ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার প্রেসক্লাবে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে ৭০০ পরিবারের মাঝে তবারুক বিতরণ ২৪ বছর ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত পেকুয়ার নন্দীরপাড়া স্টেশন সড়ক ভেসে এলো নিখোঁজ আলবার্টের মরদেহ : জীবিত উদ্ধার নিউজিল্যান্ডের নাগরিকেরা কোস্টগার্ডের হেফাজতে উখিয়া সীমান্তে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১ পুলিশ বাহিনীকে রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব ইসলামাবাদে হাসপাতালে আগুন, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ওয়ান শুটারগানসহ যুবক আটক পালংখালী খালে মাছ ধরতে গিয়ে দুই রোহিঙ্গা শিশু নিখোঁজ, একজনের মরদেহ উদ্ধার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ উখিয়ায় দুই রেস্তোরাঁয় অনিয়ম, ৪ লাখ টাকা জরিমানা বাঁকখালী নয়, রামু অথবা ঈদগাঁও উপজেলার সাথে থাকতে চেয়ে ঈদগড়বাসীর স্মারকলিপি কক্সবাজারে বহুল প্রত্যাশিত মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ‎

চুরি-ছিনতাই ও ইভটিজিং রোধে কক্সবাজার সৈকতে বসছে শক্তিশালী হেলোজেন লাইট

দীর্ঘদিন অন্ধকারে ডুবে থাকা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এবার আলোকিত হতে যাচ্ছে নতুন হেলোজেন লাইটে। চুরি, ছিনতাই ও ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপরাধ দমন এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হচ্ছে উন্নতমানের এই লাইট।

শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে লাইট স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে, যা এখনো চলমান। প্রথম দিন বসানো হয়েছে ৮টি হেলোজেন লাইট। পর্যায়ক্রমে সৈকতের সব পোলেই নতুন বাতি বসানো হবে বলে জানিয়েছেন পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজিম খান।

সরেজমিনে দেখা যায়, লাবণী বীচের দক্ষিণ মাথা থেকে ঝাউবাগান পর্যন্ত ৬টি লাইট ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে। কাজে তত্ত্বাবধান করছেন বীচ কর্মীদের সুপারভাইজার মাহাবুব আলম। তিনি জানান, “শনিবার থেকে কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে লাবণী ও সীগাল পয়েন্টে লাইট বসানো হয়েছে। পরবর্তী ধাপে ডায়াবেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত লাইট বসানো হবে।”

কাজে নিয়োজিত ইলেকট্রিশিয়ান নুরুল আবছার বলেন, “আগে এক পিলার থেকে আরেক পিলারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। বৃষ্টির পানিতে তার ও হোল্ডার নষ্ট হয়ে যায়। নতুনভাবে ৪টি ৭০০ ওয়াট এবং ২টি ৪০০ ওয়াটের হেলোজেন লাইট লাগানো হয়েছে।”

জানা যায়, ২০১৭ সালে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির অর্থায়নে ডায়াবেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী সৈকত পর্যন্ত ১১৯টি স্ট্রিট লাইট বসানো হয়েছিল, যার খরচ হয়েছিল প্রায় ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৭৮টি বাতি সম্পূর্ণ বিকল হয়ে পড়ে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শাহিদুল আলম বলেন, “নতুন হেলোজেন লাইটগুলো উন্নতমানের, সহজে মরিচা ধরবে না। এগুলো জাহাজে ব্যবহৃত লাইটের মতো শক্তিশালী। প্রথমে ২০টি স্থাপন করা হবে, পরে বাকি পোলগুলোতেও লাগানো হবে। তার, হোল্ডার ও লোহার অংশ নতুন করে পরিবর্তন করা হচ্ছে।”

টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আপেল মাহমুদ বলেন, “অন্ধকারেও টুরিস্ট পুলিশ সবসময় দায়িত্ব পালন করেছে। এখন ৩৩টি সিসি ক্যামেরা, যার মধ্যে ২৭টি বিচ এলাকায়, অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। লাইট বসানো হলে সৈকতের রাতের সৌন্দর্য যেমন বাড়বে, তেমনি নিরাপত্তাও আরও জোরদার হবে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার প্রেসক্লাবে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

চুরি-ছিনতাই ও ইভটিজিং রোধে কক্সবাজার সৈকতে বসছে শক্তিশালী হেলোজেন লাইট

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

দীর্ঘদিন অন্ধকারে ডুবে থাকা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এবার আলোকিত হতে যাচ্ছে নতুন হেলোজেন লাইটে। চুরি, ছিনতাই ও ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপরাধ দমন এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হচ্ছে উন্নতমানের এই লাইট।

শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে লাইট স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে, যা এখনো চলমান। প্রথম দিন বসানো হয়েছে ৮টি হেলোজেন লাইট। পর্যায়ক্রমে সৈকতের সব পোলেই নতুন বাতি বসানো হবে বলে জানিয়েছেন পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজিম খান।

সরেজমিনে দেখা যায়, লাবণী বীচের দক্ষিণ মাথা থেকে ঝাউবাগান পর্যন্ত ৬টি লাইট ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে। কাজে তত্ত্বাবধান করছেন বীচ কর্মীদের সুপারভাইজার মাহাবুব আলম। তিনি জানান, “শনিবার থেকে কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে লাবণী ও সীগাল পয়েন্টে লাইট বসানো হয়েছে। পরবর্তী ধাপে ডায়াবেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত লাইট বসানো হবে।”

কাজে নিয়োজিত ইলেকট্রিশিয়ান নুরুল আবছার বলেন, “আগে এক পিলার থেকে আরেক পিলারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। বৃষ্টির পানিতে তার ও হোল্ডার নষ্ট হয়ে যায়। নতুনভাবে ৪টি ৭০০ ওয়াট এবং ২টি ৪০০ ওয়াটের হেলোজেন লাইট লাগানো হয়েছে।”

জানা যায়, ২০১৭ সালে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির অর্থায়নে ডায়াবেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী সৈকত পর্যন্ত ১১৯টি স্ট্রিট লাইট বসানো হয়েছিল, যার খরচ হয়েছিল প্রায় ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৭৮টি বাতি সম্পূর্ণ বিকল হয়ে পড়ে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শাহিদুল আলম বলেন, “নতুন হেলোজেন লাইটগুলো উন্নতমানের, সহজে মরিচা ধরবে না। এগুলো জাহাজে ব্যবহৃত লাইটের মতো শক্তিশালী। প্রথমে ২০টি স্থাপন করা হবে, পরে বাকি পোলগুলোতেও লাগানো হবে। তার, হোল্ডার ও লোহার অংশ নতুন করে পরিবর্তন করা হচ্ছে।”

টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আপেল মাহমুদ বলেন, “অন্ধকারেও টুরিস্ট পুলিশ সবসময় দায়িত্ব পালন করেছে। এখন ৩৩টি সিসি ক্যামেরা, যার মধ্যে ২৭টি বিচ এলাকায়, অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। লাইট বসানো হলে সৈকতের রাতের সৌন্দর্য যেমন বাড়বে, তেমনি নিরাপত্তাও আরও জোরদার হবে।”