ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা সাজেকে চাঁদের গাড়ি উল্টে ৭ পর্যটক আহত জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাই আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বছরে কয়েকবার উচ্ছেদ, তবুও যানজটের কারণ সেই বিদ্যুতের খুঁটি ‘জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সকল সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব’ কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: মালিককে প্রধান আসামি করে পুলিশের মামলা টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই কুতুবদিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই, নিঃস্ব ১৩ পরিবার লোহাগাড়ায় এক কিশোরীর কান্ড আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ মাইক্রোফোন হাতে শুরু ‘বিয়ের প্রথম সকাল’, নজর কাড়ল সাংবাদিক শামীমের পেশাদারিত্ব কক্সবাজার-৩ আসনের সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানালেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল

৯৯৯-এ ফোন পেয়ে কবরস্থান থেকে জীবিত তরুণ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গা শহরে একটি কবরস্থানের ভেতর থেকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা এক তরুণকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে ৯৯৯ নম্বর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সদর থানা-পুলিশ ওই তরুণকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করে।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহবুবা মুস্তারিন বলেন, অচেতন ওই তরুণের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অবস্থা অনেকটাই আশঙ্কামুক্ত।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক শফিকুর রহমান বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে পাওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী অচেতন ওই তরুণের নাম শরিফুল ইসলাম (২১)। তিনি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ভিলিজারপাড়া গ্রামের ফজল করিম ও হোসনে আরা বেগম দম্পতির ছেলে। শরিফুলের পরিবারকে মুঠোফোনে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

শফিকুর রহমান আরো বলেন, সেনা সদস্যদের মতো ছোট করে চুল কাটা অচেতন ওই তরুণের সঙ্গে থাকা ব্যাগের ভেতরে সেনাবাহিনীর পোশাক ও ব্যাচ পাওয়া গেছে।

তবে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শরিফুল তাদের কোনো ইউনিটের সদস্য নন। জ্ঞান ফিরে পেলে তার চুয়াডাঙ্গায় আসা এবং হাত, পা ও মুখ বাঁধার ঘটনা ও অচেতন হওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

পুলিশ, সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের স্টেশন রোডে অবস্থিত জান্নাতুল মাওলা কবরস্থানের ভেতর এক তরুণকে পিঠমোড়া দিয়ে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানালে তা সদর থানা-পুলিশকে অবগত করা হয় এবং সদর থানা-পুলিশের একটি দল কবরস্থানের ভেতরের বাগান থেকে অচেতন অবস্থায় ওই তরুণকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়।

বিকেলে হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অচেতন অবস্থায় ওই তরুণ শয্যায় শুয়ে আছেন। শরীরে স্যালাইন চলছে। পাশে জ্ঞান ফেরার অপেক্ষায় সেনাবাহিনীর দুজন, শফিকুর রহমানসহ পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন।

শরিফুল ইসলামের ভাই আবু তালেব মুঠোফোনে বলেন, শরিফুল সম্প্রতি সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন বলে বাড়িতে জানিয়েছেন। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কথা বলে মাসখানেক আগে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন।

এ জন্য মা-বাবার কাছ থেকে অন্তত ১০ হাজার টাকা নেন। পরে মুঠোফোনে নানা খরচের কথা বলে আরো টাকা নেন। তবে চুয়াডাঙ্গায় কেন গেছেন এবং কার সঙ্গে গেছেন, সে বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেননি তিনি।

সুত্র : দৈনিক কালের কন্ঠ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ

৯৯৯-এ ফোন পেয়ে কবরস্থান থেকে জীবিত তরুণ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা শহরে একটি কবরস্থানের ভেতর থেকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা এক তরুণকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে ৯৯৯ নম্বর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সদর থানা-পুলিশ ওই তরুণকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করে।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহবুবা মুস্তারিন বলেন, অচেতন ওই তরুণের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অবস্থা অনেকটাই আশঙ্কামুক্ত।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক শফিকুর রহমান বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে পাওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী অচেতন ওই তরুণের নাম শরিফুল ইসলাম (২১)। তিনি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ভিলিজারপাড়া গ্রামের ফজল করিম ও হোসনে আরা বেগম দম্পতির ছেলে। শরিফুলের পরিবারকে মুঠোফোনে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

শফিকুর রহমান আরো বলেন, সেনা সদস্যদের মতো ছোট করে চুল কাটা অচেতন ওই তরুণের সঙ্গে থাকা ব্যাগের ভেতরে সেনাবাহিনীর পোশাক ও ব্যাচ পাওয়া গেছে।

তবে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শরিফুল তাদের কোনো ইউনিটের সদস্য নন। জ্ঞান ফিরে পেলে তার চুয়াডাঙ্গায় আসা এবং হাত, পা ও মুখ বাঁধার ঘটনা ও অচেতন হওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

পুলিশ, সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের স্টেশন রোডে অবস্থিত জান্নাতুল মাওলা কবরস্থানের ভেতর এক তরুণকে পিঠমোড়া দিয়ে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানালে তা সদর থানা-পুলিশকে অবগত করা হয় এবং সদর থানা-পুলিশের একটি দল কবরস্থানের ভেতরের বাগান থেকে অচেতন অবস্থায় ওই তরুণকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়।

বিকেলে হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অচেতন অবস্থায় ওই তরুণ শয্যায় শুয়ে আছেন। শরীরে স্যালাইন চলছে। পাশে জ্ঞান ফেরার অপেক্ষায় সেনাবাহিনীর দুজন, শফিকুর রহমানসহ পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন।

শরিফুল ইসলামের ভাই আবু তালেব মুঠোফোনে বলেন, শরিফুল সম্প্রতি সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন বলে বাড়িতে জানিয়েছেন। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কথা বলে মাসখানেক আগে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন।

এ জন্য মা-বাবার কাছ থেকে অন্তত ১০ হাজার টাকা নেন। পরে মুঠোফোনে নানা খরচের কথা বলে আরো টাকা নেন। তবে চুয়াডাঙ্গায় কেন গেছেন এবং কার সঙ্গে গেছেন, সে বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেননি তিনি।

সুত্র : দৈনিক কালের কন্ঠ