ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সাবেক এডিসি আশরাফুল আফসারের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডেঙ্গুর প্রকোপ : ৯ মাসে আক্রান্ত ২ হাজার ৮৮২ জন, ১০ জনের মৃত্যু পেকুয়ায় ছয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের বিরোধে চকরিয়ার ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা-পুলিশ : আরো ২ ঘাতক আটক জলদস্যু প্রতিরোধে বঙ্গোপসাগরে কোস্ট গার্ডের অভিযান জোরদার ভোক্তা-অধিকারের অভিযান: চকরিয়ায় ৬ প্রতিষ্ঠানকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা টেকনাফে জাল কাগজপত্রে ভোটার হওয়ার আবেদন, যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড টেকনাফে এসআরবির অভিযান ৫ লক্ষ ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ একজন আদর্শ শিক্ষক কেমন হওয়া উচিত? ছোলামুড়ি বিক্রির আড়ালে মাদক কারবার, ইয়াবাসহ আটক করলো পুলিশ কবি অমিত চৌধুরীর নাগরিক শোক সভা ৩১ অক্টোবর থানচিতে চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৫ লামায় ১৩ ইটভাটাকে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা টেকনাফে বিজিবি ও এসআরবি’র যৌথ অভিযান: ৩ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, চাঙ্গা পর্যটন খাত

সাপ্তাহিক ছুটি ও ইস্টার সানডে উপলক্ষে টানা তিন দিনের ছুটিতে দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নেমেছে পর্যটকদের ঢল। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্ট জুড়ে ছিল উপচে পড়া ভিড়। এছাড়া মেরিন ড্রাইভের দরিয়ানগর, হিমছড়ি, সোনারপাড়া, ইনানী, পাটুয়ারটেক সৈকতেও পর্যটকের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) ছুটির সুযোগে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে হাজার হাজার পর্যটক সমুদ্র সৈকতে ভিড় করেন। সৈকতের বালুচরজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণায় মুখর ছিল পুরো এলাকা।

পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ভালো ব্যবসা হওয়ায় খুশি।

হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, “ঈদ, সাপ্তাহিক ছুটি এবং স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে লাখ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটে। এতে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা হয়। কয়েকদিনের বিরতির পর আবারও পর্যটকদের আগমনে ব্যবসা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।”

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক রাকিব হাসান বলেন, “টানা ছুটি পেয়ে পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করছি, তবে ভিড় একটু বেশি।”

চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক সুমাইয়া আক্তার বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে কক্সবাজারে এসেছি। সমুদ্র, সূর্যাস্ত সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা দারুণ।”

পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষনিক দায়িত্বপালন করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পানিতে নেমে দুর্ঘটনা রোধে লাইফগার্ড সদস্যরা।

সি সেইফ লাইফগার্ডের সুপারভাইজার মোহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, আজকে থেকে পর্যটকের ঢল আবারও বেড়েছে। তাদের পানিতে নেমে দুর্ঘটনা রোধে আমরা কলাতলী সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে কাজ করে লাইফগার্ড সদস্যরা। এই তিনটি পয়েন্টে ২৭ জন লাইফগার্ড সদস্য কাজ করে থাকে।

লাইফগার্ডদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত তিনটি পয়েন্টে নির্দিষ্ট গোসলের স্থান চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে, যেখানে লাইফগার্ড সেবা রয়েছে। এসব এলাকায় লাল-হলুদ পতাকা অথবা লাল পতাকা দিয়ে সীমা চিহ্নিত করা হয়েছে। চিহ্নিত এলাকার বাইরে গোসলে নামা বিপজ্জনক হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, টানা ছুটির কারণে পর্যটকদের এই ভিড় কক্সবাজারের পর্যটন খাতকে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য এনে দিয়েছে।

ট্যাগ :

কক্সবাজারে সাবেক এডিসি আশরাফুল আফসারের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, চাঙ্গা পর্যটন খাত

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

সাপ্তাহিক ছুটি ও ইস্টার সানডে উপলক্ষে টানা তিন দিনের ছুটিতে দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নেমেছে পর্যটকদের ঢল। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্ট জুড়ে ছিল উপচে পড়া ভিড়। এছাড়া মেরিন ড্রাইভের দরিয়ানগর, হিমছড়ি, সোনারপাড়া, ইনানী, পাটুয়ারটেক সৈকতেও পর্যটকের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) ছুটির সুযোগে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে হাজার হাজার পর্যটক সমুদ্র সৈকতে ভিড় করেন। সৈকতের বালুচরজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণায় মুখর ছিল পুরো এলাকা।

পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ভালো ব্যবসা হওয়ায় খুশি।

হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, “ঈদ, সাপ্তাহিক ছুটি এবং স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে লাখ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটে। এতে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা হয়। কয়েকদিনের বিরতির পর আবারও পর্যটকদের আগমনে ব্যবসা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।”

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক রাকিব হাসান বলেন, “টানা ছুটি পেয়ে পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করছি, তবে ভিড় একটু বেশি।”

চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক সুমাইয়া আক্তার বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে কক্সবাজারে এসেছি। সমুদ্র, সূর্যাস্ত সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা দারুণ।”

পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষনিক দায়িত্বপালন করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পানিতে নেমে দুর্ঘটনা রোধে লাইফগার্ড সদস্যরা।

সি সেইফ লাইফগার্ডের সুপারভাইজার মোহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, আজকে থেকে পর্যটকের ঢল আবারও বেড়েছে। তাদের পানিতে নেমে দুর্ঘটনা রোধে আমরা কলাতলী সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে কাজ করে লাইফগার্ড সদস্যরা। এই তিনটি পয়েন্টে ২৭ জন লাইফগার্ড সদস্য কাজ করে থাকে।

লাইফগার্ডদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত তিনটি পয়েন্টে নির্দিষ্ট গোসলের স্থান চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে, যেখানে লাইফগার্ড সেবা রয়েছে। এসব এলাকায় লাল-হলুদ পতাকা অথবা লাল পতাকা দিয়ে সীমা চিহ্নিত করা হয়েছে। চিহ্নিত এলাকার বাইরে গোসলে নামা বিপজ্জনক হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, টানা ছুটির কারণে পর্যটকদের এই ভিড় কক্সবাজারের পর্যটন খাতকে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য এনে দিয়েছে।