ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চ্যালেঞ্জ শনাক্তে কক্সবাজারে যাচ্ছে ইসি মহেশখালীতে ড্রেন নির্মাণকাজে ডাম্পারের ধাক্কা, শ্রমিক নিহত টেকনাফে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মাঝি আটক কক্সবাজারে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬ তম আবির্ভাব উৎসব উপলক্ষে সাধারণ সভা ১৫ মে গর্জনিয়ায় সোহেলের বসতঘর থেকে মিললো ১ লাখ পিস ইয়াবা : এলাকায় চাঞ্চল্য কোরবানি পশুর চামড়ার দাম বাড়ল এবার কক্সবাজার সরকারি কলেজে ইউনিফর্ম পরে টিকটক-রিলস নিষিদ্ধ, নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তির সতর্কতা বাবার নামে হোটেল ‘সায়মন’ নামকরণ করেছিলেন ইঞ্জি. মোশাররফ ঢাকায় অপহৃত স্কুলছাত্রী কক্সবাজারে উদ্ধার, গ্রেফতার ২ ১ মাসের শিশু হুমাইরাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন… পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন’ রাজনৈতিক অধ্যায় এপ্রিলে ৫২৭ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫১০, আহত ১২৬৮ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি তরুণদের দক্ষ করে তুললে বিশ্বে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চ্যালেঞ্জ শনাক্তে কক্সবাজারে যাচ্ছে ইসি

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।