ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি উজানটিয়া বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বসানো হচ্ছে জিও ব্যাগ, এলাকাজুড়ে স্বস্তি সভাপতির ‘না’,সেক্রেটারির ‘হ্যাঁ’ : মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল আয়োজন নিয়ে আইনজীবী সমিতির বিতর্ক কক্সবাজার সৈকতে স্থাপনা নির্মাণ: ডিসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা কক্সবাজারে জমি রেজিস্ট্রেশনে ডিসির অনুমতি বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর চিঠি উখিয়ার বরেণ্য আলেম আলিম উদ্দিন পীরের জানাযা সম্পন্ন চিরকুট পাঠালেই পুলিশ পৌঁছাবে ঠিকানায়: উখিয়ায় অপরাধ দমনে নতুন উদ্যোগ পুলিশী হেফাজতে থাকা সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরী অসুস্থ : চমেকে প্রেরণ টেকনাফের বাহারছড়ায় ৫০ লিটার দেশীয় মদসহ আটক ১ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত নারী এশিয়া কাপ : রাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

মায়ের পর বাবার জানাজায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দুই ভাই : নিজেদের নির্দোষ দাবি

  • ​আনিস নাঈম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 612

মায়ের কবরের মাটি এখনো শুকায়নি, এরই মধ্যে বিদায় নিলেন বাবাও। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে মা-বাবাকে হারিয়ে দিশেহারা দুই সহোদর ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসলাম।

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে। কারাগারে বন্দি থাকায় দুই ভাইকেই প্যারোলে মুক্তি নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় অংশ নিতে হয়েছে বাবার জানাজায়। মাত্র ৩ দিন আগে কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে মায়ের জানাজায় এসেছিলেন তারা। মায়ের জানাজায় বাবাকে নিয়ে শংকার কথা বলে দোয়াও চেয়েছিলেন দুই ভাই।

​গত ২১শে ফেব্রুয়ারি কারাগারে বন্দি ফরিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইসলামের মা মোস্তফা বেগম ইন্তেকাল করেন। সেদিন কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতে হাতকড়া এবং রশিতে বাঁধা অবস্থায় মায়ের খাটিয়া কাঁধে নিয়েছিলেন ফরিদুল ও ইসলাম। ঠিক তিন দিনের মাথায় ২৫শে ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাবা নুর আহমদও পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।

​ বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বাবার জানাজায় অংশ নিতে দ্বিতীয়বারের মতো প্যারোলে মুক্তি পান দুই ভাই।

এবার কোমরে দড়ি না থাকলেও হাতে ছিল সেই চিরচেনা হাতকড়া। জানাজার আগে সমবেতদের উদ্দেশ্যে ফরিদুল ও ইসলাম কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন:
​”আমরা প্রতিহিংসার শিকার। মৃত বাবা-মায়ের নামে শপথ করে বলছি, আমরা নির্দোষ”।

​স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ফরিদুল ও ইসলাম গত আড়াই মাস ধরে কারাগারে আছেন। প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তারা আটক হন। সেই মামলায় জামিন পেলেও নতুন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, ​তারা এলাকায় শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে পরিচিত। ​রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বারবার হয়রানি করা হচ্ছে।
​সন্তান হয়েও বাবা-মায়ের শেষ সেবাটুকু করতে না পারলো না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া

মায়ের পর বাবার জানাজায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দুই ভাই : নিজেদের নির্দোষ দাবি

আপডেট সময় : ০১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মায়ের কবরের মাটি এখনো শুকায়নি, এরই মধ্যে বিদায় নিলেন বাবাও। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে মা-বাবাকে হারিয়ে দিশেহারা দুই সহোদর ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসলাম।

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে। কারাগারে বন্দি থাকায় দুই ভাইকেই প্যারোলে মুক্তি নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় অংশ নিতে হয়েছে বাবার জানাজায়। মাত্র ৩ দিন আগে কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে মায়ের জানাজায় এসেছিলেন তারা। মায়ের জানাজায় বাবাকে নিয়ে শংকার কথা বলে দোয়াও চেয়েছিলেন দুই ভাই।

​গত ২১শে ফেব্রুয়ারি কারাগারে বন্দি ফরিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইসলামের মা মোস্তফা বেগম ইন্তেকাল করেন। সেদিন কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতে হাতকড়া এবং রশিতে বাঁধা অবস্থায় মায়ের খাটিয়া কাঁধে নিয়েছিলেন ফরিদুল ও ইসলাম। ঠিক তিন দিনের মাথায় ২৫শে ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাবা নুর আহমদও পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।

​ বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বাবার জানাজায় অংশ নিতে দ্বিতীয়বারের মতো প্যারোলে মুক্তি পান দুই ভাই।

এবার কোমরে দড়ি না থাকলেও হাতে ছিল সেই চিরচেনা হাতকড়া। জানাজার আগে সমবেতদের উদ্দেশ্যে ফরিদুল ও ইসলাম কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন:
​”আমরা প্রতিহিংসার শিকার। মৃত বাবা-মায়ের নামে শপথ করে বলছি, আমরা নির্দোষ”।

​স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ফরিদুল ও ইসলাম গত আড়াই মাস ধরে কারাগারে আছেন। প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তারা আটক হন। সেই মামলায় জামিন পেলেও নতুন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, ​তারা এলাকায় শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে পরিচিত। ​রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বারবার হয়রানি করা হচ্ছে।
​সন্তান হয়েও বাবা-মায়ের শেষ সেবাটুকু করতে না পারলো না।