ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তথ্য মহাসড়কে বাংলাদেশের ২০ বছরের গৌরবযাত্রা: কক্সবাজার থেকে শুরু হয়েছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের বৈশ্বিক সংযোগ নেইমারের বিশ্বকাপ আক্ষেপ—২০২৬ কি হবে শেষ স্বপ্নপূরণের মঞ্চ? ডিএনএ রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট: আইনমন্ত্রী স্পোর্টস ও ইভি গাড়ি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী মাতামুহুরী উপজেলার প্রথম ইউএনও শাহীন দেলোয়ার সীমান্তে বিজিবির বাধার মুখে বিএসএফ, পিছু হটতে বাধ্য হলো ভারতীয় বাহিনী ফোর্টিফাই রাইটসের বিবৃতি – আরসা প্রধান আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দাবি কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হা’ম’লা চকরিয়ায় বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত কুকুরের নৈপুণ্যে টায়ারের ভেতর মিলল ইয়াবা চকরিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধ বাবার প্যাসিফিক বীচ রিসোর্টে আগুনে পুড়ে ছাই ৩ কটেজ, ক্ষতি ৭০ লাখ টাকা খেলাঘরের মানববন্ধন :শিশুর ধর্ষক ও হত্যাকারীদের দ্রুত এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া

জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করলো সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী

২ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য গৌরবের দিন—জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন প্রাঙ্গণে প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়। সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝে সোনালি মানচিত্রখচিত সেই পতাকা উত্তোলন করেন তৎকালীন ডাকসুর সহসভাপতি আ স ম আবদুর রব। ইতিহাসের এই মুহূর্তটি স্বাধীনতার সংগ্রামকে সুসংগঠিত রূপ দেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

ঐতিহাসিক এই দিনটি যথাযোগ্য শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে স্মরণ করেছে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী, কক্সবাজার জেলা সংসদ। সোমবার (২ মার্চ) বিকাল ৪টায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সূচনা হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর দেশাত্মবোধক নৃত্য পরিবেশন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি মো. খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মনির মোবারকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন এবং ২ মার্চ কলাভবন প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতার আন্দোলন সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা লাভ করে। সবুজ-লাল সেই পতাকা ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আত্মত্যাগ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ইতিহাসের এ ধরনের মাইলফলক একটি জাতির আত্মপরিচয় নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, ঐক্য ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশবরেণ্য নৃত্য প্রশিক্ষক এম. আর. ওয়াসেক, কবি আসিফ নুর, জেলা খেলাঘরের সভাপতি সুবিমল পাল পান্না,  সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর নৃত্য প্রশিক্ষক হারুনুর রশীদ লিটন, সৈকত বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা গোপা সেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির নৃত্য প্রশিক্ষক অদিতি বড়ুয়া, ইনস্টিটিউট অব মিউজিক রামুর নৃত্য পরিচালক জয়শ্রী বড়ুয়া, নৃত্য প্রশিক্ষক জয়ন্ত চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক সুব্রত মল্লিক, অর্থ সম্পাদক মো. আয়াত উল্লাহ এবং সদস্য জাওয়াদ বাশার অনন্ত, সুস্মিতা পাল তমা, ঋতু তালুকদার, উপমা দে, আয়ুশী দেব, জয়ন্তী দাশসহ অন্যান্যরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তথ্য মহাসড়কে বাংলাদেশের ২০ বছরের গৌরবযাত্রা: কক্সবাজার থেকে শুরু হয়েছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের বৈশ্বিক সংযোগ

জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করলো সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী

আপডেট সময় : ১২:৫৪:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

২ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য গৌরবের দিন—জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন প্রাঙ্গণে প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়। সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝে সোনালি মানচিত্রখচিত সেই পতাকা উত্তোলন করেন তৎকালীন ডাকসুর সহসভাপতি আ স ম আবদুর রব। ইতিহাসের এই মুহূর্তটি স্বাধীনতার সংগ্রামকে সুসংগঠিত রূপ দেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

ঐতিহাসিক এই দিনটি যথাযোগ্য শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে স্মরণ করেছে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী, কক্সবাজার জেলা সংসদ। সোমবার (২ মার্চ) বিকাল ৪টায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সূচনা হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর দেশাত্মবোধক নৃত্য পরিবেশন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি মো. খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মনির মোবারকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন এবং ২ মার্চ কলাভবন প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতার আন্দোলন সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা লাভ করে। সবুজ-লাল সেই পতাকা ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আত্মত্যাগ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ইতিহাসের এ ধরনের মাইলফলক একটি জাতির আত্মপরিচয় নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, ঐক্য ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশবরেণ্য নৃত্য প্রশিক্ষক এম. আর. ওয়াসেক, কবি আসিফ নুর, জেলা খেলাঘরের সভাপতি সুবিমল পাল পান্না,  সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর নৃত্য প্রশিক্ষক হারুনুর রশীদ লিটন, সৈকত বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা গোপা সেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির নৃত্য প্রশিক্ষক অদিতি বড়ুয়া, ইনস্টিটিউট অব মিউজিক রামুর নৃত্য পরিচালক জয়শ্রী বড়ুয়া, নৃত্য প্রশিক্ষক জয়ন্ত চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক সুব্রত মল্লিক, অর্থ সম্পাদক মো. আয়াত উল্লাহ এবং সদস্য জাওয়াদ বাশার অনন্ত, সুস্মিতা পাল তমা, ঋতু তালুকদার, উপমা দে, আয়ুশী দেব, জয়ন্তী দাশসহ অন্যান্যরা।