ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন মহেশখালীতে মাছ ধরার সময় হিটস্ট্রোকে জেলের মৃত্যু সেন্টমার্টিনে বিশাল অজগর ! উখিয়া থেকে অপহৃত যুবক টেকনাফে উদ্ধার

ফের বেপরোয়া পালংখালীর ‘আইস’ সম্রাট ইরান মাঝি

দেশের সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল মেথ (আইস) চালান মামলার অন্যতম আসামি ইমরান ওরফে ইরান মাঝি আবারও আলোচনায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইরান মাঝি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে উখিয়ার থাইংখালীর ধামনখালী এলাকায় ইয়াবা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ৮ থেকে ১২ জনের একটি দল যায়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ইরান মাঝি। এ সময় এক কিশোরকে ধরে পালংখালীর একটি আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুখে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর কিশোরটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ মে র‍্যাব প্রায় ১২০ কোটি টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করে, যা দেশে আটক হওয়া সবচেয়ে বড় ‘আইস’ চালান বলে সংস্থাটি জানিয়েছিল। ওই ঘটনায় ইরান মাঝি, তাঁর ভাই রুবেল ওরফে রুবেল ডাকাতসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে যান বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পালংখালীর আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি পয়েন্টে তাঁর সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিংড়ির ঘেরের আড়ালে ছোট ছোট ঘরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে মজুত করা হয়। পরে নাফ নদীপথ হয়ে তা বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, “ ইরান মাঝির বিরুদ্ধে আগের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যেই জড়িত থাকুক, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সম্প্রতি উখিয়া সীমান্ত থেকে  বিজিবি কয়েক দফায় বিপুল পরিমাণে ইয়াবা উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে পালংখালী থেকে উদ্ধার হওয়া চালানের সাথে ইরান মাঝির সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল

ফের বেপরোয়া পালংখালীর ‘আইস’ সম্রাট ইরান মাঝি

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল মেথ (আইস) চালান মামলার অন্যতম আসামি ইমরান ওরফে ইরান মাঝি আবারও আলোচনায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইরান মাঝি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে উখিয়ার থাইংখালীর ধামনখালী এলাকায় ইয়াবা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ৮ থেকে ১২ জনের একটি দল যায়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ইরান মাঝি। এ সময় এক কিশোরকে ধরে পালংখালীর একটি আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুখে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর কিশোরটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ মে র‍্যাব প্রায় ১২০ কোটি টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করে, যা দেশে আটক হওয়া সবচেয়ে বড় ‘আইস’ চালান বলে সংস্থাটি জানিয়েছিল। ওই ঘটনায় ইরান মাঝি, তাঁর ভাই রুবেল ওরফে রুবেল ডাকাতসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে যান বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পালংখালীর আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি পয়েন্টে তাঁর সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিংড়ির ঘেরের আড়ালে ছোট ছোট ঘরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে মজুত করা হয়। পরে নাফ নদীপথ হয়ে তা বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, “ ইরান মাঝির বিরুদ্ধে আগের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যেই জড়িত থাকুক, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সম্প্রতি উখিয়া সীমান্ত থেকে  বিজিবি কয়েক দফায় বিপুল পরিমাণে ইয়াবা উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে পালংখালী থেকে উদ্ধার হওয়া চালানের সাথে ইরান মাঝির সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।