ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারচুপির অভিযোগে হামিদুর রহমানের মামলা: কক্সবাজার-২ আসনের নির্বাচনী নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে তাহসানের চুক্তি নবায়ন ঈদগড়ের ইউপি সদস্য অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি চকরিয়ায় বেড়িবাঁধ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার অভাব ও অন্ধকার ভবিষ্যৎ রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ঠেলে দিচ্ছে ‘ভাগ্যের জুয়ায়’ টেকনাফের হ্নীলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে ছাই ১০-১২টি বসতবাড়ি কক্সবাজার শহরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ সাত বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় ১৮ কেজি গাঁজা স্ত্রীর পাতা ফাঁদে অপহরণ, অপহৃতদের হাতে প্রাণ গেল তিন অপহরণকারীর কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজে উশো-কারাতে ক্লাবের উদ্বোধন প্রফেসর আখতার বাদী: কক্সবাজারের দুই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে মামলা জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি টেকনাফের গহীন পাহাড়ে তিন যুবক খু*ন

মায়ের পর বাবার জানাজায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দুই ভাই : নিজেদের নির্দোষ দাবি

  • ​আনিস নাঈম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 553

মায়ের কবরের মাটি এখনো শুকায়নি, এরই মধ্যে বিদায় নিলেন বাবাও। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে মা-বাবাকে হারিয়ে দিশেহারা দুই সহোদর ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসলাম।

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে। কারাগারে বন্দি থাকায় দুই ভাইকেই প্যারোলে মুক্তি নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় অংশ নিতে হয়েছে বাবার জানাজায়। মাত্র ৩ দিন আগে কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে মায়ের জানাজায় এসেছিলেন তারা। মায়ের জানাজায় বাবাকে নিয়ে শংকার কথা বলে দোয়াও চেয়েছিলেন দুই ভাই।

​গত ২১শে ফেব্রুয়ারি কারাগারে বন্দি ফরিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইসলামের মা মোস্তফা বেগম ইন্তেকাল করেন। সেদিন কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতে হাতকড়া এবং রশিতে বাঁধা অবস্থায় মায়ের খাটিয়া কাঁধে নিয়েছিলেন ফরিদুল ও ইসলাম। ঠিক তিন দিনের মাথায় ২৫শে ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাবা নুর আহমদও পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।

​ বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বাবার জানাজায় অংশ নিতে দ্বিতীয়বারের মতো প্যারোলে মুক্তি পান দুই ভাই।

এবার কোমরে দড়ি না থাকলেও হাতে ছিল সেই চিরচেনা হাতকড়া। জানাজার আগে সমবেতদের উদ্দেশ্যে ফরিদুল ও ইসলাম কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন:
​”আমরা প্রতিহিংসার শিকার। মৃত বাবা-মায়ের নামে শপথ করে বলছি, আমরা নির্দোষ”।

​স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ফরিদুল ও ইসলাম গত আড়াই মাস ধরে কারাগারে আছেন। প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তারা আটক হন। সেই মামলায় জামিন পেলেও নতুন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, ​তারা এলাকায় শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে পরিচিত। ​রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বারবার হয়রানি করা হচ্ছে।
​সন্তান হয়েও বাবা-মায়ের শেষ সেবাটুকু করতে না পারলো না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কারচুপির অভিযোগে হামিদুর রহমানের মামলা: কক্সবাজার-২ আসনের নির্বাচনী নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ

মায়ের পর বাবার জানাজায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দুই ভাই : নিজেদের নির্দোষ দাবি

আপডেট সময় : ০১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মায়ের কবরের মাটি এখনো শুকায়নি, এরই মধ্যে বিদায় নিলেন বাবাও। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে মা-বাবাকে হারিয়ে দিশেহারা দুই সহোদর ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসলাম।

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে। কারাগারে বন্দি থাকায় দুই ভাইকেই প্যারোলে মুক্তি নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় অংশ নিতে হয়েছে বাবার জানাজায়। মাত্র ৩ দিন আগে কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে মায়ের জানাজায় এসেছিলেন তারা। মায়ের জানাজায় বাবাকে নিয়ে শংকার কথা বলে দোয়াও চেয়েছিলেন দুই ভাই।

​গত ২১শে ফেব্রুয়ারি কারাগারে বন্দি ফরিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইসলামের মা মোস্তফা বেগম ইন্তেকাল করেন। সেদিন কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতে হাতকড়া এবং রশিতে বাঁধা অবস্থায় মায়ের খাটিয়া কাঁধে নিয়েছিলেন ফরিদুল ও ইসলাম। ঠিক তিন দিনের মাথায় ২৫শে ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাবা নুর আহমদও পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।

​ বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বাবার জানাজায় অংশ নিতে দ্বিতীয়বারের মতো প্যারোলে মুক্তি পান দুই ভাই।

এবার কোমরে দড়ি না থাকলেও হাতে ছিল সেই চিরচেনা হাতকড়া। জানাজার আগে সমবেতদের উদ্দেশ্যে ফরিদুল ও ইসলাম কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন:
​”আমরা প্রতিহিংসার শিকার। মৃত বাবা-মায়ের নামে শপথ করে বলছি, আমরা নির্দোষ”।

​স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ফরিদুল ও ইসলাম গত আড়াই মাস ধরে কারাগারে আছেন। প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তারা আটক হন। সেই মামলায় জামিন পেলেও নতুন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, ​তারা এলাকায় শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে পরিচিত। ​রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বারবার হয়রানি করা হচ্ছে।
​সন্তান হয়েও বাবা-মায়ের শেষ সেবাটুকু করতে না পারলো না।