ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় গোলাগুলি ও চাঞ্চল্যকর হামলার মূলহোতা বশর গ্রেপ্তার সদর হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড পরিদর্শনে এমপি কাজল -টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন নয়,কাযর্ক্রম শুরুর নির্দেশনা খরুলিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরল দুই প্রাণ, সংকটাপন্ন আরেকজন রবিবার থেকে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় দেয়া হবে হামের টিকা ঈদগাঁওয়ে হকার অপহরণ, ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হাম আতঙ্ক: শিশু ওয়ার্ডেই বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি, ৪ শিশুর মৃত্যু ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারাল ৯৪ শিশু বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক আজ ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত সিদরাতুলের জন্য ২০ হাজার টাকা পাঠালেন আমেরিকা প্রবাসী লেবু চৌধুরী সেন্টমার্টিনের আকাশে ড্রোন, কনটেন্ট নির্মাতাদের নাকি অন্য উৎসের! টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, চাঙ্গা পর্যটন খাত পেকুয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি থেকে অবৈধ দালান উচ্ছেদ সেন্টমার্টিনে পর্যটক গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

রবিবার থেকে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় দেয়া হবে হামের টিকা

আগামীকাল রোববার থেকে কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কার্যক্রম। তবে কক্সবাজার জেলায় প্রথম ধাপে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ১৮টি জেলায় এই কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রবিবার সকাল ৯টা থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। চিহ্নিত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ কোথায়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় আমরা প্রাথমিকভাবে এই টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। প্রথম পর্যায়ে ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কার্যক্রম শুরু হলেও ধীরে ধীরে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। ঈদুল আজহার আগেই পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা আছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা প্রথমে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সীদের টিকা দিচ্ছি। যেসব শিশুর জ্বর আছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এই সময় টিকা দেওয়া হবে না। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেবে। হাম আক্রান্ত বা সন্দেহজনক সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে এবং দ্রুত সুস্থতায় সহায়তা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

১৮ জেলার ৩০ উপজেলা হচ্ছে– কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, বরগুনা সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, ঢাকার নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, যশোর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

দেশে হামের সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৫৬টি জেলায়। কিছু এলাকা সংক্রমণের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রাঙামাটি, বাগেরহাট, মেহেরপুর, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, পঞ্চগড় ও বান্দারবান– এই ৮ জেলায় হাম ধরা পড়েনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় গোলাগুলি ও চাঞ্চল্যকর হামলার মূলহোতা বশর গ্রেপ্তার

রবিবার থেকে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় দেয়া হবে হামের টিকা

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আগামীকাল রোববার থেকে কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কার্যক্রম। তবে কক্সবাজার জেলায় প্রথম ধাপে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ১৮টি জেলায় এই কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রবিবার সকাল ৯টা থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। চিহ্নিত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ কোথায়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় আমরা প্রাথমিকভাবে এই টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। প্রথম পর্যায়ে ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কার্যক্রম শুরু হলেও ধীরে ধীরে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। ঈদুল আজহার আগেই পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা আছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা প্রথমে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সীদের টিকা দিচ্ছি। যেসব শিশুর জ্বর আছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এই সময় টিকা দেওয়া হবে না। তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেবে। হাম আক্রান্ত বা সন্দেহজনক সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে এবং দ্রুত সুস্থতায় সহায়তা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

১৮ জেলার ৩০ উপজেলা হচ্ছে– কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, বরগুনা সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, ঢাকার নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, যশোর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

দেশে হামের সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৫৬টি জেলায়। কিছু এলাকা সংক্রমণের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রাঙামাটি, বাগেরহাট, মেহেরপুর, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, পঞ্চগড় ও বান্দারবান– এই ৮ জেলায় হাম ধরা পড়েনি।