বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা করেছে বিজিবি। একই দিনে কক্সবাজার বিজিবির অধীনস্থ ঘুমধুম সীমান্তে দাহ্য রাসায়নিকও আটক করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নাইক্ষ্যংছড়ির টারগোপাড়া বিওপির একটি টহল দল অভিযান চালায়। এ সময় ৪–৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ব্যাগসহ চলাচল করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা চ্যালেঞ্জ করলে তারা ব্যাগ ফেলে পাহাড়ি জঙ্গলে পালিয়ে যায়।
পরে ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে ৫টি সম্ভাব্য অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন, ৫টি আইইডি, একটি মেটাল ডিটেক্টর, একটি সোলার প্যানেল, শুকনা খাবার, মোবাইল ফোন, পাওয়ার ব্যাংক ও সিভিল পোশাক উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো বালুর বস্তা দিয়ে সুরক্ষিত করে লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। জননিরাপত্তার জন্য ওই এলাকায় সাময়িকভাবে চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল টিম মোতায়েনের জন্য সমন্বয় করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
এর আগে একই দিন দুপুরে ঘুমধুমের বাইশফাঁড়ি এলাকায় আরেকটি অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় দাহ্য পদার্থ উদ্ধার করে বিজিবি। এসবের মধ্যে রয়েছে ৩ কেজি দাহ্য পাউডার, ৩ কেজি মেপোক্স, ৩ রোল নাইলন কাপড় ও ৩ লিটার দাহ্য রাসায়নিক তরল।
বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া রাসায়নিক পদার্থ পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সীমান্তে নাশকতা ও চোরাচালান ঠেকাতে বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে বলেও জানায় বিজিবি।
হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী 
















