ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শাহাদাত হোসাইনের পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে, সরকারি অফিসকে আবাস বানানোর অভিযোগ শাহাদাতের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তাহসান- রোহিঙ্গা তরুণদের পাশে থাকা ও বৈশ্বিক সহায়তার আহ্বান কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান কক্সবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আটক, ৭২ হাজার ইয়াবা ও ১৫ লিটার মদ উদ্ধার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শাহাদাত হোসাইনের

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

আপডেট সময় : ০৭:২৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’