টেকনাফে মুক্তিপণ আদায় ও মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত চার রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার এবং পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লম্বরী এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১৫ এর সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
গ্রেপ্তারকৃত পাচারকারীরা হলো—টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নতুন পল্লান পাড়ার মৃত হাবিব উল্লাহর ছেলে নেয়ামত উল্লাহ (২৯) এবং একই এলাকার মৃত নবী হোসেনের ছেলে শাহ আলম (৩৭)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে একদল পাচারকারী উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পসহ বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েকজন রোহিঙ্গাকে অপহরণ করে সিএনজি যোগে মেরিন ড্রাইভ হয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আমির আহম্মদের মুদি দোকানের সামনে পাকা রাস্তায় চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি শুরু করে র্যাব। এ সময় সন্দেহভাজন একটি অটোরিক্সা থামানো হলে পালানোর চেষ্টাকালে দুই পাচারকারীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
উদ্ধারকৃত ভিক্টিমরা জানান, পাচারকারীরা তাদের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে পরিবারের কাছ থেকে মাথাপিছু এক থেকে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করছিল। মুক্তিপণ না দিলে তাদের জোরপূর্বক মালয়েশিয়ায় পাচারের হুমকি দিয়ে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।
র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক জানান, উদ্ধারকৃত ভিক্টিম ও গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 





















