কক্সবাজার জেলায় এ বছরের জন্য জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৯৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৪৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজার কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি কক্সবাজার জেলা ও জেলা ইমাম পরিষদের এক যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ আবু তালহা-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার কেন্দ্রীয় মডেল জামে মসজিদের খতিব ও সীতাকুণ্ড কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা মাহমুদুল হক।
সভায় উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম স্থানীয় বাজারদর যাচাই করে ফিতরার এই পরিমাণ নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত হারসমূহ নিচে দেওয়া হলো: আটা (অর্ধ সা—১৬৫০ গ্রাম): ৯৫ টাকা (নিম্নবিত্তদের জন্য প্রযোজ্য)। খেজুর (এক সা—৩৩০০ গ্রাম): ২,১৫০ টাকা (উচ্চ মধ্যবিত্তদের জন্য প্রযোজ্য)। কিসমিস (এক সা—৩৩০০ গ্রাম): ২,৪৭৫ টাকা (উচ্চবিত্তদের জন্য প্রযোজ্য)।
এছাড়া কক্সবাজারের বাজারে যব ও পনিরের প্রচলন কম থাকায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকা কর্তৃক ঘোষিত দর অনুযায়ী যব (এক সা—৩৩০০ গ্রাম) ৫৯৫ টাকা এবং পনির (এক সা—৩৩০০ গ্রাম) ২,৮০৫ টাকা হারে আদায় করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সভায় আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম, মুহাদ্দিস মাওলানা আতাউল্লাহ মো. নোমান, উলামা পরিষদ জেলা সভাপতি মাওলানা শফিউল হক জিহাদী, কক্সবাজার বড় বাজার জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের খতিব ও জাতীয় ইমাম সমিতি জেলা সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন এবং ইমাম পরিষদ জেলা সভাপতি মুফতি সোলাইমান কাসেমি সহ অনেকে।
সভায় বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী যাকাতের নিসাবও নির্ধারণ করা হয়। যাদের নিকট বছর শেষে উদ্বৃত্ত সম্পদ হিসেবে ন্যূনতম ১,৫৭,৫০০ (এক লক্ষ সাতান্ন হাজার পাঁচশত) টাকা জমা থাকবে, তাদের ওপর যাকাত ফরজ হবে বলে জানানো হয়।
উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম সামর্থ্যবানদের সর্বোচ্চ হারে ফিতরা আদায়ের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে রমজানে যাকাত আদায়ের ফজিলত তুলে ধরে তারা বলেন, এ মাসে দান-সদকা ও যাকাত আদায় করলে অন্য মাসের চেয়ে ৭০ গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়।
সভায় কক্সবাজারের বিভিন্ন মাদ্রাসার সুপার, মসজিদের খতিব ও ওলামা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 



















