ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ কক্সবাজারে এসএসসির চেয়ে দাখিল-ভোকেশনালে পাসের হার বেশি কক্সবাজারে ডাবল মার্ডারের আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধনের অপেক্ষায় পেকুয়ার নোয়াখালী সেতু, স্বস্তিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে মায়ের হাতে ২ মাসের শিশু জবাই : মা আটক আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়: নাহিদ ইসলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছাড়াল আগামী ১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব সমুদ্র শহরের ‘চন্দন ডাক্তার’কে হারানোর এক বছর, আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এসএসসিতে কক্সবাজার জেলায় প্রথম নাবিহা নওরিন কক্সবাজারে এসএসসির ফলে ছেলেদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে

নভেম্বর এলেই ‘গণি’র বাজিমাত, এবারও পেলো ৩৩ কেজির কালো পোয়া,দাম হাঁকছেন ১২ লাখ টাকা

আব্দুল গণি, সেন্টমাটিনের দক্ষিন পাড়ার বাসিন্দা। তার মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলারে প্রতি বছর ধরা পড়ে বড় বড় পোয়া মাছ।

শনিবারও ধরা পড়লো ৩৩ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের ‘কালো পোয়া’ মাছ। যার দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।

২০১৮ সাল থেকে নভেম্বর মাস এলেই ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় সেন্টমার্টিনের জেলে আব্দুল গণির। এসময় তার জালেই আটকা পড়ে বড় আকারের পোয়া মাছ।

আব্দুল গণি বলেন, সেন্টমার্টিনের সাগরে তার নৌকা থেকে ফেলা জালে পোয়া মাছটি ধরা পড়ে। স্থানীয়রা মাছটিকে ‘কালা পোয়া’ নামে ডাকে। ৩২ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছটি ১২ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবে বলে তিনি আশা করছেন।

মাছটি কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে বিক্রির জন্য ফ্রিজিং করে কোল্ডস্টোরে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, সাত বছর ধরে প্রতিবছর অক্টোবর-নভেম্বরে আমার জালে পোয়া মাছ পেয়ে আসছি। যা আমাকে আর্থিকভাবে সচ্ছল করেছে।

বিডি নিউজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে আব্দুল গণির জালে ১০টি বড় পোয়া মাছ ধরা পড়ে। ১১৫ কেজি ওজনের পোয়া মাছগুলো আট লাখ টাকায় বিক্রি হয়। তার আগে ২০২২ সালের নভেম্বরে তার জালে পাওয়া ৬০ কেজি ওজনের দুটি পোয়া মাছ; যা বিক্রি হয়েছিল নয় লাখ টাকা।

২০২০ সালের নভেম্বরে গণির জালে ধরা পড়া ৩০ কেজির একটি পোয়া মাছ বিক্রি হয়েছিল ছয় লাখ টাকায়। এ ছাড়া ২০১৮ সালের ৩৪ কেজি ওজনের একটি পোয়া মাছ বিক্রি করে পেয়েছিলেন ১০ লাখ টাকা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার

নভেম্বর এলেই ‘গণি’র বাজিমাত, এবারও পেলো ৩৩ কেজির কালো পোয়া,দাম হাঁকছেন ১২ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

আব্দুল গণি, সেন্টমাটিনের দক্ষিন পাড়ার বাসিন্দা। তার মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলারে প্রতি বছর ধরা পড়ে বড় বড় পোয়া মাছ।

শনিবারও ধরা পড়লো ৩৩ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের ‘কালো পোয়া’ মাছ। যার দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।

২০১৮ সাল থেকে নভেম্বর মাস এলেই ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় সেন্টমার্টিনের জেলে আব্দুল গণির। এসময় তার জালেই আটকা পড়ে বড় আকারের পোয়া মাছ।

আব্দুল গণি বলেন, সেন্টমার্টিনের সাগরে তার নৌকা থেকে ফেলা জালে পোয়া মাছটি ধরা পড়ে। স্থানীয়রা মাছটিকে ‘কালা পোয়া’ নামে ডাকে। ৩২ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছটি ১২ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবে বলে তিনি আশা করছেন।

মাছটি কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে বিক্রির জন্য ফ্রিজিং করে কোল্ডস্টোরে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, সাত বছর ধরে প্রতিবছর অক্টোবর-নভেম্বরে আমার জালে পোয়া মাছ পেয়ে আসছি। যা আমাকে আর্থিকভাবে সচ্ছল করেছে।

বিডি নিউজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে আব্দুল গণির জালে ১০টি বড় পোয়া মাছ ধরা পড়ে। ১১৫ কেজি ওজনের পোয়া মাছগুলো আট লাখ টাকায় বিক্রি হয়। তার আগে ২০২২ সালের নভেম্বরে তার জালে পাওয়া ৬০ কেজি ওজনের দুটি পোয়া মাছ; যা বিক্রি হয়েছিল নয় লাখ টাকা।

২০২০ সালের নভেম্বরে গণির জালে ধরা পড়া ৩০ কেজির একটি পোয়া মাছ বিক্রি হয়েছিল ছয় লাখ টাকায়। এ ছাড়া ২০১৮ সালের ৩৪ কেজি ওজনের একটি পোয়া মাছ বিক্রি করে পেয়েছিলেন ১০ লাখ টাকা।