ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে, সরকারি অফিসকে আবাস বানানোর অভিযোগ শাহাদাতের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তাহসান- রোহিঙ্গা তরুণদের পাশে থাকা ও বৈশ্বিক সহায়তার আহ্বান কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান কক্সবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আটক, ৭২ হাজার ইয়াবা ও ১৫ লিটার মদ উদ্ধার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান কারা উঠল শেষ বত্রিশে, বাদ পড়ল কারা

ফের বেপরোয়া পালংখালীর ‘আইস’ সম্রাট ইরান মাঝি

দেশের সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল মেথ (আইস) চালান মামলার অন্যতম আসামি ইমরান ওরফে ইরান মাঝি আবারও আলোচনায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইরান মাঝি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে উখিয়ার থাইংখালীর ধামনখালী এলাকায় ইয়াবা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ৮ থেকে ১২ জনের একটি দল যায়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ইরান মাঝি। এ সময় এক কিশোরকে ধরে পালংখালীর একটি আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুখে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর কিশোরটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ মে র‍্যাব প্রায় ১২০ কোটি টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করে, যা দেশে আটক হওয়া সবচেয়ে বড় ‘আইস’ চালান বলে সংস্থাটি জানিয়েছিল। ওই ঘটনায় ইরান মাঝি, তাঁর ভাই রুবেল ওরফে রুবেল ডাকাতসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে যান বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পালংখালীর আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি পয়েন্টে তাঁর সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিংড়ির ঘেরের আড়ালে ছোট ছোট ঘরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে মজুত করা হয়। পরে নাফ নদীপথ হয়ে তা বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, “ ইরান মাঝির বিরুদ্ধে আগের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যেই জড়িত থাকুক, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সম্প্রতি উখিয়া সীমান্ত থেকে  বিজিবি কয়েক দফায় বিপুল পরিমাণে ইয়াবা উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে পালংখালী থেকে উদ্ধার হওয়া চালানের সাথে ইরান মাঝির সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

ফের বেপরোয়া পালংখালীর ‘আইস’ সম্রাট ইরান মাঝি

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল মেথ (আইস) চালান মামলার অন্যতম আসামি ইমরান ওরফে ইরান মাঝি আবারও আলোচনায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইরান মাঝি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে উখিয়ার থাইংখালীর ধামনখালী এলাকায় ইয়াবা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ৮ থেকে ১২ জনের একটি দল যায়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ইরান মাঝি। এ সময় এক কিশোরকে ধরে পালংখালীর একটি আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুখে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর কিশোরটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ মে র‍্যাব প্রায় ১২০ কোটি টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করে, যা দেশে আটক হওয়া সবচেয়ে বড় ‘আইস’ চালান বলে সংস্থাটি জানিয়েছিল। ওই ঘটনায় ইরান মাঝি, তাঁর ভাই রুবেল ওরফে রুবেল ডাকাতসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে যান বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পালংখালীর আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি পয়েন্টে তাঁর সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিংড়ির ঘেরের আড়ালে ছোট ছোট ঘরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে মজুত করা হয়। পরে নাফ নদীপথ হয়ে তা বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, “ ইরান মাঝির বিরুদ্ধে আগের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যেই জড়িত থাকুক, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সম্প্রতি উখিয়া সীমান্ত থেকে  বিজিবি কয়েক দফায় বিপুল পরিমাণে ইয়াবা উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে পালংখালী থেকে উদ্ধার হওয়া চালানের সাথে ইরান মাঝির সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।