টেকনাফ সীমান্তে পৃথক দুটি মাদকবিরোধী অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিন পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৬৪ বিজিবি)। উদ্ধারকৃত এসব ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা বলে বিজিবি জানিয়েছে।
শনিবার রাতে হ্নীলা ও হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়। প্রথম অভিযানটি চলে রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে হ্নীলা বিওপির চৌধুরীপাড়া বিজিবি পোস্ট এলাকায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির বিশেষ টহল দল সেখানে অবস্থান নিলে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে আসা একদল পাচারকারীকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। এসময় লবণ ক্ষেতে ওঁত পেতে থাকা পাচারকারীদের সহযোগীরা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে নাফ নদীর তীর থেকে টেকনাফের রাসুলাবাদ এলাকার মৃত জোফর আলমের ছেলে মোঃ তোফায়েল (২১) এবং উলুচামারী গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে মোঃ ইউনুসকে (৩৩) আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে পৃথক অভিযানে হোয়াইক্যং বিওপির টহল দল ক্যারেঙ্গাঘোনা এলাকা থেকে মোঃ সিফাত (২০) নামে এক যুবককে আটক করে। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। সিফাত হোয়াইক্যংয়ের মৃত আলী আকবরের ছেলে।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল মো: জহিরুল ইসলাম জানিয়েছে, আটককৃত আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধে বিজিবির এই কঠোর অবস্থান এবং গোয়েন্দা নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১১ এপ্রিল এই হ্নীলা এলাকা থেকেই বিজিবি তাদের সবচেয়ে বড় চালান সাড়ে ৮ লাখের বেশি ইয়াবা জব্দ করেছিল।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















