ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিয়ানমারের বিবৃতির প্রতিবাদে ইউসিআর -“রোহিঙ্গারা বাঙালি নয়, তারা রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী” শহরের লাইট হাউজ এলাকায় রিসোর্ট দখলের ঘটনায় আল-আমিনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা : আটক ১ লোহাগাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থেকে বেরিয়ে এলো জালনোটের কারবার : জালনোটসহ ‘কারবারি’ শাহ আলম আটক পর্যটন শহর কক্সবাজারের দোকান-শপিংমল রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা রাখার প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের পেকুয়ায় মাদকবিরোধী র‍্যালী ও সমাবেশ জুন-জুলাইয়ের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত বিলুপ্ত হচ্ছে র‍্যাব, পুলিশের অধীনে হবে এসআরবি মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য দিন পরিচয় গোপন রাখা হবে প্লট দখল নিয়ে প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে সাংবাদিক ছফওয়ানের বিবৃতি, আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারি লোহাগাড়ায় ভোররাতে ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৮ লাখ টাকার স্বর্ণ-টাকা ও মালামাল লুট গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন মুহিববুল্লাহ সৌদিয়া হোটেল থেকে হানিফ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার ‘সৌরবিদ্যুতে চার্জ না দিলে মিলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন’ তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে, জানে না বাংলাদেশ: চিফ প্রসিকিউটর

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের বিবৃতির প্রতিবাদে ইউসিআর -“রোহিঙ্গারা বাঙালি নয়, তারা রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী”

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

আপডেট সময় : ১১:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।