এত দিন—কথাটি বলার কারণ, আজ সেই একই স্টেডিয়ামে (আজতেকা) ইকুয়েডরের বিপক্ষে মেক্সিকোর ২–০ গোলের জয়। শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে নকআউট ম্যাচটি জিতে শেষ ষোলোয় উঠেছে স্বাগতিকেরা। এবারের বিশ্বকাপের আগে মেক্সিকো সর্বশেষ স্বাগতিক ছিল ১৯৮৬ আসরে। সেবার শেষ ষোলোয় বুলগেরিয়ার বিপক্ষে একই ব্যবধানে (২–০) জিতেছিল মেক্সিকো।
মাঝের ৪০ বছরে বিশ্বকাপে কখনো নকআউট ম্যাচ জিততে না পারার ‘অভিশাপ’ এবার কাটালেন রাউল হিমিনেজ–হুলিয়ান কিনিয়োনেসরা।
বিশ্বকাপের নকআউটে প্রথম জয়ের খোঁজে ছিল ইকুয়েডরও। কিন্তু মেক্সিকো প্রথমার্ধে ২ গোল করে ইকুয়েডরকে প্রায় ‘নকআউট’ করে দেয়। পরের অর্ধে সম্পন্ন হয় দক্ষিণ আমেরিকান দলটিকে বিদায় দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা। তবে অবাক করার বিষয় হলো, ম্যাচে ৫৫.৭ শতাংশ বল ইকুয়েডরের দখলেই ছিল। কিন্তু শট নিতে পেরেছে মাত্র ৫টি, এর মধ্যে ১টি পোস্টে। মেক্সিকো সে তুলনায় বেশি কার্যকর ফুটবল খেলেছে। ১৪টি শটের ৩টি পোস্টে রাখতে পেরেছে, এর মধ্য থেকে গোল এসেছে ২টি।
হিমিনেজের গোলের পর তাঁর সঙ্গে কিনিয়োনেসের উদ্যাপনএএফপি
বজ্রঝড়ের কারণে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর শুরু হয় এই ম্যাচ। তাতে দারুণ জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গোর মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় মেক্সিকো।
এ জয়ে আজতেকায় বিশ্বকাপে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত রইল মেক্সিকো। এবারের আসরে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার পাশাপাশি গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচই জেতা তিনটি দলের একটি ছিল মেক্সিকো। গ্রুপ পর্বে তারা কোনো গোলও হজম করেনি। সেই দাপট ধরে রেখেই শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে ম্যাচটি জিতল স্বাগতিকেরা।
ম্যাচে প্রথম গোলের পর কিনিয়োনেসের উদ্যাপন। পাশে গিলবার্তো মোরা (১৯ নম্বর জার্সি)এএফপি
স্পোর্টস ডেস্ক: 













