বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবগঠিত ১৫ সদস্যের পরিষদে লামা উপজেলা থেকে কোনো সদস্য অন্তর্ভুক্ত না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
লামার ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে অন্তত একজন যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য সদস্য অন্তর্ভুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করেছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে লামা উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি লামা বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চার রাস্তার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে বিক্ষোভকারীরা।
কর্মসূচিতে প্রবীণ সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মী এম রুহুল আমিন, জাতীয় নাগরিক পার্টির লামা শাখার সম্পাদক আব্দুল করিম, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, বান্দরবান ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, লামা ছাত্র প্রতিনিধি ইমদাদুল হক মিলনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ জেলার উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল উপজেলা লামা থেকে কোনো প্রতিনিধি না থাকায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। জেলা পরিষদে লামার মানুষের দাবি ও সমস্যাগুলো তুলে ধরতে একজন প্রতিনিধি থাকা প্রয়োজন।
সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জেলা পরিষদ পুনর্গঠনের সময়ও লামা থেকে কোনো সদস্য নেওয়া হয়নি। সম্প্রতি গঠিত নতুন পরিষদেও একই চিত্র দেখা গেছে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে লামা থেকে অন্তত একজন যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।
মানবাধিকারকর্মী এম রুহুল আমিন বলেন, লামার ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বর্তমান সদস্য তালিকা পুনর্বিবেচনা করে লামা থেকে একজন যোগ্য প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বিক্ষোভকারীরা জানান, দ্রুত দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ইমরান খান: 























