ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লবণ মাঠে দূর্বৃত্তের তাণ্ডব,২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি জামিনে মুক্ত হলেন বাউল শিল্পী আবুল সরকার বিয়ে করাটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল: অপু বিশ্বাস চৈত্র সংক্রান্তি: ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাঙালির সংস্কৃতির এক প্রাচীন ধারাবাহিকতা ইন্টারনেট সস্তা না হলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয় : বিটিআরসি চেয়ারম্যান ভোরে ফুল তুলতে যাওয়া বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা, অভিযুক্তের আত্মসমর্পণ বাংলা বছরের শেষদিন— চৈত্র সংক্রান্তি আজ তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি দুই খুন ভাবিয়ে তুলেছে খোদ পুলিশকে চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে খুন হলো চকরিয়ার কিশোর সাজিদ সাংগঠনিক গতি বাড়াতে এমজেএ কক্সবাজারের সভা, নতুন সদস্য আহ্বান ও উপ-কমিটি গঠন কুতুবদিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বরযাত্রীর গাড়ি, শিশুসহ ৪জন আহত নতুন গণমাধ্যম নিয়ে আসছেন সাকিব রামুতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

পদোন্নতি চান বঞ্চিত শিক্ষা ক্যাডাররা, ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচিতে স্থবির পাঠদান

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের (৩২ থেকে ৩৭তম) যোগ্য সব প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির দাবীতে তৃতীয়দিনের মতো কক্সবাজারের সরকারি কলেজগুলোতে চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি, পাঠদান ব্যহত হওয়ার কারণে স্থবির হয়ে আছে শিক্ষা কার্যক্রম।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে সারাদেশের ন্যায় ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ শিরোনামে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পাঠদান থেকে বিরত থাকেন কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকগণ।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ ইউনিটের ব্যানারে কর্মঘন্টা চলাকালীন কলেজ প্রাঙ্গণে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, ৩২তম ও ৩৩তম বিসিএস ব্যাচের চার শতাধিক প্রভাষক চাকরিতে যোগদানের এক যুগ পরেও প্রথম পদোন্নতি পাননি।

এছাড়াও ৩৪তম বিসিএস ১০ বছর, ৩৫তম বিসিএস নয় বছর, ৩৬তম বিসিএস আট বছর ও ৩৭তম বিসিএস থেকে সাত বছর কর্মজীবন পার করলেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না।

প্রভাষক পরিষদের আহবায়ক ও কলেজের বাংলা বিভাগের (৩৩ তম বিসিএস) প্রভাষক আফরোজা সোলতানা বলেন,’সব শর্ত পূরণ করার পরও আমাদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। আমরা পদোন্নতি চাই, আমাদের দাবী যৌক্তিক।অনতিবিলম্বে পদোন্নতির জিও (সরকারি আদেশ) জারি করা না পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি অব্যাহত রাখব। ‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বেসিক বেতন অতিক্রম করেছি, পদোন্নতির স্কেল আগে থেকেই পাচ্ছি। এই অবস্থায় আমাদের পদোন্নতি দিলে সরকারের আর্থিক কোনো ক্ষতি হবে না। আশা করছি সরকার আমাদের দাবী মেনে নিবে।’

অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন  অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (২৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ শাহ আলম।

তিনি বলেন, ‘অন্য সব ক্যাডারে নিয়মিত পদোন্নতি হলেও শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে স্বাভাবিক নিয়মে পদোন্নতি না হওয়াটা দুঃখজনক। ‘

এদিকে গত রবিবার থেকে কর্মবিরতির কারণে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব পড়েছে, শিক্ষার্থী উপস্থিতির হারও কম।

ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক (৩৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ সাকিহ উদ্দিন কাদের বলেন, ‘ দাবী বাস্তবায়ন করে আমরা দ্রুত পাঠদানে ফিরে যেতে চাই, শিক্ষার্থীর কোন ক্ষতি হোক তা চাই না।’

