ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯ আইডিইবির সদস্যপদ পেলেন কক্সবাজারের ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড এক দিনে দুই দফা ডাকাতি : ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ফের আতংক এআই দিয়ে কণ্ঠ নকল করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে কচ্ছপিয়ার সোহেল সিকদার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা নিয়ে কক্সবাজারের পূজামণ্ডপে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু আইনের তোয়াক্কা না করে মেরিন ড্রাইভে ঝুঁকিপূর্ণ রিসোর্ট, ১০ প্রাণের বিনিময়েও জাগেনি প্রশাসন সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবার পেলো ক্ষতিপূরণ টেকনাফে একনলা বন্দুকসহ ‘ডাকাত’ করিম আটক পেকুয়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৪০ শিক্ষার্থী চাকুরি পেছনে না ঘুরে নিজেই উদ্যোক্তা হয়ে চাকুরি দাতা হোন- জেলা প্রশাসক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমী আজ অবশেষে ইশরাকের ঘোষণা, পদত্যাগ করবেন দুপুরে

আবারো বিধ্বস্ত রিয়াল, লিগ শিরোপার পথে বার্সা

ম্যাচের শুরুতেই কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করে বার্সেলোনাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু রাফিনিয়া-ইয়ামালদের দাপটে ৪-৩ গোলে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে হানসি ফ্লিকের দল। ইতিহাসে প্রথমবার এক মৌসুমে চার ক্লাসিকো জয়ের কীর্তি গড়েছে।

এই জয়ে লা লিগার শিরোপা একপ্রকার নিশ্চিত করে ফেলেছে কাতালানরা। লা লিগায় ৩৫ রাউন্ড শেষে ৭  পয়েন্টের লিড নিয়েছে বার্সা। বাকি তিন ম্যাচের একটিতে জিতলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে তারা।

রিয়াল মাদ্রিদ মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোয় ঘরের মাঠে ৪-০ গোলে হারে। এরপর সুপার কাপ ও কোপা দেল রে’র ফাইনালে দাপটের সঙ্গে জয় তুলে নেয় ফ্লিকের দল। মৌসুমের শেষ ক্লাসিকোতেও হারল কার্লো আনচেলত্তির দল। এর আগে ২০০৮ থেকে ২০১০ মৌসুমে বার্সার পেপ গার্দিওলার অধীনে টানা চার এল ক্লাসিকোয় হেরেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।

রোববার রাতের ম্যাচে ৫ মিনিট হতেই গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। বার্সার পোলিশ গোলরক্ষক ভয়চেক সেজনি পেনাল্টি উপহার দেন রিয়ালকে। ১৪ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে ফেলেন এমবাপ্পে। পরেই বার্সা কামব্যাক করে। ম্যাচের ১৯ মিনিটে কর্ণার থেকে নেওয়া কিকে গোল করেন বার্সা ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া। ৩২ মিনিটে বাঁ পায়ের দারুণ শটে দলকে সমতায় ফেরান লামিনে ইয়ামাল।

দুই মিনিট পরেই লিড নেয় বার্সা। এবার রিয়ালের এমবাপ্পে ও সেবায়োসের ভুলে বল পেয়ে যান পেদ্রি। ফাঁকায় বল পেয়ে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনিয়া। ৪৫ মিনিটে ব্যবধান ৪-২ করে ফেলেন তিনি। ওই গোলে ফেরান তোরেসের চেয়ে লুকাস ভাসকেসের ভুলের অবদান বেশি।

দ্বিতীয়ার্ধেও দাপটের সঙ্গে শুরু করে বার্সা। রাফিনিয়া জালে বল পাঠিয়ে হ্যাটট্রিক উদযাপন করলেও তা বাতিল হয়ে যায়। পরেই এমবাপ্পে করেন ওই হ্যাটট্রিক উদযাপন। তিনি ৭০ মিনিটে গোল করে ম্যাচ জমিয়ে দেন। এমনকি শেষ দিকে দলকে সমতায় ফেরানোর মতো দারুণ একটা সুযোগ পেয়েও তা হারান তিনি। শেষ বাঁশির ঠিক আগে বার্সাও গোল উদযাপন করে। তবে তা বাতিল হয়ে যায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯

আবারো বিধ্বস্ত রিয়াল, লিগ শিরোপার পথে বার্সা

আপডেট সময় : ১১:০০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

ম্যাচের শুরুতেই কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করে বার্সেলোনাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু রাফিনিয়া-ইয়ামালদের দাপটে ৪-৩ গোলে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে হানসি ফ্লিকের দল। ইতিহাসে প্রথমবার এক মৌসুমে চার ক্লাসিকো জয়ের কীর্তি গড়েছে।

এই জয়ে লা লিগার শিরোপা একপ্রকার নিশ্চিত করে ফেলেছে কাতালানরা। লা লিগায় ৩৫ রাউন্ড শেষে ৭  পয়েন্টের লিড নিয়েছে বার্সা। বাকি তিন ম্যাচের একটিতে জিতলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে তারা।

রিয়াল মাদ্রিদ মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোয় ঘরের মাঠে ৪-০ গোলে হারে। এরপর সুপার কাপ ও কোপা দেল রে’র ফাইনালে দাপটের সঙ্গে জয় তুলে নেয় ফ্লিকের দল। মৌসুমের শেষ ক্লাসিকোতেও হারল কার্লো আনচেলত্তির দল। এর আগে ২০০৮ থেকে ২০১০ মৌসুমে বার্সার পেপ গার্দিওলার অধীনে টানা চার এল ক্লাসিকোয় হেরেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।

রোববার রাতের ম্যাচে ৫ মিনিট হতেই গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। বার্সার পোলিশ গোলরক্ষক ভয়চেক সেজনি পেনাল্টি উপহার দেন রিয়ালকে। ১৪ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে ফেলেন এমবাপ্পে। পরেই বার্সা কামব্যাক করে। ম্যাচের ১৯ মিনিটে কর্ণার থেকে নেওয়া কিকে গোল করেন বার্সা ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া। ৩২ মিনিটে বাঁ পায়ের দারুণ শটে দলকে সমতায় ফেরান লামিনে ইয়ামাল।

দুই মিনিট পরেই লিড নেয় বার্সা। এবার রিয়ালের এমবাপ্পে ও সেবায়োসের ভুলে বল পেয়ে যান পেদ্রি। ফাঁকায় বল পেয়ে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনিয়া। ৪৫ মিনিটে ব্যবধান ৪-২ করে ফেলেন তিনি। ওই গোলে ফেরান তোরেসের চেয়ে লুকাস ভাসকেসের ভুলের অবদান বেশি।

দ্বিতীয়ার্ধেও দাপটের সঙ্গে শুরু করে বার্সা। রাফিনিয়া জালে বল পাঠিয়ে হ্যাটট্রিক উদযাপন করলেও তা বাতিল হয়ে যায়। পরেই এমবাপ্পে করেন ওই হ্যাটট্রিক উদযাপন। তিনি ৭০ মিনিটে গোল করে ম্যাচ জমিয়ে দেন। এমনকি শেষ দিকে দলকে সমতায় ফেরানোর মতো দারুণ একটা সুযোগ পেয়েও তা হারান তিনি। শেষ বাঁশির ঠিক আগে বার্সাও গোল উদযাপন করে। তবে তা বাতিল হয়ে যায়।