ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নৌবাহিনীর অভিযান: মিয়ানমার পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১১ জন, বোট জব্দ অ্যাডভোকেট শামীম আরা,নারী এমপি হয়ে ইতিহাসের অংশ হতে যাচ্ছেন কক্সবাজারে ৫৪ টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ২৬ হাজার ৭৪৭জন : মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে সৌদির তাগিদ জেলায় ৬ লাখের বেশি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন শামীম আরা স্বপ্না মাতামুহুরী থেকে বালু উত্তোলন, গ্রেপ্তার ২ ভোলায় ছাত্রদল সভাপতি হত্যা মামলার আসামী রামু থানার নতুন ওসি!! বালুখালীতে তুলকালাম : দেড় কোটি টাকার ইয়াবা নিয়ে লাপাত্তা তিন যুবক রামুতে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি: ১৫ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার কক্সবাজারের সন্তান ওয়াহিদ সরওয়ারের ভারতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩ নিবন্ধন পেল ঈদগাঁওর আলোকবর্তিকা যুব সমবায় সমিতি লিমিটেড মগনামায় জেলে কার্ড নিয়ে চেয়ারম্যানকে হেনস্তা-গালমন্দ পেকুয়ায় যাত্রীবেসে টমটম ছিনতাই

জেলায় ৬ লাখের বেশি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ

কক্সবাজারে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচী আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কক্সবাজার পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।

সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রশাসক (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক) মো. শামীম আল ইমরান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম কবির। এছাড়াও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল, ইউনিসেফ প্রতিনিধি ডাঃ মঈদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এ কর্মসূচীর আওতায় জেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৭০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে স্থানীয় শিশু রয়েছে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৪২ জন এবং রোহিঙ্গা শিশু রয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৮ জন।

কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত ১১ কর্মদিবসে জেলার ৯টি উপজেলায় ১ হাজার ৭৮২টি কেন্দ্রে স্থানীয় শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

অন্যদিকে, ২৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত ৮ কর্মদিবসে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আলাদা সময়সূচিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এর আগে, গত ৫ এপ্রিল প্রথম ধাপে রামু ও মহেশখালী উপজেলায় শুরু হওয়া কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, এই জরুরি কর্মসূচীর আওতায় কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গাসহ মোট ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫০ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনা হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ধরনের গণটিকাদান কর্মসূচী অত্যন্ত কার্যকর, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নৌবাহিনীর অভিযান: মিয়ানমার পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১১ জন, বোট জব্দ

জেলায় ৬ লাখের বেশি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:২৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচী আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কক্সবাজার পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।

সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রশাসক (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক) মো. শামীম আল ইমরান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম কবির। এছাড়াও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল, ইউনিসেফ প্রতিনিধি ডাঃ মঈদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এ কর্মসূচীর আওতায় জেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৭০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে স্থানীয় শিশু রয়েছে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৪২ জন এবং রোহিঙ্গা শিশু রয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৮ জন।

কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত ১১ কর্মদিবসে জেলার ৯টি উপজেলায় ১ হাজার ৭৮২টি কেন্দ্রে স্থানীয় শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

অন্যদিকে, ২৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত ৮ কর্মদিবসে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আলাদা সময়সূচিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এর আগে, গত ৫ এপ্রিল প্রথম ধাপে রামু ও মহেশখালী উপজেলায় শুরু হওয়া কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, এই জরুরি কর্মসূচীর আওতায় কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গাসহ মোট ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫০ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনা হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ধরনের গণটিকাদান কর্মসূচী অত্যন্ত কার্যকর, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়।