ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না জামায়াত গুলশানে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ চায় জাতিসংঘ টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান ​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯ চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই কক্সবাজারের ডিককুলে যৌথবাহিনীর অভিযান: অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক ১ বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার টাকার বেশি নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন মেনে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার দুই প্রার্থীর পক্ষ নেওয়া চার ‘আলোচিত’ নামে তোলপাড় ভোটের সমীকরণ! ​নির্বাচনী নিরাপত্তায় ঈদগাঁওতে যৌথ টহল

পদোন্নতি চান বঞ্চিত শিক্ষা ক্যাডাররা, ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচিতে স্থবির পাঠদান

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের (৩২ থেকে ৩৭তম) যোগ্য সব প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির দাবীতে তৃতীয়দিনের মতো কক্সবাজারের সরকারি কলেজগুলোতে চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি, পাঠদান ব্যহত হওয়ার কারণে স্থবির হয়ে আছে শিক্ষা কার্যক্রম।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে সারাদেশের ন্যায় ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ শিরোনামে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পাঠদান থেকে বিরত থাকেন কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকগণ।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ ইউনিটের ব্যানারে কর্মঘন্টা চলাকালীন কলেজ প্রাঙ্গণে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, ৩২তম ও ৩৩তম বিসিএস ব্যাচের চার শতাধিক প্রভাষক চাকরিতে যোগদানের এক যুগ পরেও প্রথম পদোন্নতি পাননি।

এছাড়াও ৩৪তম বিসিএস ১০ বছর, ৩৫তম বিসিএস নয় বছর, ৩৬তম বিসিএস আট বছর ও ৩৭তম বিসিএস থেকে সাত বছর কর্মজীবন পার করলেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না।

প্রভাষক পরিষদের আহবায়ক ও কলেজের বাংলা বিভাগের (৩৩ তম বিসিএস) প্রভাষক আফরোজা সোলতানা বলেন,’সব শর্ত পূরণ করার পরও আমাদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। আমরা পদোন্নতি চাই, আমাদের দাবী যৌক্তিক।অনতিবিলম্বে পদোন্নতির জিও (সরকারি আদেশ) জারি করা না পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি অব্যাহত রাখব। ‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বেসিক বেতন অতিক্রম করেছি, পদোন্নতির স্কেল আগে থেকেই পাচ্ছি। এই অবস্থায় আমাদের পদোন্নতি দিলে সরকারের আর্থিক কোনো ক্ষতি হবে না। আশা করছি সরকার আমাদের দাবী মেনে নিবে।’

অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন  অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (২৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ শাহ আলম।

তিনি বলেন, ‘অন্য সব ক্যাডারে নিয়মিত পদোন্নতি হলেও শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে স্বাভাবিক নিয়মে পদোন্নতি না হওয়াটা দুঃখজনক। ‘

এদিকে গত রবিবার থেকে কর্মবিরতির কারণে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব পড়েছে, শিক্ষার্থী উপস্থিতির হারও কম।

ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক (৩৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ সাকিহ উদ্দিন কাদের বলেন, ‘ দাবী বাস্তবায়ন করে আমরা দ্রুত পাঠদানে ফিরে যেতে চাই, শিক্ষার্থীর কোন ক্ষতি হোক তা চাই না।’

অবস্থান কর্মসূচিতে পর্দাথবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শামীম আহমেদ, প্রভাষক পরিষদের সদস্য সচিব ফয়েজ উল্লাহ,অর্থ সম্পাদক নুর উদ্দিন খান সোহেল, নির্বাহী সদস্য জনাব মোহাম্মদ রাসেল রানা , তাহসিন হুমায়রা সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গত তিনদিন ধরে কক্সবাজার সরকারি কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা একই কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না জামায়াত

This will close in 6 seconds

পদোন্নতি চান বঞ্চিত শিক্ষা ক্যাডাররা, ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচিতে স্থবির পাঠদান

আপডেট সময় : ০৮:১৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের (৩২ থেকে ৩৭তম) যোগ্য সব প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির দাবীতে তৃতীয়দিনের মতো কক্সবাজারের সরকারি কলেজগুলোতে চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি, পাঠদান ব্যহত হওয়ার কারণে স্থবির হয়ে আছে শিক্ষা কার্যক্রম।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে সারাদেশের ন্যায় ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ শিরোনামে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পাঠদান থেকে বিরত থাকেন কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকগণ।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ ইউনিটের ব্যানারে কর্মঘন্টা চলাকালীন কলেজ প্রাঙ্গণে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, ৩২তম ও ৩৩তম বিসিএস ব্যাচের চার শতাধিক প্রভাষক চাকরিতে যোগদানের এক যুগ পরেও প্রথম পদোন্নতি পাননি।

এছাড়াও ৩৪তম বিসিএস ১০ বছর, ৩৫তম বিসিএস নয় বছর, ৩৬তম বিসিএস আট বছর ও ৩৭তম বিসিএস থেকে সাত বছর কর্মজীবন পার করলেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না।

প্রভাষক পরিষদের আহবায়ক ও কলেজের বাংলা বিভাগের (৩৩ তম বিসিএস) প্রভাষক আফরোজা সোলতানা বলেন,’সব শর্ত পূরণ করার পরও আমাদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। আমরা পদোন্নতি চাই, আমাদের দাবী যৌক্তিক।অনতিবিলম্বে পদোন্নতির জিও (সরকারি আদেশ) জারি করা না পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি অব্যাহত রাখব। ‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বেসিক বেতন অতিক্রম করেছি, পদোন্নতির স্কেল আগে থেকেই পাচ্ছি। এই অবস্থায় আমাদের পদোন্নতি দিলে সরকারের আর্থিক কোনো ক্ষতি হবে না। আশা করছি সরকার আমাদের দাবী মেনে নিবে।’

অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন  অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (২৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ শাহ আলম।

তিনি বলেন, ‘অন্য সব ক্যাডারে নিয়মিত পদোন্নতি হলেও শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে স্বাভাবিক নিয়মে পদোন্নতি না হওয়াটা দুঃখজনক। ‘

এদিকে গত রবিবার থেকে কর্মবিরতির কারণে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব পড়েছে, শিক্ষার্থী উপস্থিতির হারও কম।

ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক (৩৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ সাকিহ উদ্দিন কাদের বলেন, ‘ দাবী বাস্তবায়ন করে আমরা দ্রুত পাঠদানে ফিরে যেতে চাই, শিক্ষার্থীর কোন ক্ষতি হোক তা চাই না।’

অবস্থান কর্মসূচিতে পর্দাথবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শামীম আহমেদ, প্রভাষক পরিষদের সদস্য সচিব ফয়েজ উল্লাহ,অর্থ সম্পাদক নুর উদ্দিন খান সোহেল, নির্বাহী সদস্য জনাব মোহাম্মদ রাসেল রানা , তাহসিন হুমায়রা সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গত তিনদিন ধরে কক্সবাজার সরকারি কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা একই কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানা গেছে।