ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারের আকাশে ‘ব্লাড মুন’ কক্সবাজারে এ বছরের সর্বনিম্ন ফিতরা ৯৫ টাকা, সর্বোচ্চ ২৪৭৫ টাকা এনসিপির আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আবু তাহেরের পরিবারকে ১ লক্ষ টাকার সহায়তা দিলেন এমপি কাজল অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিরুকে হয়রানির প্রচেষ্টা ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তার: ক্র্যাকের নিন্দা কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা ​ঢাবিতে ‘ডুসাট’-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাহরির সময় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা ‘ডিজিটাল ডিভাইসে’ নকল প্রতিরোধে আইন হবে: শিক্ষামন্ত্রী ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের মুগ্ধতার লড়াই টেকনাফে অর্ধ লক্ষ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার অভিনন্দন সংবলিত বিলবোর্ড-ব্যানার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টিটিএনে প্রচারিত ভিডিও প্রসঙ্গে আজম সরকারের বিবৃতি

মাদকাসক্ত ব্যক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব: চিকিৎসা চলবে ‘নোঙরে’

মাদকাসক্তি কেবল একজন ব্যক্তির জীবন নয়, বরং তার পরিবার, সমাজ ও আশেপাশের মানুষকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে একজন রোগীর জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র বা রিহ্যাব একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ কারণে কক্সবাজারে মাদকাসক্ত এক ব্যাক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব-১৫।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে কেবল আইন প্রয়োগের সীমায় নয়, বরং সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতার পর্যায়ে উন্নীত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে (নোঙর) এক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ভর্তি করানো হয়। যার আর্থিক দায়ভার গ্রহণ করেছে র‍্যাব-১৫।

সূত্র জানায়- গত ৫ নভেম্বর উখিয়ার পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে র‍্যাব-১৫ এর আয়োজনে “মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সভা” অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান বলেন— “যারাই মাদকের বিরুদ্ধে লড়বে, তারাই হবে মাদকযোদ্ধা।” তিনি আরও ঘোষণা দেন- কেউ যদি আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে মাদকাসক্ত কাউকে পুনর্বাসন করতে না পারেন, তাহলে র‍্যাব-১৫ তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।

র‍্যাব-১৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানের সেই মানবিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নও ঘটল। “নোঙর” নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হওয়া মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যয়ের এককালীন সহায়তা তুলে দেন তিনি। সহায়তা গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এ সময় তিনি বলেন, “ র‍্যাব শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, এটি একটি মানবিক সংগঠন। আমরা চাই মাদকাসক্তরা সমাজে ফিরুক, পরিবারে ফিরুক, এবং নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখুক।”

তিনি আরও জানান, র‍্যাব-১৫ মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি, পুনর্বাসন সহায়তা, এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের আকাশে ‘ব্লাড মুন’

মাদকাসক্ত ব্যক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব: চিকিৎসা চলবে ‘নোঙরে’

আপডেট সময় : ০৭:৫১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

মাদকাসক্তি কেবল একজন ব্যক্তির জীবন নয়, বরং তার পরিবার, সমাজ ও আশেপাশের মানুষকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে একজন রোগীর জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র বা রিহ্যাব একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ কারণে কক্সবাজারে মাদকাসক্ত এক ব্যাক্তির পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলো র‍্যাব-১৫।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে কেবল আইন প্রয়োগের সীমায় নয়, বরং সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতার পর্যায়ে উন্নীত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে (নোঙর) এক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ভর্তি করানো হয়। যার আর্থিক দায়ভার গ্রহণ করেছে র‍্যাব-১৫।

সূত্র জানায়- গত ৫ নভেম্বর উখিয়ার পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে র‍্যাব-১৫ এর আয়োজনে “মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সভা” অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান বলেন— “যারাই মাদকের বিরুদ্ধে লড়বে, তারাই হবে মাদকযোদ্ধা।” তিনি আরও ঘোষণা দেন- কেউ যদি আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে মাদকাসক্ত কাউকে পুনর্বাসন করতে না পারেন, তাহলে র‍্যাব-১৫ তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।

র‍্যাব-১৫ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানের সেই মানবিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নও ঘটল। “নোঙর” নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হওয়া মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যয়ের এককালীন সহায়তা তুলে দেন তিনি। সহায়তা গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এ সময় তিনি বলেন, “ র‍্যাব শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, এটি একটি মানবিক সংগঠন। আমরা চাই মাদকাসক্তরা সমাজে ফিরুক, পরিবারে ফিরুক, এবং নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখুক।”

তিনি আরও জানান, র‍্যাব-১৫ মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি, পুনর্বাসন সহায়তা, এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।