ও সবুজের মতো পরিচিত ফুটবলারদের মাঠে না থাকাটা দর্শকদের চোখে পড়ে শুরু থেকেই। ফলে শক্তিশালী রামুর বিপক্ষে তুলনামূলক অনভিজ্ঞ খেলোয়াড় নিয়েই মাঠে নামতে হয় মহেশখালীকে। তবে মহেশখালী দলে বিকেএসপির কয়েকজন জুনিয়র খেলোয়াড় ভালো খেলেছে।

উপজেলা ভিত্তিক এই গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল নিজেদের উপজেলার সেরা ও পরিচিত খেলোয়াড়দের নিয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড গড়ার চেষ্টা করছে। অনেক দলেই দেখা যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ে খেলা কিংবা স্থানীয়ভাবে পরিচিত তারকা ফুটবলারদের। সেই জায়গায় মহেশখালীর গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি দলটির শক্তি অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন ফুটবল সংশ্লিষ্টরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল রামু। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে রেখে একের পর এক আক্রমণ তৈরি করতে থাকে তারা। মহেশখালীও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেছে, তবে রামুর রক্ষণভাগের দৃঢ়তার কারণে সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালালেও গোলের দেখা পেতে রামুকে অপেক্ষা করতে হয় পেনাল্টির জন্য।

মহেশখালীর ডি-বক্সে ফাউলের ঘটনায় রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পট কিক থেকে গোল করে রামুকে এগিয়ে দেন তাদের খেলোয়াড়। গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে রামু।

দ্বিতীয়ার্ধেও একইভাবে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে রামু। মহেশখালী চেষ্টা করেও ম্যাচে ফিরতে পারেনি। একপর্যায়ে রামুর খেলোয়াড়দের দারুণ সমন্বয়ে আসে দ্বিতীয় গোল। দৃষ্টিনন্দন সেই গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় রামুর হাতে।

শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রামু। এই জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্তির জানান দেওয়ার পাশাপাশি শিরোপার দৌড়েও নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করেছে দলটি।

তবে ম্যাচের ফলাফলের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে মহেশখালীর তারকা খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতির বিষয়টি। দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা কেন মাঠে ছিলেন না এ নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও ছিল নানা প্রশ্ন। মহেশখালী দলের দায়িত্বশীলদের দাবি, দুই ফুটবল সমিতির মধ্যে মতবিরোধের কারণেই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের টুর্নামেন্টে খেলানো সম্ভব হয়নি।

বৃষ্টিতে ভিজেও পুরো ম্যাচ উপভোগ করেছে মহেশখালীর দর্শকরা। তাদের প্রত্যাশা ছিল, জাতীয় দলের খেলোয়াড়সহ স্থানীয় তারকা ফুটবলারদের মাঠে দেখে নিজেদের দলকে সমর্থন করবেন। কিন্তু প্রিয় খেলোয়াড়দের মাঠে না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

মহেশখালী থেকে আসা ইমতিয়াজ মামুন বলেন, ‘এমন বড় আয়োজনের ম্যাচে উপজেলার সেরা খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে প্রতিযোগিতার আকর্ষণ আরও বাড়ত। মনির, সাঈদী, মতি ও সবুজরা খেলতে পারলে হয়তো ম্যাচটা আমরা জিততে পারতাম’।

মহেশখালীর বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে ৬০ মিনিটের বেশি সময় খেলা উপভোগ করেছি। কিন্তু দিনশেষে ফলাফল শূন্য হবে সেটা আগে থেকে বুঝতে পেরেছি। কারণ সিন্ডিকেটের কারণে মনির, শাকের উল্লাহ ও সবুজ ভাই দলে খেলে নাই।’

অন্যদিকে রামু শিবিরে এখন আত্মবিশ্বাসের ছাপ। মহেশখালীর বিপক্ষে দুই গোলের জয়কে সামনে রেখে পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও নিজেদের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে চান খেলোয়াড়রা। তাদের লক্ষ্য একটাই দাপুটে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত রামুবাসীর হাতে শিরোপা তুলে দেওয়া।

খেলা শেষে রামুর অভিজ্ঞ ফুটবলার জাহেদ এর হাতে
ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার তুলে দেন আয়োজক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এদিকে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচ মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) বিকেল ৩টায় মাঠে নামবে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও ঈদগাঁও উপজেলা। আন্ত: উপজেলা গোল্ডকাপের আসরে এই প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা। ফলে নতুন এই দলের অভিষেক ম্যাচ ঘিরেও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।

খেলায় প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেন, বোরহান উদ্দিন রোহান, সহকারী রেফারি মোহাম্মদ আলী, রবিউল করিম, চতুর্থ রেফারি মিজানুর রহমান ও ম্যাচ কমিশনার ছিলেন ছৈয়দ করিম।