ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফলোআপ-মাতামুহুরিতে ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা : গ্রেফতার ৫ প্রধানমন্ত্রীর সফরের ১ দিন আগেই কক্সবাজারে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অপেক্ষায় সাজছে কক্সবাজার, নিরাপত্তা জোরদার প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে পেকুয়ায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি রামুর কাউয়ারখোপে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার উত্তপ্ত উখিয়ার আঞ্জুমান সীমান্ত / ৫ কোটি টাকার ইয়াবা লুট নিয়ে মুখোমুখি দুই মাদককারবারি! ফুটবল ইতিহাসে যে লজ্জার রেকর্ডে শীর্ষে ব্রাজিল কক্সবাজারে কোরাল, চিংড়ি, কাঁকড়া, সী-উইড উৎপাদনে সম্ভাবনা ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে কি নেইমার খেলবেন? মাটির নিচে লুকিয়ে মৃত্যুভয়, মাইন অপসারণ চায় সীমান্তবাসী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী টেকপাড়ায় বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে প্রাণ গেল নারীর : আটক ৩ বরফ গলেছে টিটিএনের টকশোতে: কর্মসূচী প্রত্যাহার ব্রাজিল সমর্থকদের,আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা ‎কুতুবদিয়ায় বাপার উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সীমান্তের ৩ শতাধিক রোগীর ফ্রী সেবায় নাইক্ষ্যংছড়িস্থ ১১ বিজিবি

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফলোআপ-মাতামুহুরিতে ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা : গ্রেফতার ৫

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

আপডেট সময় : ১১:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।