ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় ৩ লক্ষ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ​ মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু চকরিয়ায় মসজিদের পুকুরে ডুবে শ্রমিকের মৃত্যু উখিয়ায় গৃহবধূ হত্যা: যুবকের দায় স্বীকার মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো পথেই এগিয়ে যাবে গণতান্ত্রিক দেশ কক্সবাজারে পেট্রোল সংকট, স্পিডবোট, পর্যটন, মৎস্য ও পরিবহন খাত নিয়ে শঙ্কা লামায় কাঠ বোঝাই ট্রাক খাদে: নিহত ২ মেরিন ড্রাইভে কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাগেরহাটে ১৪ মৃত্যু: নববধূকে নিয়ে বরের আর বাড়ি ফেরা হল না স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের স্মরণে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা তেল বিক্রির অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যা বলল রাশিয়া মাঠ প্রশাসন সাজাচ্ছে নতুন সরকার : ঈদের আগেই প্রজ্ঞাপন কেমন হওয়া উচিত সেহরি-ইফতার

মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

মহেশখালীর শাপলাপুরে আদালতের জারিকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা। বাঁধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত নেছার আলম (৫৩) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

নিহতের পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানাযায়, গেলো বুধবার রাত আনুমানিক ২ দিকে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, নেছারের দখলে থাকা জমি একই এলাকার ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ বার্মাইয়ার পরিবার জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় নেছার আদালতের শরণাপন্ন হয়ে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালাল আহমদ গং বাদী হয়ে এমআর মামলা (নং-১৫৯/২৬) দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীয় জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৪ মার্চ রাতের আঁধারে জমি দখল করতে গেলে নেছারের পরিবার বাঁধা দেয়। এতে একই এলাকার খরত আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আব্দুল খালেক, মান্নান, হান্নান, নুরুল আলম প্রকাশ লেড়াইয়া, মো. আলম, তার ছেলে রেজাউল করিম, তার ভাই সাজ্জাদ, ছৈয়দ আহমদের ছেলে মো. হোসেন এবং তার মেয়ের জামাই হোয়ানকের মোশাররফসহ একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ নেছারের পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ নেছারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও প্রশাসনের অসহযোগিতার ফলে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

এই বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :

মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:২১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মহেশখালীর শাপলাপুরে আদালতের জারিকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা। বাঁধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত নেছার আলম (৫৩) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

নিহতের পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানাযায়, গেলো বুধবার রাত আনুমানিক ২ দিকে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, নেছারের দখলে থাকা জমি একই এলাকার ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ বার্মাইয়ার পরিবার জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় নেছার আদালতের শরণাপন্ন হয়ে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালাল আহমদ গং বাদী হয়ে এমআর মামলা (নং-১৫৯/২৬) দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীয় জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৪ মার্চ রাতের আঁধারে জমি দখল করতে গেলে নেছারের পরিবার বাঁধা দেয়। এতে একই এলাকার খরত আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আব্দুল খালেক, মান্নান, হান্নান, নুরুল আলম প্রকাশ লেড়াইয়া, মো. আলম, তার ছেলে রেজাউল করিম, তার ভাই সাজ্জাদ, ছৈয়দ আহমদের ছেলে মো. হোসেন এবং তার মেয়ের জামাই হোয়ানকের মোশাররফসহ একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ নেছারের পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে নেছার আলম, কফিল উদ্দিন, সবুর খান ও বাবুল গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ নেছারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও প্রশাসনের অসহযোগিতার ফলে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

এই বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।