পৃথক ৫ টি অভিযানে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ ৫ জনকে আটক করেছে বিজিবি। ৩০ বিজিবি ১ টি ও ৩৪ বিজিবির ৪ টি পৃথক অভিযানে মোট ২৪ হাজার ১শ ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক চারটি অভিযানে ইয়াবাসহ চার পাচারকারীকে আটক করেছে ৩৪ বিজিবি ( কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন)।
৪ অভিযানে মোট ১৪ হাজার ১২০ পিস বার্মিজ ইয়াবা এবং পাচারে ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ৩৪ বিজিবি-র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম।
প্রথম অভিযান (মালিকবিহীন উদ্ধার): গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ঘুমধুম বিওপির একটি দল সীমান্ত পিলার-৩২ সংলগ্ন ‘জামালের ঘের’ নামক স্থানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০,০০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
দ্বিতীয় অভিযান (সিএনজি তল্লাশি): ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে রেজুখাল চেকপোস্টে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি সিএনজি তল্লাশি করে ১,০০০ পিস ইয়াবাসহ নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁওয়ের মো. আনোয়ার হোসেনকে (৪৫) আটক করা হয়।
তৃতীয় অভিযান (রোহিঙ্গা নাগরিক আটক): একই চেকপোস্টে সকাল সাড়ে ৯টায় অন্য একটি সিএনজি তল্লাশি করে ১,৫০০ পিস ইয়াবাসহ মো. ইউনুস (২০) নামে এক এফডিএমএন (রোহিঙ্গা) সদস্যকে আটক করা হয়। আটকৃকত ২৪ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা।
চতুর্থ অভিযান (নারীর শরীরে অভিনব কায়দায় পাচার): দুপুরে রেজুখাল চেকপোস্টে একটি অটোরিক্সা তল্লাশিকালে দুই নারীকে আটক করা হয়। বাগেরহাটের মমতাজ বেগম (৫৫) এবং গাজীপুরের রোকেয়া খাতুন (৫৬) তাদের শরীরে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে ১,৬২০ পিস ইয়াবা পাচার করছিলেন।
অন্যদিকে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে একটি যাত্রীবাসী বাসে তল্লাশী চালায় ৩০ বিজিবি (রামু ব্যাটালিয়ন)। এসময় বাসের ইঞ্জিন কাভারের ভেতর লুকিয়ে রাখা ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় বাসের চালক চালক উখিয়ার রাজাপালংয়ের চিলের ছড়ার মৃত কামাল আহম্মদের পুত্র মোঃ সামসুর রহমান (৩৫) কে আটক করা হয় বলে জানান ৩০ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।
আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশের নিকট সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 

























