ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – বিএনপি দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করে শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী, পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র প্রদান স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী মালুমঘাটে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের জন্য আমার নেতার বৃহত্তর মাস্টার প্ল্যান আছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে পিএমখালীতে যান প্রধানমন্ত্রী, পাশে বসান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘করবো কাজ, গড়ব দেশ’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোদাল দিয়ে মাটি কেটে পাতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার কক্সবাজারে পৌঁছেছেন তারেক রহমান, দিনব্যাপী অংশ নেবেন ১১ কর্মসূচিতে  কক্সবাজারের পথে সপরিবারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি

বাড়িতে ডেকে সংগঠনের আহ্বায়ককে হত্যার অভিযোগ সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে: পুলিশ বলছে লেনদেন

  • নোমান অরুপ:
  • আপডেট সময় : ০৫:১২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • 2822

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. ইউনুছকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সদস্য সচিব মোঃ আলমের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙিখালী এলাকার এইচ. কে. আনোয়ার প্রজেক্ট সংলগ্ন প্রধান সড়কের একটি ব্রীজের নিচ থেকে তার ম’র’দে’হ উদ্ধার করে পুলিশ।

​নিহতের ছেলে ফারদিন জানান, সকালে তাঁর বাবা বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাবরাংয়ের চান্দলি পাড়ায় আড্ডা দেন। সেখান থেকে তিনি মাকে ফোন করে জানান যে, তিনি হ্নীলা যাচ্ছেন। রাত দশটা নাগাদ তিনি আবার ফোন করে বলেন যে, তার আসতে দেরি হবে। ঠিক পাঁচ মিনিট পরই তিনি পুনরায় ফোন করে প্রশাসনকে নিয়ে আসতে বলেন, কারণ তাকে সেখানে আটক করে রাখা হয়েছে।

​ফারদিন আরও বলেন, “হত্যাকারী আমার বাবার দলেরই আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সদস্য সচিব মোঃ আলম, তিনি আলমের বাড়িতে গিয়ে দেখেন সেটি তালাবদ্ধ। পুলিশ ঘটনাস্থলের অর্ধেক পথে যেতেই তারা ৬ রাউন্ড গুলি ছুড়ে, যার ফলে পুলিশ আর এগোয়নি, ফিরে আসে। মা তাদের কাছে অনুরোধ করেছিলেন যেন তার স্বামীকে সে সময়ই দিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু তারা তাকে ফেরত না দিয়ে সকালে দেওয়ার কথা বলে এবং টাকা দাবি করে।

​স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী ইউনুছকে আলমের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।’ ঘটনাটি শোনার পর তিনি হ্নীলা রঙ্গিখাখালী সদস্য সচিবের (মোঃ আলম) বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলতে বলেন। কিন্তু আলম দরজা খুলে না দিয়ে বরং তালা লাগিয়ে দেন। আলম তখন তাকে চলে যেতে বলেন এবং আশ্বাস দেন যে, সকালে ইউনুছকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

নিহত মো. ইউনুছ (৫৫) টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের টেকনাফের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মোহাম্মদ নাজমুন নূর বলেন,প্রাথমিকভাবে পূর্ব শত্রুতা বা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে হত্যাকাড হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – বিএনপি দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করে

বাড়িতে ডেকে সংগঠনের আহ্বায়ককে হত্যার অভিযোগ সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে: পুলিশ বলছে লেনদেন

আপডেট সময় : ০৫:১২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. ইউনুছকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সদস্য সচিব মোঃ আলমের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙিখালী এলাকার এইচ. কে. আনোয়ার প্রজেক্ট সংলগ্ন প্রধান সড়কের একটি ব্রীজের নিচ থেকে তার ম’র’দে’হ উদ্ধার করে পুলিশ।

​নিহতের ছেলে ফারদিন জানান, সকালে তাঁর বাবা বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাবরাংয়ের চান্দলি পাড়ায় আড্ডা দেন। সেখান থেকে তিনি মাকে ফোন করে জানান যে, তিনি হ্নীলা যাচ্ছেন। রাত দশটা নাগাদ তিনি আবার ফোন করে বলেন যে, তার আসতে দেরি হবে। ঠিক পাঁচ মিনিট পরই তিনি পুনরায় ফোন করে প্রশাসনকে নিয়ে আসতে বলেন, কারণ তাকে সেখানে আটক করে রাখা হয়েছে।

​ফারদিন আরও বলেন, “হত্যাকারী আমার বাবার দলেরই আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সদস্য সচিব মোঃ আলম, তিনি আলমের বাড়িতে গিয়ে দেখেন সেটি তালাবদ্ধ। পুলিশ ঘটনাস্থলের অর্ধেক পথে যেতেই তারা ৬ রাউন্ড গুলি ছুড়ে, যার ফলে পুলিশ আর এগোয়নি, ফিরে আসে। মা তাদের কাছে অনুরোধ করেছিলেন যেন তার স্বামীকে সে সময়ই দিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু তারা তাকে ফেরত না দিয়ে সকালে দেওয়ার কথা বলে এবং টাকা দাবি করে।

​স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী ইউনুছকে আলমের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।’ ঘটনাটি শোনার পর তিনি হ্নীলা রঙ্গিখাখালী সদস্য সচিবের (মোঃ আলম) বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলতে বলেন। কিন্তু আলম দরজা খুলে না দিয়ে বরং তালা লাগিয়ে দেন। আলম তখন তাকে চলে যেতে বলেন এবং আশ্বাস দেন যে, সকালে ইউনুছকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

নিহত মো. ইউনুছ (৫৫) টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের টেকনাফের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মোহাম্মদ নাজমুন নূর বলেন,প্রাথমিকভাবে পূর্ব শত্রুতা বা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে হত্যাকাড হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।