পর্যটন নগরী কক্সবাজারের উন্নয়ন বিরোধিতা ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি কলাতলী সৈকত পাড়ের সুগন্ধা থেকে কলাতলী পর্যন্ত চলমান সড়ক নির্মাণের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রেক্ষাপট এবং সার্বিক পর্যটন উন্নযন ও পরিবেশ রক্ষার তাগিদে সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দীন বাহারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সিআইপি আব্দু শুক্কুর, কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আকতার হেলালী, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কামাল হোসেন আযাদ, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, পর্যটন উদ্যোক্তা মুফিজুর রহমান মুফিজ,টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি এম আর খোকন, মেরিন ড্রাইভ সড়ক হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান, ক্রীড়া সংগঠক এডভোকেট জসীমউদ্দীন, স্কোয়াব এর সাধারণ সম্পাদক হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর, টুয়াকের সভাপতি আনোয়ার কামাল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার রোমন, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ আলী, সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ ইকবাল, চেম্বার নেতা আজমল হুদা, হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি আওলাদ হোসেন, প্রকৌশলী সাহেদ সালাউদ্দিন,, পর্যটন উদ্যোক্তা মোঃ আব্দুল্লাহ, জাহেদুল ইসলাম রিটন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহাদাত হোসাইন রিপন, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুর রহমান নয়ন, সাংবাদিক শামসুল হক শারেক, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ হাশিম, সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক এম. বেদারুল আলম, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ মিজান, জুলাইযোদ্ধা রবিউল হোসেন, আলমগীর চৌধুরী, পর্যটন উদ্যোক্তা মিজানুর রহমান মিল্কি, আলী আকবর, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিঠু, কক্সবাজার দোকান কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দীনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সহ-সভাপতি পর্যটন উদ্যোক্তা এম আর মাহবুব।
এতে বক্তারা বলেন, পর্যটন শিল্প কক্সবাজারের উন্নয়নের প্রধান অঙ্গ। কিন্তু দীর্ঘকাল পেরিয়েও এই পর্যটন শিল্পের যথাযথ উন্নয়ন হয়নি। নেতৃত্বের ঘাটতি এবং একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র ও বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এরই অংশ হিসাবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প সুগন্ধা থেকে কলাতলী পর্যন্ত নির্মাধীন সৈকত সড়কের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে একই চক্রটি। কয়েকজন ধান্ধাবাজ ও চাঁদাবাজ কথিত পরিবেশবাদী এই ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই সড়কের বিরোধিতার প্রশ্নে সাধারণ কক্সবাজারবাসী কোনো আপোষ করবে না। কারণ এই সড়কটি তৈরি হলে কক্সবাজারের অসহনীয় যানজট মুক্ত এবং অপার সৌন্দর্যবর্ধনসহ পুরো পর্যটন শিল্পের চিত্র পাল্টে যাবে।
বক্তারা আরো বলেন, আমরা সাধারণ কক্সবাজারবাসী পরিবেশ বিরোধী নই। কিন্তু পরিবেশ রক্ষার দোহাই দিয়ে উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিরোধিতা করা যাবে না। যারা বিরোধিতা করবে তাদের আমরা কঠোরভাবে প্রতিহত করবো।
কক্সবাজারের অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ‘কক্সবাজারে উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন তরান্বিত করে একটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে৷ তাহলে কক্সবাজারের আয় দিয়ে পুরো দেশকে উন্নত করা যাবে৷
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের পর কক্সবাজার উন্নয়ন তরান্বিত করণ ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ।
বার্তা পরিবেশক: 






















