এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৩১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন পরীক্ষার্থীও পাস করেননি। আর ৬৬৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
চলতি বছর মোট ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন।
সোমবার সকাল ১০টায় একযোগে ফল প্রকাশ করে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ১৩৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি; শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি।
সে হিসেবে শতভাগ পাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবার কমেছে ৩১৫টি, সব পরীক্ষার্থী ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৭৮টি।
২০২৪ সালে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫১টি। আর ২ হাজার ৯৬৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিল।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।
স্কুলের গণ্ডি পেরোনো এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা পাস করা মোট শিক্ষার্থীর ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ।
এই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট। আর পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।
২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করে। ২০০৭ সালের পর চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার সবচেয়ে কম। ওই বছর ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল।
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।
চলতি বছরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় গত ২১ এপ্রিল। গত ২০ মে এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয়। দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।
শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছে।
টিটিএন ডেস্ক 






















