ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্দেশনা লঙ্ঘন, ব্রাজিলের জার্সি পড়ে ওসির ভিডিও বার্তায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণ জিতল কক্সবাজারের মনিষা টেকনাফের সালমান ওরফে কিং গ্রেপ্তার বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা টেকনাফের চাঞ্চল্যকর অপহরণ মামলার প্রধান ২ আসামি গ্রেফতার কলাতলীতে অজ্ঞাত মরদেহ, পরিচয় শনাক্তের চেষ্টায় পুলিশ জুলাইয়ের বীরদের ভিলেন বানানোর অপচেষ্টা চলছে : সাদিক কায়েম বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম ছুঁল ৭৪ লাখ সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস যে সমীকরণে গোল্ডেন বুট জিততে পারেন মেসি আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, দেশের জন্য- পেকুয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিপণের দাবিতে পাহাড়ে আটকে নির্যাতন, পরে উদ্ধার কক্সবাজারে হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সিএনজি অটোরিকশা থেকে ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা ৫৪ বস্তা সার জব্দ, আটক ১
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ ৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা

নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়নে মাতারবাড়ী ও বে-টার্মিনাল নির্মাণে জোর

ব্যয়-সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও দক্ষ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে নৌপরিবহন খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন, বন্দর আধুনিকায়ন এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা পেশ করেছে সরকার। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা। যার মধ্যে উন্নয়ন ব্যয় ৮ হাজার ২০৭ কোটি এবং পরিচালন ব্যয় ৮৭৪ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশকালে নৌপরিবহন খাতের এই অগ্রগতির চিত্র ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তৃতায় এই খাতের টেকসই উন্নয়নে অবকাঠামো ও দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এছাড়া বাজেট প্রস্তাবে দেশের নৌপথগুলো সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে নিয়মিত ড্রেজিং ও খনন কার্যক্রম জোরালোভাবে পরিচালনা করার প্রস্তাব করা হয়। একই সাথে ড্রেজিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বন্দরগুলোর কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি অন্যতম মাইলফলক হিসেবে ‘মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর’ বাস্তবায়নের কাজ বর্তমানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এই বন্দরটি পুরোপুরি চালু হলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ট্রান্সশিপমেন্ট সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে বাজেট প্রস্তাবে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

বাজেটে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজন, জেটি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামের ওপর থেকে চাপ কমাতে এবং সক্ষমতা বাড়াতে চট্টগ্রাম বে-টার্মিনাল, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে। সেসব কাজ বেগবান করার প্রস্তাব দেওয়া হয় বাজেটে।

পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষের নৌ-যোগাযোগ সহজ ও আধুনিক করতে নৌবন্দর ও লঞ্চঘাটগুলোর আধুনিকায়নের কাজ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করা হয়।

সরকারের এসব সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি সঞ্চার হবে এবং পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে বাজেট বক্তৃতায় আশাবাদ ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সুত্র: দৈনিক সমকাল

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ ৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা

নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়নে মাতারবাড়ী ও বে-টার্মিনাল নির্মাণে জোর

আপডেট সময় : ০৯:১২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ব্যয়-সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও দক্ষ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে নৌপরিবহন খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন, বন্দর আধুনিকায়ন এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা পেশ করেছে সরকার। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা। যার মধ্যে উন্নয়ন ব্যয় ৮ হাজার ২০৭ কোটি এবং পরিচালন ব্যয় ৮৭৪ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশকালে নৌপরিবহন খাতের এই অগ্রগতির চিত্র ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তৃতায় এই খাতের টেকসই উন্নয়নে অবকাঠামো ও দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এছাড়া বাজেট প্রস্তাবে দেশের নৌপথগুলো সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে নিয়মিত ড্রেজিং ও খনন কার্যক্রম জোরালোভাবে পরিচালনা করার প্রস্তাব করা হয়। একই সাথে ড্রেজিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বন্দরগুলোর কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি অন্যতম মাইলফলক হিসেবে ‘মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর’ বাস্তবায়নের কাজ বর্তমানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এই বন্দরটি পুরোপুরি চালু হলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ট্রান্সশিপমেন্ট সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে বাজেট প্রস্তাবে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

বাজেটে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজন, জেটি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামের ওপর থেকে চাপ কমাতে এবং সক্ষমতা বাড়াতে চট্টগ্রাম বে-টার্মিনাল, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে। সেসব কাজ বেগবান করার প্রস্তাব দেওয়া হয় বাজেটে।

পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষের নৌ-যোগাযোগ সহজ ও আধুনিক করতে নৌবন্দর ও লঞ্চঘাটগুলোর আধুনিকায়নের কাজ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করা হয়।

সরকারের এসব সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি সঞ্চার হবে এবং পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে বাজেট বক্তৃতায় আশাবাদ ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সুত্র: দৈনিক সমকাল