ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের নিরাপত্তা কর্মীরাই বিক্রি করছেন টিকেট পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা টেকনাফে শ্রমিক দল সভাপতির ওপর হামলা পুত্রবধূকে জিম্মি করে আইনজীবী সমিতির সভাপতির বাড়িতে ডাকাতি তরুণদের নেতৃত্ব ও মানবিকতা গঠনে পেকুয়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ক্যাম্প টেকনাফে ৪ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার মধ্যরাতের ছুরিকাঘাতে আহত আসিফের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু, নিহত বেড়ে ২ ভিকটিমের পরিচয় ফাঁসের অভিযোগে চকরিয়া থানার ওসিকে আইনি নোটিশ শহরের শীর্ষ ছিনতাইকারী জিয়া গ্রেফতার দীর্ঘ বিরতির পর চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে কক্সবাজারে ফিরছে সিনেমা, ৫-৬ জুন প্রদর্শিত হবে ৬ টি সিনেমা

২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত হওয়া জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ ও স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়েছে জাপানি প্রতিনিধি দল। মূলত রামু ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তারা অনুসন্ধান চালায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বিমানঘাঁটি, যুদ্ধক্ষেত্র সন্ধান করে তথ্য সংগ্রহ করেছে দলটি। তারই অংশ হিসেবে উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নে যায় দলটি। সেখানে রুমখা বড়বিল পুরাতন জমে মসজিদের পাশে ইসলাম মিয়ার বাড়ীতে সংগ্রহ করা পাঁচটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত বুলেটের সন্ধান পায় দলটি।

দলটিতে ছিলেন জাপান-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির উপদেষ্টা মিসেস ওশিমা মুতসুকো, শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক মি. ফুটশি কোনো, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐতিহ্য গবেষণা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সবুজ বড়ুয়া। দলটির সঙ্গে ছিলেন লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া এবং অ্যাডভোকেট সুমথ বড়ুয়া।

প্রতিনিধি দলটি প্রথমে রামুর ফতেখাঁরকুলের লম্বরী পাড়া, রাজারকুলের চৌকিদার পাড়া ও মধ্যম ঘোনার পাড়ায় ব্রিটিশ আমলের হাসপাতালের খোঁজ করেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র, সমাধীস্থলসহ বিভিন্ন স্থানের জিপিএস তথ্য সংগ্রহ করেন ।

জানা গেছে, জাপান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে ২৩ জন এবং ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি থেকে ১৮ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় জাপানে নিয়ে যাওয়া হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন

২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল

আপডেট সময় : ১০:০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত হওয়া জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ ও স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়েছে জাপানি প্রতিনিধি দল। মূলত রামু ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তারা অনুসন্ধান চালায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বিমানঘাঁটি, যুদ্ধক্ষেত্র সন্ধান করে তথ্য সংগ্রহ করেছে দলটি। তারই অংশ হিসেবে উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নে যায় দলটি। সেখানে রুমখা বড়বিল পুরাতন জমে মসজিদের পাশে ইসলাম মিয়ার বাড়ীতে সংগ্রহ করা পাঁচটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত বুলেটের সন্ধান পায় দলটি।

দলটিতে ছিলেন জাপান-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির উপদেষ্টা মিসেস ওশিমা মুতসুকো, শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক মি. ফুটশি কোনো, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐতিহ্য গবেষণা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সবুজ বড়ুয়া। দলটির সঙ্গে ছিলেন লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া এবং অ্যাডভোকেট সুমথ বড়ুয়া।

প্রতিনিধি দলটি প্রথমে রামুর ফতেখাঁরকুলের লম্বরী পাড়া, রাজারকুলের চৌকিদার পাড়া ও মধ্যম ঘোনার পাড়ায় ব্রিটিশ আমলের হাসপাতালের খোঁজ করেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্র, সমাধীস্থলসহ বিভিন্ন স্থানের জিপিএস তথ্য সংগ্রহ করেন ।

জানা গেছে, জাপান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের দেহাবশেষ স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে ২৩ জন এবং ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি থেকে ১৮ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় জাপানে নিয়ে যাওয়া হয়।