অবস্থান কর্মসূচিতে পর্দাথবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শামীম আহমেদ, প্রভাষক পরিষদের সদস্য সচিব ফয়েজ উল্লাহ,অর্থ সম্পাদক নুর উদ্দিন খান সোহেল, নির্বাহী সদস্য জনাব মোহাম্মদ রাসেল রানা , তাহসিন হুমায়রা সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গত তিনদিন ধরে কক্সবাজার সরকারি কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা একই কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পদোন্নতি চান বঞ্চিত শিক্ষা ক্যাডাররা, ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচিতে স্থবির পাঠদান

আপডেট সময় : ০৮:১৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের (৩২ থেকে ৩৭তম) যোগ্য সব প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির দাবীতে তৃতীয়দিনের মতো কক্সবাজারের সরকারি কলেজগুলোতে চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি, পাঠদান ব্যহত হওয়ার কারণে স্থবির হয়ে আছে শিক্ষা কার্যক্রম।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে সারাদেশের ন্যায় ‘নো প্রমোশন, নো ওয়ার্ক’ শিরোনামে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পাঠদান থেকে বিরত থাকেন কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকগণ।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ ইউনিটের ব্যানারে কর্মঘন্টা চলাকালীন কলেজ প্রাঙ্গণে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, ৩২তম ও ৩৩তম বিসিএস ব্যাচের চার শতাধিক প্রভাষক চাকরিতে যোগদানের এক যুগ পরেও প্রথম পদোন্নতি পাননি।

এছাড়াও ৩৪তম বিসিএস ১০ বছর, ৩৫তম বিসিএস নয় বছর, ৩৬তম বিসিএস আট বছর ও ৩৭তম বিসিএস থেকে সাত বছর কর্মজীবন পার করলেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না।

প্রভাষক পরিষদের আহবায়ক ও কলেজের বাংলা বিভাগের (৩৩ তম বিসিএস) প্রভাষক আফরোজা সোলতানা বলেন,’সব শর্ত পূরণ করার পরও আমাদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। আমরা পদোন্নতি চাই, আমাদের দাবী যৌক্তিক।অনতিবিলম্বে পদোন্নতির জিও (সরকারি আদেশ) জারি করা না পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি অব্যাহত রাখব। ‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বেসিক বেতন অতিক্রম করেছি, পদোন্নতির স্কেল আগে থেকেই পাচ্ছি। এই অবস্থায় আমাদের পদোন্নতি দিলে সরকারের আর্থিক কোনো ক্ষতি হবে না। আশা করছি সরকার আমাদের দাবী মেনে নিবে।’

অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন  অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (২৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ শাহ আলম।

তিনি বলেন, ‘অন্য সব ক্যাডারে নিয়মিত পদোন্নতি হলেও শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে স্বাভাবিক নিয়মে পদোন্নতি না হওয়াটা দুঃখজনক। ‘

এদিকে গত রবিবার থেকে কর্মবিরতির কারণে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব পড়েছে, শিক্ষার্থী উপস্থিতির হারও কম।

ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক (৩৪ তম বিসিএস) মোহাম্মদ সাকিহ উদ্দিন কাদের বলেন, ‘ দাবী বাস্তবায়ন করে আমরা দ্রুত পাঠদানে ফিরে যেতে চাই, শিক্ষার্থীর কোন ক্ষতি হোক তা চাই না।’

অবস্থান কর্মসূচিতে পর্দাথবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শামীম আহমেদ, প্রভাষক পরিষদের সদস্য সচিব ফয়েজ উল্লাহ,অর্থ সম্পাদক নুর উদ্দিন খান সোহেল, নির্বাহী সদস্য জনাব মোহাম্মদ রাসেল রানা , তাহসিন হুমায়রা সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গত তিনদিন ধরে কক্সবাজার সরকারি কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা একই কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানা গেছে।