ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড চাঁদের পাশে জ্বলজ্বলে শুক্র, কক্সবাজারের আকাশে মনকাড়া মহাজাগতিক দৃশ্য টেকনাফের ক্রীড়াঙ্গনে শৃংখলা ফেরাতে ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত : যে কোনো ক্রীড়া আয়োজনে নিতে হবে অনুমতি পা হারানো রায়হানের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দেওয়া হবে ভাতা-ট্রাইসাইকেল সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান : হত্যা ও চুরির আসামিসহ গ্রেপ্তার ১১ উখিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় রোহিঙ্গা শিশু নিহত, গাড়ি ও চালক আটক হোয়াইক্যংয়ে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি বাবুল মিয়া গ্রেফতার টেকনাফের সীমান্ত এলাকা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার গোলরক্ষক সাঈদীর উপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে পেকুয়ায় মানববন্ধন কক্সবাজারে ‘ইউবিইএসটি’ নামে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নির্দেশ ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু: উখিয়ার সেই আলোচিত ঘটনায় তিন আসামি কারাগারে পালংখালীতে মাদক কারবারী রুবেলের গুলিবর্ষণ টেকনাফে অপহৃত কিশোর উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো পাচারকারিদের ২০ আস্তানা সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলো আপিল বিভাগ তীব্র গরমে দেশজুড়ে লোডশেডিং, সংকট আরও বাড়ার শঙ্কা

রবিবার থেকে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় দেয়া হবে হামের টিকা

আগামীকাল রোববার থেকে কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কার্যক্রম। তবে কক্সবাজার জেলায় প্রথম ধাপে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ১৮টি জেলায় এই কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রবিবার সকাল ৯টা থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। চিহ্নিত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ কোথায়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় আমরা প্রাথমিকভাবে এই টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। প্রথম পর্যায়ে ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কার্যক্রম শুরু হলেও ধীরে ধীরে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। ঈদুল আজহার আগেই পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা আছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা প্রথমে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সীদের টিকা দিচ্ছি। যেসব শিশুর জ্বর আছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এই সময় টিকা দেওয়া হবে না। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেবে। হাম আক্রান্ত বা সন্দেহজনক সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে এবং দ্রুত সুস্থতায় সহায়তা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

১৮ জেলার ৩০ উপজেলা হচ্ছে– কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, বরগুনা সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, ঢাকার নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, যশোর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

দেশে হামের সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৫৬টি জেলায়। কিছু এলাকা সংক্রমণের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রাঙামাটি, বাগেরহাট, মেহেরপুর, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, পঞ্চগড় ও বান্দারবান– এই ৮ জেলায় হাম ধরা পড়েনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

রবিবার থেকে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় দেয়া হবে হামের টিকা

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আগামীকাল রোববার থেকে কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কার্যক্রম। তবে কক্সবাজার জেলায় প্রথম ধাপে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ১৮টি জেলায় এই কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রবিবার সকাল ৯টা থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। চিহ্নিত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ কোথায়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় আমরা প্রাথমিকভাবে এই টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। প্রথম পর্যায়ে ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কার্যক্রম শুরু হলেও ধীরে ধীরে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। ঈদুল আজহার আগেই পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা আছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা প্রথমে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সীদের টিকা দিচ্ছি। যেসব শিশুর জ্বর আছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এই সময় টিকা দেওয়া হবে না। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেবে। হাম আক্রান্ত বা সন্দেহজনক সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে এবং দ্রুত সুস্থতায় সহায়তা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

১৮ জেলার ৩০ উপজেলা হচ্ছে– কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, বরগুনা সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, ঢাকার নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, যশোর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

দেশে হামের সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৫৬টি জেলায়। কিছু এলাকা সংক্রমণের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রাঙামাটি, বাগেরহাট, মেহেরপুর, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, পঞ্চগড় ও বান্দারবান– এই ৮ জেলায় হাম ধরা পড়েনি।