ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম রাজা পালংয়ের প্রয়াত জননেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের সহধর্মিণীর মৃত্যু : জানাজা বুধবার পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়লো আমজাদের ড্রাম ট্রাক জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নাইক্ষ্যংছড়ি বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম

সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের!

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মায়ানমার সীমান্তঘেঁষা সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে অজ্ঞাত উৎসের ড্রোন উড়তে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।

দ্বীপের বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে এগুলো মায়ানমারের দিক থেকেই উড়ানো হতে পারে। আবার কারো মতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ড্রোন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেন্টমার্টিনের জেটি এলাকার পূর্ব আকাশে লাল ও সবুজ আলোযুক্ত দুটি ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চক্কর দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আতঙ্কও তৈরি হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রাতের ওই সময়ে জেটির পূর্ব দিকে আকাশে দুটি ড্রোন দেখা গেছে। তার মতে, সীমান্তে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নজরদারির অংশ হিসেবে এসব ড্রোন ব্যবহার করে থাকতে পারে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেলে হাফেজ আহমদ বলেন, ড্রোন দেখার পর স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং পরে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের ড্রোন চলাচল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস শনাক্ত করা এবং সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

তবে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আইনজীবী এডভোকেট
এম কেফায়েত উল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে দেখা যাওয়া ড্রোনটি মায়ানমারের নয়। পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের। কারণ, অনেক সময় স্থানীয় বা পর্যটকগণ কন্টেন্ট বানানোর জন্য ড্রোন ভিডিও নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।