ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভিজিডি চালকে ভিজিএফের চাল বলে অপপ্রচার দাবী করে প্রতিবাদ জানালেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিতর্কিত ভিডিও ভাইরালের জের, শোকজের মুখে এনসিপি নেত্রী নওশাবা সিয়াম উখিয়ায় সরকারি বরাদ্দের ৮২ বস্তা চাল জব্দ, গুদাম সিলগালা ইয়াবা মামলায় কৃষক দল নেতাকে জড়ানোর অভিযোগ, ‘ষড়যন্ত্র’ দাবি করে রামুতে মানববন্ধন দেশীয় অস্ত্র হাতে ভাইরাল চৌফলদন্ডির আশরাফুল চাঁদাবাজি মামলায় আটক তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নেতাকর্মী আটক “বিএনপি শান্তি ও গণতন্ত্রের রাজনীতি করে” : লুৎফুর রহমান কাজল পেকুয়ায় আগুনে পুড়লো দিনমজুরের বসতঘর তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবা গায়েব করে দুই রোহিঙ্গাকে ছেড়ে দিল পুলিশ! হাফ ডজন গোলে পানামাকে বিধ্বস্ত করল ব্রাজিল বাঁশখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মহেশখালীর দুই যুবকের মৃত্যু এ বছর সৌদিতে পবিত্র হজ পালনে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪১ বাংলাদেশির মৃত্যু আর মাত্র ১০ দিন পর ফুটবলের জাদুতে থমকে যাবে বিশ্ব! যে কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, জানালেন মন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আলোচনায় জিওসি

রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মিলিত আক্রমণের সূচনা হয়েছিল, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের গতি ত্বরান্বিত করে এবং পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

প্রতি বছরের মতো এবারও রামু সেনানিবাসে দিবসটি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।

প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে স্বাগত ভাষণে মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষের অসীম সাহসিকতা, সহযোগিতা এবং বীরত্বপূর্ন অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কক্সবাজার অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং আগত সকল মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ আরো বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলা, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন দেশগঠনমূলক কর্মকান্ডে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। সেই সাথে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, প্রাক্তন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিজিডি চালকে ভিজিএফের চাল বলে অপপ্রচার দাবী করে প্রতিবাদ জানালেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা

সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আলোচনায় জিওসি

রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

আপডেট সময় : ১২:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪

রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মিলিত আক্রমণের সূচনা হয়েছিল, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের গতি ত্বরান্বিত করে এবং পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

প্রতি বছরের মতো এবারও রামু সেনানিবাসে দিবসটি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।

প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে স্বাগত ভাষণে মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষের অসীম সাহসিকতা, সহযোগিতা এবং বীরত্বপূর্ন অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কক্সবাজার অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং আগত সকল মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ আরো বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলা, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন দেশগঠনমূলক কর্মকান্ডে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। সেই সাথে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, প্রাক্তন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।