ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদের পাশে জ্বলজ্বলে শুক্র, কক্সবাজারের আকাশে মনকাড়া মহাজাগতিক দৃশ্য টেকনাফের ক্রীড়াঙ্গনে শৃংখলা ফেরাতে ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত : যে কোনো ক্রীড়া আয়োজনে নিতে হবে অনুমতি পা হারানো রায়হানের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দেওয়া হবে ভাতা-ট্রাইসাইকেল সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান : হত্যা ও চুরির আসামিসহ গ্রেপ্তার ১১ উখিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় রোহিঙ্গা শিশু নিহত, গাড়ি ও চালক আটক হোয়াইক্যংয়ে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি বাবুল মিয়া গ্রেফতার টেকনাফের সীমান্ত এলাকা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার গোলরক্ষক সাঈদীর উপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে পেকুয়ায় মানববন্ধন কক্সবাজারে ‘ইউবিইএসটি’ নামে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নির্দেশ ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু: উখিয়ার সেই আলোচিত ঘটনায় তিন আসামি কারাগারে পালংখালীতে মাদক কারবারী রুবেলের গুলিবর্ষণ টেকনাফে অপহৃত কিশোর উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো পাচারকারিদের ২০ আস্তানা সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলো আপিল বিভাগ তীব্র গরমে দেশজুড়ে লোডশেডিং, সংকট আরও বাড়ার শঙ্কা বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ৪০ ঘণ্টা পর হস্তান্তর

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদের পাশে জ্বলজ্বলে শুক্র, কক্সবাজারের আকাশে মনকাড়া মহাজাগতিক দৃশ্য

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

আপডেট সময় : ১১:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।