ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাহিত্যিকা পল্লীতে দুই পক্ষের গোলাগুলি, যুবক গুলিবিদ্ধ সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় আলোচিত আরিফ-সোহেল বিমানবন্দরে আটক হ্নীলা স্টেশনের অগ্নিকাণ্ডে ওয়ালটন-ভিশন শোরুমসহ পুড়ে ছাই ৮ দোকান; আহত অন্তত ২০ টেকনাফের হ্নীলা স্টেশনে জামাল কমপ্লেক্সে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে নেপালের বন্যার্তদের পাশে কাঠমান্ডুর রোহিঙ্গারা, নিজেদের সংকটের মধ্যেও মানবিক সহায়তা চিঠি দিবসে নিঃসঙ্গ পড়ে আছে কক্সবাজারের ডাকবাক্স : নেই ডাকপিয়নের আনাগোনা মায়ের কোলে ফিরল চার মাস বয়সী মাহি, ৩ অপহরণকারী গ্রেফতার চাম্বি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হলেন সাংবাদিক ইলিয়াছ পেকুয়ায় মাছে বিষ প্রয়োগ করে বিক্রির অভিযোগে আটক ১ কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী

উখিয়ায় নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডা স্থানীয়করণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

তৃণমূল পর্যায়ে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উখিয়ায় একটি সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি ২০২৬) ইউএন উইমেন বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ-(বিএনপিএস) এর উদ্যোগে উখিয়ার গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টারে দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ১৩২৫ এবং বাংলাদেশে প্রণীত নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (NAP 2022–2025) নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা, দুর্যোগকালীন ঝুঁকি, বাস্তুচ্যুতি, মাদক ও পাচার, জলবায়ু পরিবর্তনসহ স্থানীয় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

কর্মশালায় নারী নেত্রী, যুব প্রতিনিধি, কমিউনিটি ফোরাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সুশীল সমাজের অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনায় কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শম্পা চৌধুরী বলেন,”নারী ও শিশুদের প্রতি অবহেলার অন্যতম কারণ আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা। এ ক্ষেত্রে শিক্ষিত ও দায়িত্বশীলদের এগিয়ে এসে আইন বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।”

আদিবাসী ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজার এবং স্থানীয় নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির সদস্য মাটিন টিন বলেন,”উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সাইক্লোন সেন্টারগুলোতে নারী ও কিশোরীদের জন্য আলাদা ও নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকায় নানা ঝুঁকি তৈরি হয়। নারী ও কিশোরীবান্ধব সাইক্লোন শেল্টার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।”

কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিবন্ধী দুঃস্থ ও মহিলা সংস্থার সংগঠক নুসরাত জাহান মেরী বলেন, “নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীরা এখনও সর্বত্র অবহেলিত। একজন প্রতিবন্ধী নারী হিসেবে আমি জানি প্রতিদিন টিকে থাকার সংগ্রাম কতটা কঠিন। তাই আমাদের সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এই জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে হবে।”

এছাড়া শান্তি ও নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার সব পর্যায়ে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে টেকসই ও জেন্ডার সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব হবে বলে মনে করেন আলোচকরা।

কর্মশালাটি পরিচালনা করেন সেজুতি ধর, শফিকুল ইসলাম ফরাজী ও নাসিমা আকতার।তারা জানান, ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডার বাস্তবায়ন আরও জোরদার করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্যিকা পল্লীতে দুই পক্ষের গোলাগুলি, যুবক গুলিবিদ্ধ

উখিয়ায় নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডা স্থানীয়করণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১২:৫৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

তৃণমূল পর্যায়ে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উখিয়ায় একটি সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি ২০২৬) ইউএন উইমেন বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ-(বিএনপিএস) এর উদ্যোগে উখিয়ার গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টারে দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ১৩২৫ এবং বাংলাদেশে প্রণীত নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (NAP 2022–2025) নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা, দুর্যোগকালীন ঝুঁকি, বাস্তুচ্যুতি, মাদক ও পাচার, জলবায়ু পরিবর্তনসহ স্থানীয় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

কর্মশালায় নারী নেত্রী, যুব প্রতিনিধি, কমিউনিটি ফোরাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সুশীল সমাজের অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনায় কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শম্পা চৌধুরী বলেন,”নারী ও শিশুদের প্রতি অবহেলার অন্যতম কারণ আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা। এ ক্ষেত্রে শিক্ষিত ও দায়িত্বশীলদের এগিয়ে এসে আইন বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।”

আদিবাসী ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজার এবং স্থানীয় নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির সদস্য মাটিন টিন বলেন,”উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সাইক্লোন সেন্টারগুলোতে নারী ও কিশোরীদের জন্য আলাদা ও নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকায় নানা ঝুঁকি তৈরি হয়। নারী ও কিশোরীবান্ধব সাইক্লোন শেল্টার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।”

কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিবন্ধী দুঃস্থ ও মহিলা সংস্থার সংগঠক নুসরাত জাহান মেরী বলেন, “নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীরা এখনও সর্বত্র অবহেলিত। একজন প্রতিবন্ধী নারী হিসেবে আমি জানি প্রতিদিন টিকে থাকার সংগ্রাম কতটা কঠিন। তাই আমাদের সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এই জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে হবে।”

এছাড়া শান্তি ও নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার সব পর্যায়ে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে টেকসই ও জেন্ডার সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব হবে বলে মনে করেন আলোচকরা।

কর্মশালাটি পরিচালনা করেন সেজুতি ধর, শফিকুল ইসলাম ফরাজী ও নাসিমা আকতার।তারা জানান, ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডার বাস্তবায়ন আরও জোরদার করা হবে।