ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে আড়ং ও স্বপ্ন সুপার শপে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ‎৩ দিন ধরে নির্যাতনের পর পাহাড়তলী টমটম গ্যারেজ থেকে আব্দুল হাকিমের লাশ উদ্ধার উখিয়া ভূমি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ প্রদীপের বিরুদ্ধে সৈকতে ৫০ ফুট উচ্চতার ৫ টনের প্লাস্টিক দানব! শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে সহযোগীতা করুন- লোহাগাড়ায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার রাজুকে ফেরত দিলো কুমিল্লা পুলিশ, ৫৪ ধারায় কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ সেন্টমার্টিনে পর্যটক গমন,জাহাজ ছাড়ার স্থান ও সংখ্যা নিয়ে পরিবর্তন আসছে সারা দেশে দুইদিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা কক্সবাজারে সিএনজি থেকে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের দাফন সম্পন্ন নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, পাঁচ ধাপে হবে ভোটগ্রহণ প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না : হাইকোর্ট রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত বাড়িতে স্ত্রীর লাশ রেখে মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

নভেম্বর এলেই ‘গণি’র বাজিমাত, এবারও পেলো ৩৩ কেজির কালো পোয়া,দাম হাঁকছেন ১২ লাখ টাকা

আব্দুল গণি, সেন্টমাটিনের দক্ষিন পাড়ার বাসিন্দা। তার মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলারে প্রতি বছর ধরা পড়ে বড় বড় পোয়া মাছ।

শনিবারও ধরা পড়লো ৩৩ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের ‘কালো পোয়া’ মাছ। যার দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।

২০১৮ সাল থেকে নভেম্বর মাস এলেই ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় সেন্টমার্টিনের জেলে আব্দুল গণির। এসময় তার জালেই আটকা পড়ে বড় আকারের পোয়া মাছ।

আব্দুল গণি বলেন, সেন্টমার্টিনের সাগরে তার নৌকা থেকে ফেলা জালে পোয়া মাছটি ধরা পড়ে। স্থানীয়রা মাছটিকে ‘কালা পোয়া’ নামে ডাকে। ৩২ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছটি ১২ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবে বলে তিনি আশা করছেন।

মাছটি কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে বিক্রির জন্য ফ্রিজিং করে কোল্ডস্টোরে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, সাত বছর ধরে প্রতিবছর অক্টোবর-নভেম্বরে আমার জালে পোয়া মাছ পেয়ে আসছি। যা আমাকে আর্থিকভাবে সচ্ছল করেছে।

বিডি নিউজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে আব্দুল গণির জালে ১০টি বড় পোয়া মাছ ধরা পড়ে। ১১৫ কেজি ওজনের পোয়া মাছগুলো আট লাখ টাকায় বিক্রি হয়। তার আগে ২০২২ সালের নভেম্বরে তার জালে পাওয়া ৬০ কেজি ওজনের দুটি পোয়া মাছ; যা বিক্রি হয়েছিল নয় লাখ টাকা।

২০২০ সালের নভেম্বরে গণির জালে ধরা পড়া ৩০ কেজির একটি পোয়া মাছ বিক্রি হয়েছিল ছয় লাখ টাকায়। এ ছাড়া ২০১৮ সালের ৩৪ কেজি ওজনের একটি পোয়া মাছ বিক্রি করে পেয়েছিলেন ১০ লাখ টাকা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে আড়ং ও স্বপ্ন সুপার শপে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১০ হাজার টাকা জরিমানা

নভেম্বর এলেই ‘গণি’র বাজিমাত, এবারও পেলো ৩৩ কেজির কালো পোয়া,দাম হাঁকছেন ১২ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

আব্দুল গণি, সেন্টমাটিনের দক্ষিন পাড়ার বাসিন্দা। তার মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলারে প্রতি বছর ধরা পড়ে বড় বড় পোয়া মাছ।

শনিবারও ধরা পড়লো ৩৩ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের ‘কালো পোয়া’ মাছ। যার দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।

২০১৮ সাল থেকে নভেম্বর মাস এলেই ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় সেন্টমার্টিনের জেলে আব্দুল গণির। এসময় তার জালেই আটকা পড়ে বড় আকারের পোয়া মাছ।

আব্দুল গণি বলেন, সেন্টমার্টিনের সাগরে তার নৌকা থেকে ফেলা জালে পোয়া মাছটি ধরা পড়ে। স্থানীয়রা মাছটিকে ‘কালা পোয়া’ নামে ডাকে। ৩২ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছটি ১২ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবে বলে তিনি আশা করছেন।

মাছটি কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে বিক্রির জন্য ফ্রিজিং করে কোল্ডস্টোরে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, সাত বছর ধরে প্রতিবছর অক্টোবর-নভেম্বরে আমার জালে পোয়া মাছ পেয়ে আসছি। যা আমাকে আর্থিকভাবে সচ্ছল করেছে।

বিডি নিউজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে আব্দুল গণির জালে ১০টি বড় পোয়া মাছ ধরা পড়ে। ১১৫ কেজি ওজনের পোয়া মাছগুলো আট লাখ টাকায় বিক্রি হয়। তার আগে ২০২২ সালের নভেম্বরে তার জালে পাওয়া ৬০ কেজি ওজনের দুটি পোয়া মাছ; যা বিক্রি হয়েছিল নয় লাখ টাকা।

২০২০ সালের নভেম্বরে গণির জালে ধরা পড়া ৩০ কেজির একটি পোয়া মাছ বিক্রি হয়েছিল ছয় লাখ টাকায়। এ ছাড়া ২০১৮ সালের ৩৪ কেজি ওজনের একটি পোয়া মাছ বিক্রি করে পেয়েছিলেন ১০ লাখ টাকা।