ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায় রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর বিশ্বে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে উষ্ণ মাস আগস্ট: ইইউ বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এসএসসি পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ, নতুন জিপিএ-৫ তিন হাজারের বেশি আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীর ২৩ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে বিশেষ ক্রোড়পত্র টেকনাফে ছুরিকাঘাতে নিহত ১, আহত ৫ পুলিশ পরিচয়ে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদাবাজি: চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার চৌফলদণ্ডী ও ভারুয়াখালীকে কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির আশ্বাস এমপি কাজলের লালদিঘি পাড় এলাকার ব্যবসায়ী বাহার ছড়ার সৈয়দ সওদাগরের ইন্তেকাল সীমান্তে ইয়াবার সর্ববৃহৎ চালান আটক : ৪২ কোটি টাকার ১৪ লাখ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ বন্যার্ত ১৪’শ মানুষের পাশে মুসলিম হ্যান্ডস্ ইন্টারন্যাশনাল যে কারণে তিন কিশোরের হাতে ফুটবল তুলে দিলেন কুতুবদিয়ার ইউএনও কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ২২ কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শোয়াইব, সদস্য সচিব তারেক

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায়

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।