অল্প কদিন পরেই কথা ছিলো সৌদি আরবে যাওয়ার। সে লক্ষ্যে রামুর জোয়ারিয়ানালার বিকেএসপির লাগোয়া সরকারি ট্রেনিং সেন্টারে চলছিলো প্রশিক্ষন। আজ ছিলো প্রশিক্ষনের শেষ দিন। এই দিনটি ছিলো তার জীবনেরও শেষ দিন। বলছি সেন্টমার্টিনের পর্যটন ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল মালেকের কথা।
বুধবার দুপুর ২ টা। প্রশিক্ষন শেষ করে রামু থেকে সিএনজি যোগে কক্সবাজার শহরে ফিরছিলেন আব্দুল মালেক। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঝিলংজা বাংলাবাজার এলাকায় তাকে বহনকরা সিএনজিটির সাথে অপরদিক থেকে ছুটে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মারাত্মক জখমপ্রাপ্ত আব্দুল মালেক কে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে দুজন। তারাও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন,ঘটনাস্থলেই আব্দুল মালেক প্রাণ হারায়।
সেন্টমাটিনের ১ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম পাড়া মৃত আলী হোসেনের পুত্র
৩৪ বছর বয়সী আব্দুল মালেক এক কন্যা সন্তানের জনক।স্থানীয় সী প্রবাল রিসোর্টের মালিক।
সে তার “ফেইসবুক বায়োতে নিজের সম্পর্কে সবশেষ লেখায় লিখেছেন-“মৃত্যুর পর আমার লাশটি জন্মভূমি সেন্টমার্টিন-এ বাবা-মায়ের কবরের পাশে শায়িত করিও”।
আব্দুল মালেক সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ডিক্রি অর্জন করা হাতেগোনা কয়েকজন মধ্যে একজন। সে চটগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল এল বি অনার্স শেষে এলএলএম ডিক্রি অর্জন করেছেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছমিউদ্দিন জানিয়েছেন, দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে হাসপাতালের মর্গে আনা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
বাবা – মা মারা গেছে আগে , আজ সেও চলে গেলো। তার নিথর মরদেহ পড়ে আছে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে।
তানভীর শিপু: 























