ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য, থাকছে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ প্রথমবারের মতো স্থানীয় ভিসি পেল সিবিআইইউ : দায়িত্ব নিলেন ড. মোকতার আহমেদ ২ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম কক্সবাজার বিমানবন্দর: সাগরে বসানো লাইট চুরির ঘটনা কীভাবে ঘটলো? রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি, প্রতিবাদে কক্সবাজারে ‘শতকণ্ঠে রবীন্দ্র-নজরুল’ হ্নীলার রঙ্গিখালী ও বাহারছড়ার বড় ডেইলে সেনা ক্যাম্প নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী খুঁটির উপর ভর করে আছে কালভার্ট, ঝুঁকিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো শামসুল হক ফাউন্ডেশন ব্যাংকে পড়ে আছে ১৭২ কোটি টাকা, জানেন না মালিক ও উত্তরাধিকারীরা! রামুতে সুপার শপে আগুন রামুতে সুপার শপে আগুন ঢাকা-কক্সবাজার রুট: মহানগর এক্সপ্রেসের টিকিট বিক্রি শুরু আজ কক্সবাজারে ৩২৪ মণ্ডপে দুর্গোৎসব শুরু, আজ মহাষষ্ঠী অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে? তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের

বঙ্গোপসাগরে জেলে শাহাদাত হত্যার মূল হোতা ডাকাত সর্দার আরিফ গ্রেপ্তার

বঙ্গোপসাগরের জলদস্যূ সর্দার আরিফকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৫।

২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়া উপকূলে ফিশিং বোটে হামলা ও জেলে শাহাদাত হোসেন খোকন হত্যার প্রধান আসামি আরিফ।

​রবিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে কক্সবাজার পৌরসভা এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরিফ কক্সবাজার পৌরসভার পেশকারপাড়া এলাকার শাহাজাহানের ছেলে।

​র‍্যাব-১৫ জানিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়ার ‘গুলির ধার’ নামক স্থানে ‘এফ.বি. অজুফা আক্তার মানু’ নামক একটি ফিশিং বোটে আরিফের নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালায়। তারা বোটটি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করে এবং নিজেদের বোট দিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে।
​এই নৃশংস হামলায় বোটের কিশোর জেলে শাহাদাত হোসেন খোকন (১৭) ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান। ডাকাত দল ওই বোট থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।

​র‍্যাব জানায়, আরিফ একজন পেশাদার ও দুর্ধর্ষ অপরাধী। তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার, ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত অন্তত ৮টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জিম্মি করে দস্যুতা চালিয়ে আসছিল।

​র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক জানান:
​”কিশোর শাহাদাত হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

​গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাব জানিয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য, থাকছে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’

বঙ্গোপসাগরে জেলে শাহাদাত হত্যার মূল হোতা ডাকাত সর্দার আরিফ গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:২২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

বঙ্গোপসাগরের জলদস্যূ সর্দার আরিফকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৫।

২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়া উপকূলে ফিশিং বোটে হামলা ও জেলে শাহাদাত হোসেন খোকন হত্যার প্রধান আসামি আরিফ।

​রবিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে কক্সবাজার পৌরসভা এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরিফ কক্সবাজার পৌরসভার পেশকারপাড়া এলাকার শাহাজাহানের ছেলে।

​র‍্যাব-১৫ জানিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়ার ‘গুলির ধার’ নামক স্থানে ‘এফ.বি. অজুফা আক্তার মানু’ নামক একটি ফিশিং বোটে আরিফের নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালায়। তারা বোটটি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করে এবং নিজেদের বোট দিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে।
​এই নৃশংস হামলায় বোটের কিশোর জেলে শাহাদাত হোসেন খোকন (১৭) ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান। ডাকাত দল ওই বোট থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।

​র‍্যাব জানায়, আরিফ একজন পেশাদার ও দুর্ধর্ষ অপরাধী। তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার, ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত অন্তত ৮টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জিম্মি করে দস্যুতা চালিয়ে আসছিল।

​র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক জানান:
​”কিশোর শাহাদাত হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

​গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাব জানিয়েছে।