ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম রাজা পালংয়ের প্রয়াত জননেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের সহধর্মিণীর মৃত্যু : জানাজা বুধবার পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়লো আমজাদের ড্রাম ট্রাক জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নাইক্ষ্যংছড়ি বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ

ফের বেপরোয়া পালংখালীর ‘আইস’ সম্রাট ইরান মাঝি

দেশের সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল মেথ (আইস) চালান মামলার অন্যতম আসামি ইমরান ওরফে ইরান মাঝি আবারও আলোচনায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইরান মাঝি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে উখিয়ার থাইংখালীর ধামনখালী এলাকায় ইয়াবা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ৮ থেকে ১২ জনের একটি দল যায়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ইরান মাঝি। এ সময় এক কিশোরকে ধরে পালংখালীর একটি আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুখে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর কিশোরটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ মে র‍্যাব প্রায় ১২০ কোটি টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করে, যা দেশে আটক হওয়া সবচেয়ে বড় ‘আইস’ চালান বলে সংস্থাটি জানিয়েছিল। ওই ঘটনায় ইরান মাঝি, তাঁর ভাই রুবেল ওরফে রুবেল ডাকাতসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে যান বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পালংখালীর আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি পয়েন্টে তাঁর সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিংড়ির ঘেরের আড়ালে ছোট ছোট ঘরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে মজুত করা হয়। পরে নাফ নদীপথ হয়ে তা বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, “ ইরান মাঝির বিরুদ্ধে আগের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যেই জড়িত থাকুক, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সম্প্রতি উখিয়া সীমান্ত থেকে  বিজিবি কয়েক দফায় বিপুল পরিমাণে ইয়াবা উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে পালংখালী থেকে উদ্ধার হওয়া চালানের সাথে ইরান মাঝির সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম

ফের বেপরোয়া পালংখালীর ‘আইস’ সম্রাট ইরান মাঝি

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল মেথ (আইস) চালান মামলার অন্যতম আসামি ইমরান ওরফে ইরান মাঝি আবারও আলোচনায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক কিশোরকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইরান মাঝি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে উখিয়ার থাইংখালীর ধামনখালী এলাকায় ইয়াবা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ৮ থেকে ১২ জনের একটি দল যায়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ইরান মাঝি। এ সময় এক কিশোরকে ধরে পালংখালীর একটি আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুখে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর কিশোরটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

২০২৩ সালের ৭ মে র‍্যাব প্রায় ১২০ কোটি টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করে, যা দেশে আটক হওয়া সবচেয়ে বড় ‘আইস’ চালান বলে সংস্থাটি জানিয়েছিল। ওই ঘটনায় ইরান মাঝি, তাঁর ভাই রুবেল ওরফে রুবেল ডাকাতসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে যান বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পালংখালীর আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি পয়েন্টে তাঁর সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। চিংড়ির ঘেরের আড়ালে ছোট ছোট ঘরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে মজুত করা হয়। পরে নাফ নদীপথ হয়ে তা বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, “ ইরান মাঝির বিরুদ্ধে আগের মামলাগুলোর পাশাপাশি নতুন অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যেই জড়িত থাকুক, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সম্প্রতি উখিয়া সীমান্ত থেকে  বিজিবি কয়েক দফায় বিপুল পরিমাণে ইয়াবা উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে পালংখালী থেকে উদ্ধার হওয়া চালানের সাথে ইরান মাঝির সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।