ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন ৬ বছর পর নিষিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি লোহাগাড়ায় পুকুরে গোসলে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ১৫ রামুতে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ডাকাত আটক, ৩ জনের কারাদণ্ড মা ইলিশ সংরক্ষণে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী পেকুয়ায় নিজ বিদ্যালয়ে সংবর্ধিত কউক চেয়ারম্যান ও কমেক অধ্যক্ষ উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযান : বালিভর্তি দুই অবৈধ ডাম্পার জব্দ কক্সবাজারে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা জাতীয় পর্যায়ে “সেরা গুণী শিক্ষক” সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আব্দুর রহিম টেকনাফে এসআরবি ও বিজিবির যৌথ অভিযান : ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার বাস টার্মিনালের স্ট্যান্ড পার্ক হোটেলে আলোচিত কুলসুমা হত্যার প্রধান আসামী ইরফান গ্রেফতার সাগরে মাছ শিকারে বন্ধ : দুঃশ্চিন্তায় জেলেরা পেকুয়ায় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

ফের বেপরোয়া পালংখালীর ‘আইস’ সম্রাট ইরান মাঝি

দেশের সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল মেথ (আইস) চালান মামলার অন্যতম আসামি ইমরান ওরফে ইরান মাঝি আবারও আলোচনায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইরান মাঝি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে উখিয়ার থাইংখালীর ধামনখালী এলাকায় ইয়াবা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ৮ থেকে ১২ জনের একটি দল যায়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ইরান মাঝি। এ সময় এক কিশোরকে ধরে পালংখালীর একটি আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুখে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর কিশোরটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ মে র‍্যাব প্রায় ১২০ কোটি টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করে, যা দেশে আটক হওয়া সবচেয়ে বড় ‘আইস’ চালান বলে সংস্থাটি জানিয়েছিল। ওই ঘটনায় ইরান মাঝি, তাঁর ভাই রুবেল ওরফে রুবেল ডাকাতসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে যান বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পালংখালীর আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি পয়েন্টে তাঁর সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিংড়ির ঘেরের আড়ালে ছোট ছোট ঘরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে মজুত করা হয়। পরে নাফ নদীপথ হয়ে তা বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, “ ইরান মাঝির বিরুদ্ধে আগের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যেই জড়িত থাকুক, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সম্প্রতি উখিয়া সীমান্ত থেকে  বিজিবি কয়েক দফায় বিপুল পরিমাণে ইয়াবা উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে পালংখালী থেকে উদ্ধার হওয়া চালানের সাথে ইরান মাঝির সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

ফের বেপরোয়া পালংখালীর ‘আইস’ সম্রাট ইরান মাঝি

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল মেথ (আইস) চালান মামলার অন্যতম আসামি ইমরান ওরফে ইরান মাঝি আবারও আলোচনায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইরান মাঝি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে উখিয়ার থাইংখালীর ধামনখালী এলাকায় ইয়াবা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ৮ থেকে ১২ জনের একটি দল যায়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ইরান মাঝি। এ সময় এক কিশোরকে ধরে পালংখালীর একটি আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুখে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর কিশোরটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ মে র‍্যাব প্রায় ১২০ কোটি টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করে, যা দেশে আটক হওয়া সবচেয়ে বড় ‘আইস’ চালান বলে সংস্থাটি জানিয়েছিল। ওই ঘটনায় ইরান মাঝি, তাঁর ভাই রুবেল ওরফে রুবেল ডাকাতসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে যান বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পালংখালীর আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি পয়েন্টে তাঁর সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিংড়ির ঘেরের আড়ালে ছোট ছোট ঘরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে মজুত করা হয়। পরে নাফ নদীপথ হয়ে তা বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, “ ইরান মাঝির বিরুদ্ধে আগের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যেই জড়িত থাকুক, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সম্প্রতি উখিয়া সীমান্ত থেকে  বিজিবি কয়েক দফায় বিপুল পরিমাণে ইয়াবা উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে পালংখালী থেকে উদ্ধার হওয়া চালানের সাথে ইরান মাঝির সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।