১. শরিফ ওসমান হাদির শাহাদাত বরণের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারি সকল সংগঠন, পক্ষ ও শক্তির মধ্যে দৃঢ় ঐক্যের শর্ত তৈরি হয়েছে, তাকে আরও দৃঢ় ও মজবুত করন।
২. ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও আমাদের বাস্তব ইতিহাস – সবই আমাদের রাজনৈতিক জনগোষ্ঠি হিশাবে গড়ে ওঠার উপাদান। অতএব ধর্ম বনাম ধর্ম নিরপেক্ষতার বাইনারি ও বিভাজন জারি রাখবার মধ্য দিয়ে জনগণকে বিভক্ত রাখবার গণবিরোধী রাজনীতি প্রত্যাখান করুন।
৩. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সকল পরাশক্তির আগ্রাসন ও সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করুন; শুধু দিল্লির আধিপত্য ও আগ্রাসনের কথা বলে বাংলাদেশে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপ ও ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা আড়াল করতে দেবেন না। জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ‘ রেজিম চেইঞ্জ ‘-এ পর্যবসিত হোলো সেই সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে শিখুন। গাজার গণহত্যা এবং একের পর এক মুসলিম দেশগুলোকে ধূলায় মিশিয়ে দেবার নিষ্ঠুর, নির্মম ও রূঢ় বাস্তবতা যারা আড়াল করতে চায় তাদের সম্পর্কে হুঁশিয়ার থাকুন।
৪. গণভ্যুত্থানের মূল দাবিকে সামনে নিয়ে আসুন: শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সংবিধান বাতিল করে জনগণের গাঠনিক ক্ষমতার ভিত্তিতে পূর্ণ ক্ষমতা সম্পন্ন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে করুন। গণসার্বভৌমত্ব (Popular Sovereignty) এবং জনগণের গাঠনিক ক্ষমতার (Constituting Power) আইনী ও রাজনৈতিক তাৎপর্য বুঝতে শিখুন এবং নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের রাজনীতি বাস্তবায়ন করুন।
~ ফরহাদ মজহার ~
টিটিএন ডেস্ক: 
























