ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুর উখিয়ারঘোনাতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি কাজল বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা তেলের সংকট নেই, দাম বাড়ছে না: সেতুমন্ত্রী আজ পবিত্র শবে কদর হঠাৎ বৃষ্টি পর্যটন শহরে বিএসপিএ কক্সবাজার শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য হলেন তারেক অসুস্থ রোগীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা জনি বিএসপিএ কক্সবাজারের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন: মাহবুবসভাপতি, সুমন সম্পাদক টিটিএনের প্রতিনিধি সম্মেলন: নব উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন কুতুবদিয়ার নুরুল বশর চৌধুরী উঠে গেলো সৈকতের বালিয়াড়ীর দোকান: পুনর্বাসনের আকুতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ​ ২ হাজার কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ নামমাত্র মূল্যে বিক্রির অভিযোগ: বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু পর্যটক এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপে যাত্রী আহত, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার অভিযোগ মাতারবাড়ি থেকে অস্ত্রসহ যুবক আটক সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পেকুয়ায় ৪ বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বৈদ্যুতিক মিটার ব্লাস্ট হয়ে সৃষ্ট আগুন থেকে চারটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নন্দীর পাড়ায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ৪ পরিবারের প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের একটি মিটার হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই আগুন পাশের বাড়িগুলোতেও ছড়িয়ে পড়লে ৪টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।

পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলোর মালিকরা হলেন, একই এলাকার আকতার আহমদের ছেলে ফোরকান আহমদ, তার ভাই মোঃ ছোটন এবং মৃত জয়নাল আবদীনের ছেলে মোঃ রাকিব এবং মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফোরকান ও ছোটন বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করলেও ভিসাবিহীন ও কর্মহীন অবস্থায় থাকায় তারা আগে থেকেই চরম আর্থিক সংকটে ছিলেন। অন্যদিকে পিতাহীন রাকিব একাই মায়ের সংসারের দায়িত্ব বহন করছিলেন। আকস্মিক এ অগ্নিকাণ্ডে ৪ পরিবারের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

খবর পেয়ে ঘটনার পর সন্ধ্যার দিকে বিএনপি নেতা ইউছুফ রুবেল ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মাহাবুব করিমও নগদ অর্থ সহায়তা দেন।

এছাড়াও পেকুয়া ঋণদান সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক এবং বর্তমান সহসভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার পর এলাকাবাসী দ্রুত ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ততক্ষণে চারটি বাড়িই সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা কামনা করেছেন।

ট্যাগ :

পেকুয়ায় ৪ বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই

আপডেট সময় : ১১:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বৈদ্যুতিক মিটার ব্লাস্ট হয়ে সৃষ্ট আগুন থেকে চারটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নন্দীর পাড়ায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ৪ পরিবারের প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের একটি মিটার হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই আগুন পাশের বাড়িগুলোতেও ছড়িয়ে পড়লে ৪টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।

পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলোর মালিকরা হলেন, একই এলাকার আকতার আহমদের ছেলে ফোরকান আহমদ, তার ভাই মোঃ ছোটন এবং মৃত জয়নাল আবদীনের ছেলে মোঃ রাকিব এবং মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফোরকান ও ছোটন বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করলেও ভিসাবিহীন ও কর্মহীন অবস্থায় থাকায় তারা আগে থেকেই চরম আর্থিক সংকটে ছিলেন। অন্যদিকে পিতাহীন রাকিব একাই মায়ের সংসারের দায়িত্ব বহন করছিলেন। আকস্মিক এ অগ্নিকাণ্ডে ৪ পরিবারের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

খবর পেয়ে ঘটনার পর সন্ধ্যার দিকে বিএনপি নেতা ইউছুফ রুবেল ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মাহাবুব করিমও নগদ অর্থ সহায়তা দেন।

এছাড়াও পেকুয়া ঋণদান সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক এবং বর্তমান সহসভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার পর এলাকাবাসী দ্রুত ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ততক্ষণে চারটি বাড়িই সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা কামনা করেছেন।