কক্সবাজার-২ (মহেশখালী কুতুবদিয়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এই ৩৬ জনের তালিকায় রয়েছেন আলমগীর ফরিদ।
এই ঘটনায় খুশিতে উপজেলা বিএনপির নেতা ও কালারমারছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল আলম স্ট্রোক করে মারা গেছে বলে সংবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তার পরিবার নিশ্চিত করেছে এই তথ্য সঠিক নয়। দীর্ঘদিন ধরে এই বিএনপির নেতা অসুস্থ ছিলেন। এ-র আগেও কয়েকবার স্ট্রোক করেছেন। টানা পনের দিন এভারকেয়ার হসপিটালের চিকিৎসাধীন থাকার পর গত সপ্তাহে তাকে মহেশখালী কালারমারছড়ার নোনাছড়ি গ্রামের নীজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে আজ সকাল থেকে তিনি অসুস্থ বোধ করলে তাঁকে চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এর মধ্যে সন্ধ্যায় তিনি স্ট্রোক আক্রান্ত হলে প্রথমে বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন বলে টিটিএন-কে নিশ্চিত করেন ফরিদুল আলমের ভাতিজা মো. নিশান।
আলমগীর ফরিদের মনোনয়ন পাওয়ার খুশিতে স্ট্রোক করে মারা গেছে এই তথ্য সঠিক কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার চাচা (ফরিদুল আলম) দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। সাবেক এমপি আলমগীর ফরিদের সাথে তিনি দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছেন। তার মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে তিনি খুশি হয়েছেন তবে খুশিতে স্ট্রোক করার বিষয়টি সত্য নয়।
কাব্য সৌরভ, মহেশখালী 























