ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হারুন গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা শুরু ৪৯০ এআই ক্যামেরা স্থাপন, মহাসড়কে আইন ভাঙলেই ‘অটো ফাইন’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ ১৮৩ মিমি বৃষ্টিপাত টেকনাফে, বৃষ্টিপাত থাকতে পারে আরো ৫দিন : আবহাওয়া অফিস সৎ ও দক্ষ অফিসারদের আরও বেশি কাজের সুযোগ করে দিতে চাই : প্রধানমন্ত্রী তুরস্ক থেকে পা হারিয়ে ঢাকা বিমানবন্দরে উখিয়ার মরিচ্যার ফরিদ পরিবারকে খুঁজছে অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী মুখস্থনির্ভর শিক্ষা নয়, খেলায় খেলায় শিশুদের শেখাতে হবে : ববি হাজ্জাজ কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার প্রাডো জিপে কক্সবাজার থেকে নিয়ে যাচ্ছিলো ৩ লাখ ইয়াবা : কুমিল্লায় আটক ২ মিয়ানমারের বিবৃতির প্রতিবাদে ইউসিআর -“রোহিঙ্গারা বাঙালি নয়, তারা রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী” শহরের লাইট হাউজ এলাকায় রিসোর্ট দখলের ঘটনায় আল-আমিনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা : আটক ১ লোহাগাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থেকে বেরিয়ে এলো জালনোটের কারবার : জালনোটসহ ‘কারবারি’ শাহ আলম আটক পর্যটন শহর কক্সবাজারের দোকান-শপিংমল রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা রাখার প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের পেকুয়ায় মাদকবিরোধী র‍্যালী ও সমাবেশ

বঙ্গোপসাগরে জেলে শাহাদাত হত্যার মূল হোতা ডাকাত সর্দার আরিফ গ্রেপ্তার

বঙ্গোপসাগরের জলদস্যূ সর্দার আরিফকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৫।

২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়া উপকূলে ফিশিং বোটে হামলা ও জেলে শাহাদাত হোসেন খোকন হত্যার প্রধান আসামি আরিফ।

​রবিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে কক্সবাজার পৌরসভা এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরিফ কক্সবাজার পৌরসভার পেশকারপাড়া এলাকার শাহাজাহানের ছেলে।

​র‍্যাব-১৫ জানিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়ার ‘গুলির ধার’ নামক স্থানে ‘এফ.বি. অজুফা আক্তার মানু’ নামক একটি ফিশিং বোটে আরিফের নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালায়। তারা বোটটি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করে এবং নিজেদের বোট দিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে।
​এই নৃশংস হামলায় বোটের কিশোর জেলে শাহাদাত হোসেন খোকন (১৭) ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান। ডাকাত দল ওই বোট থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।

​র‍্যাব জানায়, আরিফ একজন পেশাদার ও দুর্ধর্ষ অপরাধী। তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার, ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত অন্তত ৮টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জিম্মি করে দস্যুতা চালিয়ে আসছিল।

​র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক জানান:
​”কিশোর শাহাদাত হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

​গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাব জানিয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হারুন গ্রেপ্তার

বঙ্গোপসাগরে জেলে শাহাদাত হত্যার মূল হোতা ডাকাত সর্দার আরিফ গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:২২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

বঙ্গোপসাগরের জলদস্যূ সর্দার আরিফকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৫।

২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়া উপকূলে ফিশিং বোটে হামলা ও জেলে শাহাদাত হোসেন খোকন হত্যার প্রধান আসামি আরিফ।

​রবিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে কক্সবাজার পৌরসভা এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরিফ কক্সবাজার পৌরসভার পেশকারপাড়া এলাকার শাহাজাহানের ছেলে।

​র‍্যাব-১৫ জানিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়ার ‘গুলির ধার’ নামক স্থানে ‘এফ.বি. অজুফা আক্তার মানু’ নামক একটি ফিশিং বোটে আরিফের নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালায়। তারা বোটটি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করে এবং নিজেদের বোট দিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে।
​এই নৃশংস হামলায় বোটের কিশোর জেলে শাহাদাত হোসেন খোকন (১৭) ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান। ডাকাত দল ওই বোট থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।

​র‍্যাব জানায়, আরিফ একজন পেশাদার ও দুর্ধর্ষ অপরাধী। তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার, ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত অন্তত ৮টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জিম্মি করে দস্যুতা চালিয়ে আসছিল।

​র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক জানান:
​”কিশোর শাহাদাত হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

​গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাব জানিয়েছে।