ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী- জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু রামুর প্রজ্ঞামিত্র বিহারে ৪০তম স্বর্গপুরী উৎসব : পুন্যার্থীর ঢল কক্সবাজারে শুরু হয়েছে রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রেং উৎসব ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান জমি পরিদর্শনকালে এমপি কাজল- দ্রুত ঈদগাঁওতে আধুনিক ফায়ার সার্ভিস স্টেশন হবে চসিক স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পাচ্ছেন কণ্ঠশিল্পী বুলবুল আকতার ফালংজিতে শুরু হলো “থানগ্রেং” পা ফোলা কি গুরুতর কোনো রোগের লক্ষণ নানার বাড়ির পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে ৩ অপহৃত উদ্ধার ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ মধ্যরাতে শুরু হচ্ছে হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত, বাড়ছে লোডশেডিং নাইক্ষ্যংছড়িতে সেতুর রেলিং থেকে পড়ে যুবকের প্রাণহানি

সাগরপথে বাংলাদেশে এলো আরও ৩৬ রোহিঙ্গা

মাছ ধরা একটি নৌকায় সাগর পাড়ি দিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ হয়ে টেকনাফে অনুপ্রবেশ করেছে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৩৬ জন রোহিঙ্গা। রোববার দুপুরে টেকনাফের সাবরাংয়ের মুন্ডারডেইল ঘাট এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকেন তারা।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গারা এখন বিজিবির হেফাজতে রয়েছে। তাদের ফেরত পাঠানো হবে। তাদের মধ্য পাঁচজন নারী, ১০ জন শিশু ও ২১ জন পুরুষ রয়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফের স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম বলেন, ‘মেরিন ড্রাইভের মুন্ডারডেইল ঘাট দিয়ে একটি ট্রলারে নারী-শিশুসহ ৩৬ জন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। তারা এখন বিজিবির হেফাজতে রয়েছে। এছাড়া বাহারছড়া ঘাট দিয়ে আরও একটা রোহিঙ্গা বোঝাই বোট (নৌকা) সাগরে ভাসছে বলে জানা গেছে।’

চার দিন সাগরে ভাসমান থাকা আলম (৩০) নামে একজন বলেন, “মিয়ানমারের আকিয়াবের পূর্বে নাঁশং এলাকায় আমাদের গ্রাম। সেখানে ‘মগ বাগি’ আরকান আর্মি  রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। তাই আমরা প্রাণে বাঁচতে একটি কাঠের বোট নিয়ে পাঁচ দিন আগে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করি। আজ আমাদের ইঞ্জিন নষ্ট হওয়ায় একটি ট্রলার টেনে নিয়ে আমাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।”

একই এলাকার রোহিঙ্গা জাহের আলম বলেন, ‘আমাদের এলাকায় পাঁচটি মুসলিম গ্রাম আছে। সেখান থেকে জোর করে ধরে নিয়ে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের দিয়ে জান্তার বিপক্ষে দাঁড় করাচ্ছে। ‘মগ বাগির’ দলে যোগ না দিলে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। মূলত রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করছে আরাকান আর্মি। যুদ্ধ করার চেয়ে বাংলাদেশে মরলে ভালো হবে। তাই বাংলাদেশে চলে আসি।’

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মো.এহসান উদ্দিন বলেন, ‘রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।’

টেকনাফ ২ বিজিবির মেজর ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘সাগরপথে ৩৬ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। তাদের প্রতিহত করা হবে।’

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী- জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে

সাগরপথে বাংলাদেশে এলো আরও ৩৬ রোহিঙ্গা

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

মাছ ধরা একটি নৌকায় সাগর পাড়ি দিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ হয়ে টেকনাফে অনুপ্রবেশ করেছে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৩৬ জন রোহিঙ্গা। রোববার দুপুরে টেকনাফের সাবরাংয়ের মুন্ডারডেইল ঘাট এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকেন তারা।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গারা এখন বিজিবির হেফাজতে রয়েছে। তাদের ফেরত পাঠানো হবে। তাদের মধ্য পাঁচজন নারী, ১০ জন শিশু ও ২১ জন পুরুষ রয়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফের স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম বলেন, ‘মেরিন ড্রাইভের মুন্ডারডেইল ঘাট দিয়ে একটি ট্রলারে নারী-শিশুসহ ৩৬ জন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। তারা এখন বিজিবির হেফাজতে রয়েছে। এছাড়া বাহারছড়া ঘাট দিয়ে আরও একটা রোহিঙ্গা বোঝাই বোট (নৌকা) সাগরে ভাসছে বলে জানা গেছে।’

চার দিন সাগরে ভাসমান থাকা আলম (৩০) নামে একজন বলেন, “মিয়ানমারের আকিয়াবের পূর্বে নাঁশং এলাকায় আমাদের গ্রাম। সেখানে ‘মগ বাগি’ আরকান আর্মি  রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। তাই আমরা প্রাণে বাঁচতে একটি কাঠের বোট নিয়ে পাঁচ দিন আগে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করি। আজ আমাদের ইঞ্জিন নষ্ট হওয়ায় একটি ট্রলার টেনে নিয়ে আমাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।”

একই এলাকার রোহিঙ্গা জাহের আলম বলেন, ‘আমাদের এলাকায় পাঁচটি মুসলিম গ্রাম আছে। সেখান থেকে জোর করে ধরে নিয়ে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের দিয়ে জান্তার বিপক্ষে দাঁড় করাচ্ছে। ‘মগ বাগির’ দলে যোগ না দিলে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। মূলত রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করছে আরাকান আর্মি। যুদ্ধ করার চেয়ে বাংলাদেশে মরলে ভালো হবে। তাই বাংলাদেশে চলে আসি।’

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মো.এহসান উদ্দিন বলেন, ‘রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।’

টেকনাফ ২ বিজিবির মেজর ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘সাগরপথে ৩৬ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। তাদের প্রতিহত করা হবে।’