ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে গিয়ে খবর আসে স্বামীর লাশ পড়ে আছে বাসায় কক্সবাজারসহ তিন জেলায় বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে পেকুয়ার কয়েক’শ বসতি রামুতে ​শ্রী শ্রী সার্বজনীন দূর্গা মন্দির দখলের অভিযোগ শহীদ জিয়া স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম চ্যাম্পিয়ন সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের সংকটের শঙ্কা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি উখিয়ায় জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত ৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র ফের পাহাড়ধস : দরিয়ানগরে নারীর মৃত্যু সোনাদিয়ায় পানির গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু রেললাইনে পানি, ঢাকা-কক্সবাজার রোডে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাতে মিশরের ঐতিহাসিক ম্যাচে প্রতিপক্ষ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, অক্টোবরে ভোটগ্রহণ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে গিয়ে খবর আসে স্বামীর লাশ পড়ে আছে বাসায়

মুক্তিপণে ফিরলো অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক

আপডেট সময় : ১১:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে এক রোহিঙ্গা যুবক ফিরে এসেছেন। অপহরণের সময় ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলেও শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ এ নিজ বাসায় ফেরেন মোহাম্মদ নুর (১৯) নামে ওই যুবক।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরার পর নুরকে আহত অবস্থায় ক্যাম্পের আইআরসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপহরণকারীরা তাকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নুরের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২২ এপ্রিল কাজের উদ্দেশ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় যাওয়ার জন্য ক্যাম্প থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দরকষাকষির একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেরত আসা নুর আলিখালী ক্যাম্প-২৫–এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ইউসুফ জালাল।

স্থানীয় সূত্র বলছে, টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও সশস্ত্র চক্রের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ক্যাম্পের বাইরে কাজে যাওয়ার পথে অনেক রোহিঙ্গা এ ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি বন্ধে ক্যাম্পভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।