ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে জাতীয় দলে ফিরলেন চকরিয়ার জিকু শিল্পী রাজীব বড়ুয়া পরলোকে, শেষকৃত্য সম্পন্ন আদালত প্রাঙ্গণে গোলাগুলির ঘটনায় উদ্বেগ জেলা আইনজীবী সমিতির,পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জামিনে বেরিয়ে ফের আটক গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত টেকনাফে টাকা দিয়ে সাংবাদিক কার্ড সংগ্রহ, ইয়াবা পাচারে আটক ভুয়া সাংবাদিক সন্ত্রাসীদের কোনো অভয়ারণ্য থাকতে দেওয়া হবে না, নির্মূল করা হবে ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় নছিমন চালক নিহত পেকুয়ায় বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যু ঈদকে সামনে রেখে পর্যটন শহরে নিরাপত্তা ও সেবায় বিশেষ উদ্যোগ কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের দুই জামাত সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় পবিত্র হজ আজ সীমান্ত শহরে ব্রাজিল উন্মাদনা মহাসড়কে কোরবানির পশুর হাট, যানজটে ভোগান্তি

পেকুয়ায় ৪ বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বৈদ্যুতিক মিটার ব্লাস্ট হয়ে সৃষ্ট আগুন থেকে চারটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নন্দীর পাড়ায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ৪ পরিবারের প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের একটি মিটার হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই আগুন পাশের বাড়িগুলোতেও ছড়িয়ে পড়লে ৪টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।

পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলোর মালিকরা হলেন, একই এলাকার আকতার আহমদের ছেলে ফোরকান আহমদ, তার ভাই মোঃ ছোটন এবং মৃত জয়নাল আবদীনের ছেলে মোঃ রাকিব এবং মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফোরকান ও ছোটন বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করলেও ভিসাবিহীন ও কর্মহীন অবস্থায় থাকায় তারা আগে থেকেই চরম আর্থিক সংকটে ছিলেন। অন্যদিকে পিতাহীন রাকিব একাই মায়ের সংসারের দায়িত্ব বহন করছিলেন। আকস্মিক এ অগ্নিকাণ্ডে ৪ পরিবারের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

খবর পেয়ে ঘটনার পর সন্ধ্যার দিকে বিএনপি নেতা ইউছুফ রুবেল ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মাহাবুব করিমও নগদ অর্থ সহায়তা দেন।

এছাড়াও পেকুয়া ঋণদান সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক এবং বর্তমান সহসভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার পর এলাকাবাসী দ্রুত ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ততক্ষণে চারটি বাড়িই সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা কামনা করেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

পেকুয়ায় ৪ বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই

আপডেট সময় : ১১:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বৈদ্যুতিক মিটার ব্লাস্ট হয়ে সৃষ্ট আগুন থেকে চারটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নন্দীর পাড়ায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ৪ পরিবারের প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের একটি মিটার হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই আগুন পাশের বাড়িগুলোতেও ছড়িয়ে পড়লে ৪টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।

পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলোর মালিকরা হলেন, একই এলাকার আকতার আহমদের ছেলে ফোরকান আহমদ, তার ভাই মোঃ ছোটন এবং মৃত জয়নাল আবদীনের ছেলে মোঃ রাকিব এবং মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফোরকান ও ছোটন বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করলেও ভিসাবিহীন ও কর্মহীন অবস্থায় থাকায় তারা আগে থেকেই চরম আর্থিক সংকটে ছিলেন। অন্যদিকে পিতাহীন রাকিব একাই মায়ের সংসারের দায়িত্ব বহন করছিলেন। আকস্মিক এ অগ্নিকাণ্ডে ৪ পরিবারের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

খবর পেয়ে ঘটনার পর সন্ধ্যার দিকে বিএনপি নেতা ইউছুফ রুবেল ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মাহাবুব করিমও নগদ অর্থ সহায়তা দেন।

এছাড়াও পেকুয়া ঋণদান সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক এবং বর্তমান সহসভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার পর এলাকাবাসী দ্রুত ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ততক্ষণে চারটি বাড়িই সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা কামনা করেছেন।