ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফের পাহাড়ধস : দরিয়ানগরে নারীর মৃত্যু সোনাদিয়ায় পানির গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু রেললাইনে পানি, ঢাকা-কক্সবাজার রোডে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাতে মিশরের ঐতিহাসিক ম্যাচে প্রতিপক্ষ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, অক্টোবরে ভোটগ্রহণ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল ইয়াবা দিয়ে উখিয়ায় সংগীতশিল্পী ও তার স্ত্রীকে ফাঁসানোর অভিযোগ মৃত্যুর বর্ষণ: কক্সবাজার-নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলে নিহত ১১ বৃষ্টি বাধ সাধেনি: শেষ হলো এইচএসসি ও সমমানের তৃতীয় দিনের পরীক্ষা, নকলের দায়ে বহিস্কৃত ২ টানা বৃষ্টিতে লামার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : প্রশাসনের সতর্কতা জারি লোহাগাড়ায় টানা বৃষ্টি :পানিবন্দী অসংখ্য মানুষ সাভারে এনসিপির সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ সাত মামলার আসামি কচ্ছপিয়ার ইউপি সদস্য শাকিলকে ঘিরে সীমান্ত চোরাচালানের অভিযোগ বৈরী আবহাওয়ায় মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাক ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা

জেলায় ৬ লাখের বেশি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ

কক্সবাজারে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচী আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কক্সবাজার পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।

সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রশাসক (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক) মো. শামীম আল ইমরান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম কবির। এছাড়াও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল, ইউনিসেফ প্রতিনিধি ডাঃ মঈদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এ কর্মসূচীর আওতায় জেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৭০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে স্থানীয় শিশু রয়েছে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৪২ জন এবং রোহিঙ্গা শিশু রয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৮ জন।

কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত ১১ কর্মদিবসে জেলার ৯টি উপজেলায় ১ হাজার ৭৮২টি কেন্দ্রে স্থানীয় শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

অন্যদিকে, ২৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত ৮ কর্মদিবসে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আলাদা সময়সূচিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এর আগে, গত ৫ এপ্রিল প্রথম ধাপে রামু ও মহেশখালী উপজেলায় শুরু হওয়া কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, এই জরুরি কর্মসূচীর আওতায় কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গাসহ মোট ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫০ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনা হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ধরনের গণটিকাদান কর্মসূচী অত্যন্ত কার্যকর, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফের পাহাড়ধস : দরিয়ানগরে নারীর মৃত্যু

জেলায় ৬ লাখের বেশি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:২৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচী আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কক্সবাজার পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।

সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রশাসক (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক) মো. শামীম আল ইমরান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম কবির। এছাড়াও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল, ইউনিসেফ প্রতিনিধি ডাঃ মঈদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এ কর্মসূচীর আওতায় জেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৭০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে স্থানীয় শিশু রয়েছে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৪২ জন এবং রোহিঙ্গা শিশু রয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৮ জন।

কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত ১১ কর্মদিবসে জেলার ৯টি উপজেলায় ১ হাজার ৭৮২টি কেন্দ্রে স্থানীয় শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

অন্যদিকে, ২৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত ৮ কর্মদিবসে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আলাদা সময়সূচিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এর আগে, গত ৫ এপ্রিল প্রথম ধাপে রামু ও মহেশখালী উপজেলায় শুরু হওয়া কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, এই জরুরি কর্মসূচীর আওতায় কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গাসহ মোট ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫০ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনা হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ধরনের গণটিকাদান কর্মসূচী অত্যন্ত কার্যকর, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়।