রামু উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নকে পৌরসভায় উন্নীতকরণের লক্ষে সরকারের উচ্চপর্যায়ে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (পৌর-২ শাখা) থেকে এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি জারি করা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব ড. আশফিকুন নাহার স্বাক্ষরিত এই পত্রে ফতেখাঁরকুল পৌরসভা গঠনের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ৩ ও ৪ ধারা অনুযায়ী বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্য ও সুস্পষ্ট মতামত দ্রুত প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের দেয়া একটি ডিও লেটার পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় কর্তৃক জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো ওই পত্রে প্রস্তাবিত এলাকার মোট জনসংখ্যা, প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব, অকৃষি পেশার হার, অকৃষি প্রকৃতির ভূমির হার এবং ডিজিটাল ম্যাপসহ প্রস্তাবিত এলাকার বিস্তারিত তফসিল, মৌজা ও দাগ নম্বর প্রেরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সাথে প্রস্তাবিত এলাকাটি সেনানিবাস বহির্ভূত কি না এবং সরকারি অনুদান বা সাহায্য ব্যতীত বিগত তিন বছরের গড় রাজস্ব আয় কেমন ছিল, সে সম্পর্কেও বিশদ বিবরণ জানতে চাওয়া হয়েছে। এই প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ পৌরসভায় রূপান্তরের প্রাথমিক আইনি ও কৌশলগত ভিত্তি তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান জানান, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নকে পৌরসভায় উন্নীতকরণের লক্ষ্যে সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের পক্ষ থেকে দেওয়া ডিও লেটার সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ অবগত আছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই সংক্রান্ত স্থানীয় সরকার বিভাগের মূল পত্র ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রামু উপজেলা প্রশাসনের কাছে এসে পৌঁছালেই তারা এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কাজ দ্রুততার সাথে শুরু করবেন। প্রস্তাবিত এলাকার ভৌগোলিক সীমানা, জনসংখ্যা ও রাজস্ব সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















