ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হোয়াইক্যং চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক চালক মৃত্যুকে ভয় পাই না, আমি নিজেই একজন জুলাই যোদ্ধা: হিরো আলম উপকূল অতিক্রম করে দুর্বল হচ্ছে গভীর নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সংকেত বহাল ‎বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে জিবনের বিচ্ছেদ হলো রুবিনা আক্তারের জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কক্সবাজার জেলার আহবায়ক কমিটি: স্বপন আহবায়ক, বাবু সদস্য সচিব ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর হাইকোর্টের আদেশ: পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আগের সভাপতি বহাল প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা চট্টগ্রাম রেঞ্জে সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধার ও সাহসিকতার জন্য সম্মাননা পেলেন সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’— ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ মাতারবাড়ি থেকে অনলাইন জুয়ার দুই এজেন্ট কে আটক করেছে পুলিশ ৩ টি পুলিশ ফাঁড়ি হবে টেকনাফের বাহারছড়ায় : প্রস্তাবিত কচ্ছপিয়ায় পুলিশ ফাঁড়ির জমি নির্ধারন কলাতলীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার পারিবারিক মামলার শুনানি শেষে ফেরার পথে প্রাণ গেল আপন দুই বোনসহ ৩ জনের উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, সিএনজি জব্দ

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হোয়াইক্যং চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক চালক

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

আপডেট সময় : ১১:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।