কক্সবাজারের টেকনাফে আসামি ধরতে গিয়ে এক গর্ভবতী নারীকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে টেকনাফ মডেল থানার এসআই দুলালের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টেকনাফ সদরের হাজম পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাজম পাড়া এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে মোঃ ইউনুছের বাড়িতে ইউনুস এর মামলা আছে বলে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে এসআই দুলালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।
শামিমা বেগম বলেন, আমাদের বিয়ে হয়েছে মাত্র চার মাস এবং তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। এ কথা বলার পর এসআই দুলাল তাঁকে পেটে লাথি মারেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
গুরুতর আহত অবস্থায় শামিমা বেগমকে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেন বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
অভিযোগের বিষয়ে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে আরেকটি গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন টিটিএনকে জানান “ঘটনাটি সত্য নয়। পুলিশ নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একজন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। আমাদের কোনো পুলিশ সদস্য কাউকে আঘাত করেনি। তাঁরা প্রতারণামূলক চিকিৎসাও নিতে পারে সেটি তাদের বিষয়।”
নিজস্ব প্রতিবেদক 














