ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি উজানটিয়া বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বসানো হচ্ছে জিও ব্যাগ, এলাকাজুড়ে স্বস্তি

রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা কমিয়ে দেওয়া এক ভয়াবহ বিপর্যয়- জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা কমিয়ে দেওয়া এক ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। একারণে মানুষ কষ্ট পাবে, মানুষ মারা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উখিয়ার ২০ নম্বর ক্যাম্প এক্সটেনশনে এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার অনুষ্ঠানে রমজান সংহতি সফর উপলক্ষে রোহিঙ্গাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা এক গভীর মানবিক সংকটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি। তহবিল সংকটের কারণে ২০২৫ সালে শুধুমাত্র ২০২৪ সালের তুলনায় ৪০% সহায়তা পাওয়া যাবে। এটি হবে এক ভয়াবহ বিপর্যয় – মানুষ কষ্ট পাবে, মানুষ মারা যাবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অবশ্যই এখনই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এই সংকটে যারা সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।

এসময় তিনি আরও বলেন, এমনিতেই শরণার্থীদের জন্য সহায়তা যথেষ্ট ছিল না, আর এখন আমরা ভয়াবহ বাজেট সংকটের মুখে। জাতিসংঘের সংস্থাগুলো ও বিভিন্ন মানবিক ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো মারাত্মক তহবিল সংকটের সম্মুখীন। এটি সরাসরি মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা ও মৌলিক সেবার উপর প্রভাব ফেলবে। এই ক্যাম্পের প্রতিটি শরণার্থী মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।কক্সবাজার বাজেট সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এখানে তহবিল সংকোচন মানেই মানুষের দুর্ভোগ ও মৃত্যু।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, চূড়ান্ত সমাধান অবশ্যই মিয়ানমারেই খুঁজতে হবে।আমরা কখনও হাল ছাড়বো না যতদিন না রোহিঙ্গারা নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলকভাবে তাদের জন্মভূমিতে ফিরে যেতে পারে। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব গ্রহণের সময়। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি সংহতি এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন – ঠিক যেমন প্রয়োজন বাংলাদেশের প্রতি সংহতি।

এদিকে আগামী বছর ঈদ যেন রোহিঙ্গারা নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে উদযাপন করতে পারে সেজন্য জাতিসংঘের সঙ্গে মিলে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার শেষে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উপস্থিতিতে তিনি এ কথা বলেন। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ইউনূস চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ

রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা কমিয়ে দেওয়া এক ভয়াবহ বিপর্যয়- জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

আপডেট সময় : ১১:১৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা কমিয়ে দেওয়া এক ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। একারণে মানুষ কষ্ট পাবে, মানুষ মারা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উখিয়ার ২০ নম্বর ক্যাম্প এক্সটেনশনে এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার অনুষ্ঠানে রমজান সংহতি সফর উপলক্ষে রোহিঙ্গাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা এক গভীর মানবিক সংকটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি। তহবিল সংকটের কারণে ২০২৫ সালে শুধুমাত্র ২০২৪ সালের তুলনায় ৪০% সহায়তা পাওয়া যাবে। এটি হবে এক ভয়াবহ বিপর্যয় – মানুষ কষ্ট পাবে, মানুষ মারা যাবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অবশ্যই এখনই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এই সংকটে যারা সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।

এসময় তিনি আরও বলেন, এমনিতেই শরণার্থীদের জন্য সহায়তা যথেষ্ট ছিল না, আর এখন আমরা ভয়াবহ বাজেট সংকটের মুখে। জাতিসংঘের সংস্থাগুলো ও বিভিন্ন মানবিক ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো মারাত্মক তহবিল সংকটের সম্মুখীন। এটি সরাসরি মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা ও মৌলিক সেবার উপর প্রভাব ফেলবে। এই ক্যাম্পের প্রতিটি শরণার্থী মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।কক্সবাজার বাজেট সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এখানে তহবিল সংকোচন মানেই মানুষের দুর্ভোগ ও মৃত্যু।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, চূড়ান্ত সমাধান অবশ্যই মিয়ানমারেই খুঁজতে হবে।আমরা কখনও হাল ছাড়বো না যতদিন না রোহিঙ্গারা নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলকভাবে তাদের জন্মভূমিতে ফিরে যেতে পারে। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব গ্রহণের সময়। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি সংহতি এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন – ঠিক যেমন প্রয়োজন বাংলাদেশের প্রতি সংহতি।

এদিকে আগামী বছর ঈদ যেন রোহিঙ্গারা নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে উদযাপন করতে পারে সেজন্য জাতিসংঘের সঙ্গে মিলে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার শেষে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উপস্থিতিতে তিনি এ কথা বলেন। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ইউনূস চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বক্তব্য রাখেন।